ময়মনসিংহ বোর্ডে পাসের হার ৮৫ শতাংশ, এগিয়ে মেয়েরা

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড ময়মনসিংহের অধীনে এবছর এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮৫ শতাংশ। এবছরও ছেলেদের চেয়ে ফলাফল ভালো করেছে মেয়েরা জিপিএ-৫-এ এগিয়ে রয়েছে। গত বছরের চেয়ে এবার পাসের হার কিছুটা কমেছে। গত বছর এ বোর্ডে পাসের হার ছিল ছিল ৮৫.৪৯ শতাংশ।
রোববার (১২ মে) পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দেন ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মো. শামছুল ইসলাম।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বলেন, বোর্ডের অধীনে ১ হাজার ৩১৩টি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। মোট ১১৫টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। চলতি বছর এসএসি পরীক্ষায় বসতে ফরম পূরণ করেছিল ১ লাখ ২০ হাজার ৩৪৪ জন পরীক্ষার্থী। পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ১ লাখ ১৯ হাজার ২৩৮ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৬০ হাজার ৬১২ ও ছাত্রী ৫৮ হাজার ৬২৬ জন। পরীক্ষায় কৃতকার্য হয়েছে ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৮ জন শিক্ষার্থী।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরও বলেন, বোর্ডে পাসের হার ৮৫ শতাংশ। এর মধ্যে ছাত্র পাস করেছে ৫০ হাজার ৬৯৪ জন (পাসের হার ৮৩.৬৪ শতাংশ) এবং ছাত্রী পাস করেছে ৫০ হাজার ৬৬৪ জন (পাসের হার ৮৬.৪২ শতাংশ)। জিপিএ-৫ প্রাপ্ত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৩ হাজার ১৭৬ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৫ হাজার ৯৬২ এবং ছাত্রী ৭ হাজার ২২৪ জন।
তিনি বলেন, বোর্ডের অধীনে জামালপুর জেলায় পাসের সর্ব্বোচ্চ পাসে হার ৮৯.০৯ শতাংশ। এছাড়া ময়মনসিংহে পাসে হার ৮৪.৩৭ শতাংশ, শেরপুরে ৮৩.২২ শতাংশ ও নেত্রকোনায় ৮২.৩৯ শতাংশ। পাস করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান শাখায় ৯২.৭৩ শতাংশ, মানবিক শাখায় ৮০.২১ শতাংশ এবং ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ৮৫.১৬ শতাংশ। বোর্ডের অধীনে শতভাগ কৃতকার্য হয়েছে এমন প্রতিষ্ঠান ৮০টি। শতভাত অকৃতকার্য প্রতিষ্ঠান নেই।
২০২৩ সালে পরীক্ষায় বসেছিল ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭২ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করে ১ লাখ ৫ হাজার ৪৭ জন পরীক্ষার্থী। গত বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৩ হাজার ১৭৭ জন।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

মিরপুরে ঝগড়ার জেরে ‘সাততলা থেকে ফেলে’ যুবককে হত্যার অভিযোগ
রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পাইকপাড়া এলাকায় এক যুবককে বাসা থেকে ডেকেবিস্তারিত পড়ুন

‘হলে থাকতেন-টিউশনি করতেন, এখন পাঁচ-ছয় কোটি টাকার গাড়িতে চড়েন’
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, “কিছু উপদেষ্টা আছেন যারাবিস্তারিত পড়ুন

শুক্রবার বৈঠকে বসছেন ইউনূস-মোদি
থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বাংলাদেশেরবিস্তারিত পড়ুন