রামপাল প্রকল্প সরিয়ে নিতে ফের ইউনেসকোর অনুরোধ
রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প সরিয়ে নিতে ফের সরকারকে অনুরোধ করেছে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টার ও আইইউসিএন। মঙ্গলবার ইউনেসকোর ওয়েবসাইটে দেয়া প্রতিবেদনে সংস্থা দু’টি প্রকল্পটিকে সুন্দরবনের জন্য মারাত্মক হুমকি বলে উল্লেখ করে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সুন্দরবন বিশ্বের অন্যতম বড় ম্যানগ্রোভ বন।নির্মাণাধীন ১৩২০ মেগাওয়াটের সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টটি এ বিশ্ব ঐতিহ্য এলাকা থেকে মাত্র ৬৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। যা বনটির জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। তাই এ প্রকল্পটি বাতিল করে অন্য কোনো উপযোগী জায়গায় স্থানান্তরের আহ্বান জানানো হচ্ছে।
ইউনেস্কোর প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, রামপাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বাতাসের মাধ্যমে কয়লা দূষণ ছড়িয়ে পড়বে। বনের ভেতর জাহাজ চলাচল বৃদ্ধি পাবে। বর্জ্য পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া ক্রমবর্ধমান শিল্পকারখানা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোগত নির্মাণের প্রভাবও পড়বে সুন্দরবন এলাকায়।
সংস্থা দু’টি আসছে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে এই প্রকল্প নিয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সেন্টারে দিতেও সরকারকে অনুরোধ করেছে। এতে ওই অঞ্চলের সম্পদ সংরক্ষণের তথ্য থাকতে হবে। ২০১৭ সালে বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটির ৪১তম সভায় এ প্রতিবেদন পর্যবেক্ষণ করা হবে। সুন্দরবনকে ঝুঁকিপূর্ণ বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে কি না, তা নিয়েও আলোচনা হবে এ সভায়।
গেলো সেপ্টেম্বরে রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাতিলের জন্য সুপারিশ করে প্রতিবেদন দেয় ইউনেসকো। গেলো মার্চে বাংলাদেশ সফর করে ইউনেসকোর বিশেষজ্ঞরা প্রতিবেদনটি দেন। জবাবে ৯ অক্টোবর সরকার লিখিতভাবে ইউনেসকোকে বলেছে, বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হলে সুন্দরবনের ক্ষতি হবে না।


এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন


বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













