শিশুপাচারই শেষ কথা নয়, পরিত্যক্ত শিশুকে নতুন জীবন দিলেন হাসপাতাল কর্মীরা
সম্প্রতি সংবাদের শিরোনামে এরাজ্যের এক নার্সিংহোমের শিশুপাচার চক্র। কিন্তু এই অন্ধকারের বিপরীতে রয়েছে আলো, বর্ধমানের এই ঘটনাটি সেটাই প্রমাণ করল।
নাম সূর্য। কেউ তাকে আদর করে ‘সান’ বলেও ডাকে। বর্ধমানের কাটোয়া হাসপাতালের কর্মীদের চোখের মধ্যমণি হয়েছিল সূর্য। ছোট্ট ফুটফুটে এই শিশুটি কখন যে সবার এত প্রিয় হয়ে উঠেছিল কেউই তা বুঝতে পারেনি। কিন্তু এবার চোখের জলেই তাকে বিদায় দিতে হল।
সেদিন ছিল ৩ নভেম্বর। সন্ধ্যায় বর্ধমানের কাটোয়া স্টেশনে কাটোয়া-আজিমগঞ্জ ট্রেনটি ঢুকতেই এক হকার ট্রেনের কামরা থেকে শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনতে পান। তিনি গিয়ে দেখেন একটি ফুটফুটে শিশু পড়ে রয়েছে কামড়ার মধ্যে। তৎক্ষণাৎ কাটোয়া জিআরপি শিশুটিকে উদ্ধার করে কাটোয়া হাসপাতালে পাঠায়। সেখানেই এতদিন হাপাতালের নার্সরা কোলেপিঠে সন্তানস্নেহে পালন করছিলেন। সারাদিন এমনিতেই কাজের চাপ। তার মধ্যেই এই শিশুটি যেন হাসপাতালের পরিবেশটাই বদলে দিয়েছিল। গোটা হাসপাতাল আলো করে তুলেছিল সে। তাই হাসপাতালের সবাই মিলে তার নাম রেখেছিলেন ‘সূর্য’।
হাসপাতালের সদ্যপ্রসূতিদের স্তনদুগ্ধই এতদিন খাওয়ানো হয়েছে ওই শিশুকে। প্রায় কুড়ি দিন কেটে গেলেও কেউ এই সন্তানের দাবি করেননি। তাই সরকারি নিয়ম মেনে শিশুটিকে তুলে দেওয়া হল চাইল্ডলাইনের হাতে। তাদের মাধ্যমেই সূর্যের এখন থেকে নতুন ঠিকানা বর্ধমান হোম। মন না চাইলেও চোখের জলেই তাকে বিদায় দিলেন কাটোয়া হাসপাতালের কর্মীরা।
সূর্যকে নিয়ে কী বললেন হাসপাতালের কর্মীরা, দেখুন নীচের লিঙ্কগুলিতে ক্লিক করে—
https://youtu.be/MLnvf-xmbk8
https://youtu.be/Nc_77hISn-A
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ
পৃথিবীর সব প্রাণী ধ্বংস হবে কবে, জানালেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে কোনো প্রাণী বা প্রজাতিই স্থায়ী নয়। একদিন না একদিনবিস্তারিত পড়ুন
এটিএম থেকে টাকার পরিবর্তে কী বের হচ্ছে?
এটিএম বুথের মেশিন থেকে টাকাই তো বের হওয়ার কথা। কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন
৩৩ বছরে ছুটি নিয়েছেন মাত্র একদিন
১৯৪০-এ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নার্সিংয়ে হাতেখড়ি। দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ২৪ বার প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন