স্কুল যেতে না চাওয়ায় শিশুর পায়ে শিকল বেঁধে রাখলেন মা, দেখে চমকে উঠছেন পথচারীরা
ছোট্ট শিশু মেয়েটির বয়স মাত্র ৮ বছর। বায়না ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনা সে। এ বয়সে খেলতে মন চায় ওর। পড়ালেখার মূল্য কতখানি তাও সে বোঝেনা।এরকম স্কুল যেতে চায়না অেসংখ্য শিশু। আদর করে ভুলিয়ে ভালিয়ে বাবা-মায়েরায় তাদের আবার স্কুলে পাঠায়।ছোট খাটো হয়তো শাস্তি ও দেয় শিশুরা যখন বায়নার মাত্রা অতিক্রম করে। তাই বলে এই স্কুল না যাওয়ার অপরাধে কোন মা রাস্তার ধারে নিজের মেয়েকে ল্যাম্প পোষ্ট এর সাথে পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখবেন।
মেয়েটি নড়তে চড়তে পারছে না৷ কেন না পা শিকলে বাঁধা পোস্টের সঙ্গে৷ পথচারীরা দেখে চমকে উঠেছেন৷ শিকল খোলার চেষ্টা করেছেন৷ কিন্তু তালা দিয়ে বন্ধ শিকল খোলা সম্ভব হয়নি৷ এমনকী নিরূপায় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে পুলিশকেও৷
ঘটনা মালয়েশিয়ার৷ বাচ্চাটিকে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাঁদতে দেখে অবাক হয়ে যান অনেকে৷ জানা যায়, স্কুলে যেতে না চাওয়ার কারণেই তাকে এই শাস্তি দেয়া হয়েছে৷ স্কুলের পোশাকেই দাঁড়িয়েছিল সে৷ সারা পৃথিবীতেই বাচ্চারা স্কুলে না যাওয়ার ক্ষেত্রে নানা বাহানা করে৷ তার জন্য শাস্তিও দেন মা-বাবা৷ কিন্তু এমন অভিনব শাস্তি কেউ দেখেননি৷ শিকল মেয়েটির পায়ের সঙ্গে আটকে থাকায় পুলিশকেও অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে৷
পরে পুলিশই উদ্যোগ নেয় মেয়েটিকে মুক্ত করার৷ মাকে ডেকে আনা হয়৷ তারপরই পা থেকে শিকল খোলা হয় মেয়েটির৷ জানা যাচ্ছে, এর আগেও মেয়েটিকে এরকম শাস্তি দেওয়া হয়েছে৷ ঘটনায় ক্ষুব্ধ পুলিশ৷ সতর্ক করা হয়েছে মেয়েটির মাকে।যেন শিশুদের এরকম শাস্তি তিনি আর না দেন।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ
পৃথিবীর সব প্রাণী ধ্বংস হবে কবে, জানালেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে কোনো প্রাণী বা প্রজাতিই স্থায়ী নয়। একদিন না একদিনবিস্তারিত পড়ুন
এটিএম থেকে টাকার পরিবর্তে কী বের হচ্ছে?
এটিএম বুথের মেশিন থেকে টাকাই তো বের হওয়ার কথা। কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন
৩৩ বছরে ছুটি নিয়েছেন মাত্র একদিন
১৯৪০-এ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নার্সিংয়ে হাতেখড়ি। দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ২৪ বার প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন