রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

১৬৫ ফুট নৌকায় চড়ে আসছে আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব

কয়েক ঘণ্টা পরই দেশের ঐতিহ্যবাহী রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের ২০তম সম্মেলন। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি। সম্মেলন মাঠ সেজেছে বর্ণিল সাজে। সেজেছে রাজধানী ঢাকার রাজপথও। সম্মেলনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ভারত, চীনসহ ১১টি দেশের ৫৫ নেতা আসছেন। তাদের সামনে তুলে ধরা হবে ‘শক্তিশালী’ আওয়ামী লীগকে।

২২ ও ২৩ অক্টোবরের এ সম্মেলনে বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকছে নৌকার তৈরি বিশাল মঞ্চ। যার আয়তন ১৬৫ ফুট। এ নৌকায় চড়েই আসবে ক্ষমতাসীনদের আগামী দিনের নেতৃত্ব। এমনটাই জানালেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক।

নানক জানান, ২০তম সম্মেলন সফল করতে এরই মধ্যে সব প্রস্তুতি শেষ হয়েছে। সম্মেলনের জন্য নৌকার আদলে তৈরি ১৬৫ ফুটের মঞ্চে থাকছে ১৫০ আসন। যেখানে দলের সভানেত্রী, সাধারণ সম্পাদক, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য, সিনিয়র নেতারা বসবেন।

আগত অতিথিদের জন্য ১০০টি ভ্রাম্যমাণ টয়লেট, ২০টি টি-স্টল, বড় ১০ ড্রাম খাবার পানি, ৫টি মেডিক্যাল ক্যাম্পও থাকবে সম্মেলনস্থলে। আগত কাউন্সিলর ও ডেলিগেটদের সেবায় থাকবে ২ হাজার স্বেচ্ছাসেবক। সম্মেলনে আগত ৫০ হাজার কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের খাবার ব্যবস্থা করবে আপ্যায়ন উপ-কমিটি। দেশি-বিদেশি সবার জন্য থাকছে একই খাবার।

দেশের ৮ বিভাগের জন্য থাকছে আলাদা আলাদা বুথ। এছাড়া মহিলা ও স্বেচ্ছাসেবকদের জন্যও বুথ থাকছে। প্রতিটি বুথে ১শ’ জন দলীয় স্বেচ্ছাসেবক ও ২০ জন করে পুলিশ সদস্য থাকবে।

কাউন্সিলর, ডেলিগেট, সম্মানিত বিশেষ অতিথি, বিশিষ্ট নাগরিক ও সিনিয়র সাংবাদিকদের জন্য থাকছে আলাদা বসার স্থান। ভেতরে ও বাইরে থাকবে ৪০ হাজার আসন। প্যান্ডেল ও এর আশেপাশে সুশৃঙ্খলভাবে সম্মেলন উপভোগের জন্য ১৬টি বড় পর্দার ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়াও মঞ্চে থাকছে থ্রি-ডি বড় পর্দা।

কাউন্সিলর, ডেলিগেট, বিশেষ অতিথিসহ সবার জন্য থাকছে সম্মেলনে প্রবেশের আলাদা পথ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের শিশুপার্ক সংলগ্ন গেট দিয়ে প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, কেন্দ্রীয় নেতারা ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারবে না। এছাড়া ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের প্রবেশ পথ সংরক্ষিত থাকবে কূটনীতিক ও বিদেশিদের জন্য।

রমনা কালী মন্দির, রাজু ভাস্কর্য ও চারুকলা ইনস্টিটিউট সংলগ্ন প্রবেশপথ দিয়ে কাউন্সিলর, সাধারণ ডেলিগেট, আমন্ত্রিত বিশেষ অতিথি ও সাংবাদিকরা প্রবেশ করবে।

এদিকে সব ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ২১ অক্টোবর সকাল থেকে সম্মেলন মাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ ও র‌্যাব। নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে সাধারণের চলাচলও। অনুমোদিত ব্যক্তি ছাড়া কাউকেই প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে।

সম্মেলনের নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে প্রায় ২ হাজার ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা। তাছাড়া সম্মেলন মাঠে মোবাইল, তরল পদার্থ, যে কোনো প্রকার ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না বলেও জানিয়েছেন জাহাঙ্গীর কবির নানক।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ

রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন

অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন

সাবেক এমপি মিয়াজী যশোরের পার্ক থেকে আটক

ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিববিস্তারিত পড়ুন

  • ফের ২ দিন রিমান্ডে আনিসুল হক
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • জামিন পেলেন সাবেক বিচারপতি মানিক
  • হাসিনার পতনে জাতির মনোজগত পরিবর্তন হয়েছে, নতুন রাজনীতি হতে হবে স্বচ্ছ: আমীর খসরু
  • বগুড়ায় হাসিনা-কাদেরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা
  • ১৭ বছর পর সচল হলো আবদুল আউয়াল মিন্টুর ব্যাংক হিসাব
  • ১০ দিনের রিমান্ডে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক
  • ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি নুরের দলের
  • কোটা আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ইমেজ ড্যামেজ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের
  • বিএনপি ও সমমনা দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • বিকেলে বাসায় ফিরবেন খালেদা জিয়া
  • খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে দেশের গণতন্ত্র মুক্তি পাবে : এ্যানী