‘৩ দিকে বন্ধুরাষ্ট্র হলে প্রতিরক্ষার প্রশ্ন কেন’


বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফরে প্রতিরক্ষা চুক্তির গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়টি জানতে পেরেছি। যে দেশের ৩ দিকে বন্ধুরাষ্ট্র সে দেশের প্রতিরক্ষার প্রশ্ন উঠবে কেন ’
মঙ্গলবার (৭ মার্চ) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। ৭ মার্চ বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১১তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে ‘ভূলুণ্ঠিত গণতন্ত্র, নিষ্পেষিত জনগণ, ভঙ্গুর অর্থনীতি’ শীর্ষক এ আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম।
মঈন খান বলেন, ‘দেশের ৩ দিকে ভারত ও একদিকে সমুদ্র। যে দেশের সবদিকে বন্ধুরাষ্ট্র সে দেশের প্রতিরক্ষার প্রশ্ন উঠবে কেন? বন্ধুরা কেন আমাদেরকে প্রতিরক্ষা দিতে উৎসুক হয়ে উঠেছেন? কেনইবা আমাদের সরকারের প্রতিরক্ষার প্রয়েজনে এতো দুশ্চিন্তা ’
সরকারকে এ প্রশ্নের জবাব দেশের ১৬ কোটি মানুষকে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।
‘সকলেই বন্ধু, কেউ শত্রু নয়’ দেশের এমন পররাষ্ট্রনীতির কথা উল্লেখ করে মঈন খান বলেন, ‘তাহলে এ প্রতিরক্ষার বিষয়টি কেন? ভারত কেন আমাদের উপর এটি চাপিয়ে দিচ্ছে?’
বিএনপির এই নীতিনির্ধারক বলেন, ‘এখন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে কথা উঠেছে। রাজনীতি মানুষের মৌলিক অধিকার। কেউ রাজনীতি করবে কি করবে না, তার সার্টিফিকেট লাগবে নাকি?’
‘অনেক বুদ্ধিজীবীরা বলছেন, বিএনপিকে নির্বাচনে যেতে হবে রেজিস্ট্রেশনের কারণে। একটি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে যেতে রেজিস্ট্রেশন কোনো কারণ হতে পারে না। অনেক দল আছে যারা রাজনীতি করে আনন্দ পায়, তারা নির্বাচনে যায় না। কারো ইচ্ছা হলে নির্বাচনে যাবে, নয়তো যাবে না। এখানে রেজিস্ট্রেশনের প্রশ্ন আসছে কেন?’
‘এ থেকে পরিষ্কার, ক্ষমতাসীনরা নির্বাচনে যান ক্ষমতায় গিয়ে অর্থ-বিত্ত করে বিলাসী জীবন যাপনের জন্য।’
আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘আমাদের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার জন্য ৫০ কোটি ডলার খরচ করবে ভারত। স্বাধীন একটি দেশের নিরাপত্তা কেন ভারতের উপর নির্ভর করবে?’
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দয়া করে দেশের নিরাপত্তা অন্যের হাতে তুলে দিবেন না। বন্ধু প্রতীম রাষ্ট্রে আদান-প্রদান হতে পারে। কিন্তু ভারতের ইচ্ছানুযায়ী প্রতিরক্ষা সাজালে স্বাধীনতা থাকবে না। ভারতের প্রতিরক্ষা স্বার্থকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইলে সত্যিকারের স্বাধীনতা নষ্ট হবে। কিন্তু ভোটারবিহীন সরকার প্রভুদের সন্তুষ্ট করতে সবই করতে পারে। যা জনগণ কোনোদিনই মানবে না ’
তিনি বলেন, ‘হৃদয় খুলে বন্ধুত্ব হবে। কিন্তু দেশের এক ইঞ্চি মাটিও ছাড় দেয়া হবে না।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি শ্যামা ওবায়েদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাড. নিপুন রায় চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা সাদেক খান, কৃষক দল নেতা শাজাহান মিয়া সম্রাট প্রমুখ।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন


অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন


সাবেক এমপি মিয়াজী যশোরের পার্ক থেকে আটক
ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিববিস্তারিত পড়ুন













