প্রবল খরায় মাটি খুঁড়ে জীবন তুলে আনলেন কেরলের মহিলারা


এ যেন সমুদ্র মন্থন করে অমৃত তুলে নিয়ে আসার মতো অথবা তার চেয়েও কঠিন। পুরানের সেই অমৃত ছিল অমরত্বের সঞ্জীবনী। আর বাস্তবে কেরলের প্রমীলা বাহিনী কার্যত জীবন তুলে নিয়ে এসেছেন পৃথিবীর গর্ভ থেকে। জীবন থাকলে তবে তো অমরত্ব, তাই বোধ হয় সমুদ্র মন্থনের চেয়েও মেহনত ও প্রয়োজনীয়তার নিরিখে এগিয়ে একুশ শতকের কেরল। কিন্তু ঠিক কী করেছেন কেরলের নারী শক্তি?
বারংবার ধোঁকা দিয়েছে বৃষ্টি। তাই প্রবল খরায় শুকিয়ে খটখটে হয়ে গিয়েছিল কেরলের পালাক্কড জেলা। ফুটিফাটা মাঠ ঘাট, কোথাও এতটুকু জল থাকলেও তা নিমেষে উধাও হয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতেই এগিয়ে আসেন কেরলের একদল মহিলা। অপটু হাতেই খুঁড়তে শুরু করেন কুয়ো। আর তারপর এক এক করে একশো আশি।
২০১৬ সালের অক্টোবরে যখন কাজে হাত দেন, তখন কূপ খননের বিন্দু বিসর্গ জ্ঞানও ছিল না তাঁদের। কথায় বলে, প্রয়োজনই সৃষ্টি-সৃজনের জননী। এক্ষেত্রেও ঠিক তাই। আজ, ১৮০টি কুয়ো খুঁড়ে খড়াক্রান্ত মানুষদের জীবনের পরশ দিয়েছেন ওই মহিলারা।
স্বশিক্ষিত কূপ খননকারী হিসাবে আজ তাঁরা এবিষয়ে রীতিমতো ‘বিশেষজ্ঞ’। স্বীকৃতি এসেছে সরকারের তরফেও, তাঁরা এখন পারিশ্রমিক পান MGNREGA প্রকল্পের মাধ্যমে। কিন্তু এসব নেহাতই সরকারি ও প্রশাসনিক বিষয়। সমাজকে যা মুগ্ধ করেছে তা হল জীবন বাঁচাতে ‘জীননী’দের এই জীবনপণ লড়াই।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত
যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন


হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে ইরানের হামলা, একাধিক সেনা আহত
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সদস্যদের বহনকারী একটি জাহাজে হামলা করেছেবিস্তারিত পড়ুন


ভিসা প্রার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদনকারী সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের সব সামাজিকবিস্তারিত পড়ুন













