ফ্রান্সের নতুন প্রেসিডেন্ট হলেন ইমানুয়েল ম্যাক্রো


ফ্রান্সের সবচেয়ে কনিষ্ঠ প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন ইমানুয়েল ম্যাক্রো। তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন লি পেন।
কয়েকটি কেন্দ্র জরিপে আগ থেকেই তরুণ প্রার্থী এমানুয়েল ম্যাক্রো এগিয়ে ছিলেন।
আধুনিক ফ্রান্সের ইতিহাসে মূলধারার রাজনৈতিক দলের বাইরে এই প্রথম দুজন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী এসেছেন, যাদের ধ্যানধারণা প্রতিষ্ঠিত রাজনীতির বাইরে।
এ নির্বাচনকে ইউরোপের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। তবে ফ্রান্সের ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) থাকার পক্ষে ম্যাক্রো কিন্তু লি পেন চরম জাতীয়তাবাদী। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট হলে ফ্রান্সের ইইউয়ে থাকা না-থাকা নিয়ে গণভোট দেবেন তিনি। ব্যক্তিগতভাবে ইইউয়ে থাকার বিরোধী লি পেন।
এদিকে, ভোট গ্রহণের মধ্যে জয়-পরাজয় নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। কিন্তু ফ্রান্সে ভোট গ্রহণের দিন জনমত জরিপ করা নিষিদ্ধ। তবে বেলজিয়ামের গণমাধ্যম তিনটি কেন্দ্রফেরত জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেছে, যাতে দেখা যাচ্ছে ৩৮ বছর বয়সি প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী ম্যাক্রো বেশ এগিয়ে রয়েছেন।
রোববার যারা ভোট দিয়েছেন বা ভোট দিতে চান তাদের ওপর জরিপ চালিয়ে এর ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে বেলজিয়ামের সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম আরটিবিএফে। এতে বলা হয়েছে, ম্যাক্রো ৬২ থেকে ৬৪ শতাংশ ভোট পেতে চলেছেন।
তবে রয়টার্স জানিয়েছে, জরিপের ফলাফল নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। ভোট গ্রহণ শেষ না পর্যন্ত ফ্রান্সে কেন্দ্রফেরত জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা নিষিদ্ধ।
শুক্রবারের সবশেষ জনমত জরিপে দেখা গিয়েছিল, রোববারের নির্বাচনে ম্যাক্রো ৬১ দশমিক ৫ থেকে ৬৩ শতাংশ ভোট পেতে পারেন। প্রথম দফায় হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেও রয়টার্সের জনমত জরিপের ফলাফল যথাযথ হয়েছিল।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত
যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন


হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে ইরানের হামলা, একাধিক সেনা আহত
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা সদস্যদের বহনকারী একটি জাহাজে হামলা করেছেবিস্তারিত পড়ুন


ভিসা প্রার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদনকারী সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের সব সামাজিকবিস্তারিত পড়ুন













