বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৯, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

আবাসিক এলাকায় পলিথিন কারখানা : বিপন্ন পরিবেশ

খুলনা মহানগরীর ১৭নং ওয়ার্ডের হাফিজনগর আবাসিক এলাকায় গড়ে উঠেছে পরিবেশ বিপর্যয়কারী পলিথিন উৎপাদন কারখানা। ফলে আবাসিক এলাকায় বসবাসকারী সাধারণ মানুষ স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছে। পাশাপাশি কারখানার গা ঘেঁষে থাকা ময়ূর নদীর পরিবেশও বিপন্ন হচ্ছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলরের অনাপত্তিপত্র জাল করে এবং পরিবেশ অধিদফতরের একশ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ম্যানেজ করেই আবাসিক এলাকায় পলিথিন কারখানার অনুমোদন নেয়া হয়। এলাকাবাসী কারখানাটি উচ্ছেদ করার বিষয়ে অভিযোগ দিলেও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ নেয়নি অধিদফতর।

সর্বশেষ বুধবার পরিবেশ অধিদফতরের খুলনা বিভাগীয় পরিচালকের নিকট এলাকাবাসী লিখিত অভিযোগ করলে দ্রুত কারখানাটি বন্ধ করে দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সরেজমিন দেখা যায়, সোনাডাঙ্গা থানাধীন হাফিজনগর আবাসিক এলাকার ৫৫৭১নং মৌজায় নগরীর নূরনগরের বাসিন্দা মঈন উদ্দিনের মালিকানাধীন সাদিয়া এন্টারপ্রাইজ প্লাস্টিক কারখানা পরিচালনা করছেন। ২০১৭ সালের ৩ অক্টোবর তিনি পরিবেশ অধিদফতর থেকে ভুয়া কাগজপত্র এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ম্যানেজ করে পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র নেন।

ওই সময় তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ময়ূর নদীর তীর ঘেঁষে তেমন আবাসিক এলাকা বা বসবাসযোগ্য কেউ নেই। অথচ ২০১১-১২ সাল থেকেই ওই এলাকায় জনসাধারণের বসবাস শুরু হয়েছে।

এছাড়া ১৭নং ওয়ার্ড এলাকায় প্রতিষ্ঠানটি হলেও তিনি ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের স্বাক্ষর ও সিল জাল করে অনাপত্তিপত্র পরিবেশ অধিদফতরে প্রদান করেন। সব কিছু ম্যানেজ করার পর পরিবেশ অধিদফতর সাদিয়া এন্টারপ্রাইজকে পলিদানা হতে রোল পরিবহন ও সেচ পাইপ প্রস্তুতের জন্য অনুমোদন দিলেও এর কোনোটাই মানা হয় না কারাখানায়।

হাফিজনগর এলাকার মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, বেলাল হোসেনসহ একাধিক বাসিন্দা অভিযোগ করেন, পলিথিন পোড়ানোর সময় এলাকায় গন্ধে থাকা যায় না। শিশু থেকে বয়স্ক সবারই শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন রোগ দেখা দিচ্ছে। তবে পরিবেশ অধিদফতর এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

১৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শেখ হাফিজুর রহমান হাফিজ যুগান্তরকে বলেন, ‘পরিবেশ নষ্টকারী কোনো প্রতিষ্ঠানকে আমি ছাড়পত্র দেইনি। তবে প্রতিষ্ঠানটির মালিক স্থানীয় এক পত্রিকার মালিকের আত্মীয় বলে প্রভাব বিস্তার করে।’

২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন বলেন, ‘আমার সিল ও স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। তবে ১৭নং ওয়ার্ডের কারখানায় ২১নং ওয়ার্ডের অনাপত্তিপত্র দেখে কীভাবে পরিবেশ অধিদফতর ছাড়পত্র দিল সেটা বুঝতেছি না।’ প্লাস্টিক কারখানা সাদিয়া এন্টারপ্রাইজের মালিক মো. মঈন উদ্দিন বলেন, ‘আমার সব কাগজপত্র আছে। ফায়ার সার্ভিস, ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স, ভ্যাট, পরিবেশের ছাড়পত্র আপডেটেড।’

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ

রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন

বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • জাতিসংঘ: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোটি কোটি মানুষ খাদ্যসংকটে পড়বে
  • ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
  • ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি গণ অধিকার পরিষদের
  • নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া
  • যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলায় দুই শিশু নিহত, আহত ১৭
  • গাজায় অনাহারে ২ শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু
  • যুক্তরাষ্ট্রে কমছে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীদের ভিসার মেয়াদ
  • সিগারেটের আগুন থেকে দাবানল, সাইপ্রাসের ১০০ বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চল পুড়ে ছাই
  • চবিতে ফের স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ-ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সহ-উপাচার্যসহ আহত ১০
  • রাকসু কার্যালয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের তালা-ভাঙচুর
  • স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা: অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১,৬০৪ বার সড়ক অবরোধ হয়েছে
  • কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ