বিমানবন্দরে লাগেজ হারানোর কথা স্বীকার করলেন মন্ত্রী


বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, বিমানবন্দরে কোনো যাত্রীর লাগেজ হারিয়ে যাওয়া কখনোই কাম্য নয়। তবে ব্যাপক কর্মযজ্ঞের মধ্যে এরকম বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার যাত্রীর ২৫ হাজার থেকে ৩০ হাজার ব্যাগ ও লাগেজ আসে ও যায়।
সোমবার বিকেলে জাতীয় সংসদের ৯ম অধিবেশনে বেগম মাহজাবিন খালেদের (মহিলা আসন-১৮) এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।
রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘দেশের বিদমান বিমানবন্দরগুলোর লাগেজ হ্যান্ডিলিং তথা গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের বিষয়টি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেডের কার্যক্রমের আওতাভুক্ত।’
মন্ত্রী বলেন, ‘বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ জাতীয় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিরোধ করার জন্য বিভিন্নভাবে ব্যবস্থা নিয়েছে। যাত্রীদের ব্যাগ থেকে শুরু করে মালামালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিমান, পুলিশ, এপিবিএন, আনসার, বেবিচকের নিরাপত্তা কর্মীসহ সব সংস্থার সমন্বয়ে নিয়মিত মাসিক সভাও করা হয়। পাশাপাশি যাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতেও বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে।’
মন্ত্রী জানান, যাত্রীদের বিমানবন্দরে নামার পর কনভেয়ার বেল্ট থেকে লাগেজ সংগ্রহ করতে হয়। হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে আসা যাত্রীদের লাগেজ প্রাপ্তির সুবিধার্থে ৮টি কনভেয়ার বেল্ট রয়েছে। অন্যান্য আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেও যাত্রীদের লাগেজ প্রাপ্তির জন্য প্রয়োজন মতো কনভেয়ার বেল্ট রয়েছে বলে মন্ত্রী জানান।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন


বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













