হে রাষ্ট্র তুমি তনুকে ভুলে গেলে?


গত ২০ মার্চ কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুকে হত্যা করা হয়। ওইদিন রাত ১০টার দিকে তনুর বাবাই প্রথম তার ১৯ বছরের মেয়ের লাশ দেখতে পায়। কুমিল্লা ক্যান্টমেন্ট এলাকার কালবার্টের পাশেই পড়েছিল তনুর নিথর দেহ। লাশের পাশেই পাওয়া গেছে তনুর ছেড়া চুল, ছেড়া জুতা ও ছেড়া ওড়না।
এরপরই গণমাধ্যমের বদৌলতে সারা বিশ্ব জানতে পারে তনুকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। এমন কথাও জানা গেছে, যে ধর্ষক একজন নয়। আরও বলা হয়েছে, ধর্ষণের সময় কনডম ব্যবহার করা হয়েছে। যাতে ধর্ষক দ্রুত ধরা না পড়ে।
তনুর ধর্ষণ ও হত্যার বিষয়টি মেনে নিতে পারে নি বাঙ্গালী জাতি। তাই সারাদেশের মানুষ তনু হত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং তনুর হত্যাকারীদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছে।
সারাদেশ তনু হত্যার বিচারের দাবিতে যখন উত্তাল, ঠিক তখনই সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দরজায় নাড়া পড়ে। এরপরই তারা তনুর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের উদ্যোগ নেয়। সরকারের এ কাজের কারণে দেশের মানুষ ভেবেছিল, হয়তো এবার বিচার পাওয়া যাবে কিন্তু লাশের ময়নাতদন্তের পর মানুষ বুঝে গেছে এর বিচার হয়তো আর কোন দিনই হবে না। আর ধীরে ধীরে সেটাই সত্যি হতে চলেছে।
একটা মেয়ে ক্যান্টমেন্ট এলাকায় খুন হওয়ার প্রায় এক মাস হতে চলেছে। এরমধ্যে ধর্ষণ বা হত্যাকাণ্ডের সামান্যতম কোন রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি সরকার। অথচ সরকারের বিভিন্ন বাহিনী এ মামলার তদন্ত করেছে কিন্তু কেউ কিছুই বের করতে পারে নি। তাহলে কি, হে রাষ্ট্র তুমি তনুকে ভুলে গেলে? যদি না ভুলে থাক তাহলে তোমার (রাষ্ট্র) কাছে এবং রাষ্ট্র পরিচালনাকারীদের বলবো তনুর অপরাধীদের খুঁজে বের করে শাস্তি দিন। এতে রাষ্ট্র এবং আপনাদের সম্মান বাড়বে কমবে না।
লেখক-সাংবাদিক
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন


বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













