বুধবার, অক্টোবর ২১, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

সুন্দরবন ধ্বংস মানে কি হতে পারে জানেন?

“সুন্দরবন”- ঐন্দ্রজালিক এই সৃষ্টি ঠিক যেন এর নামের মতই সুন্দর। এখানেই রয়েছে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, পৃথিবীর সবচেয়ে বিষধর সরীসৃপ প্রাণী। যাদের আবাসস্থল এই ঘন জঙ্গল। আলো-আধারে সবসময় এখানের প্রকৃতি মহিমান্বিত। আমাদের দেশের গৌরব এই সুন্দরবন। আসুন, সুন্দরবনের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য জেনে নেয়া যাক-

১. পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন:

সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন। এই অঞ্চলটি গাছপালা উৎপাদনের ক্ষেত্রে অন্যতম। বিশেষ করে, লোনা পানির উপকূলীয় জলে গাছপালা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। তাই, এখানে পৃথিবীর বৃহত্তম বনের সৃষ্টি হয়েছে।

২. বিশ্বের বৃহত্তম ডেল্টা বা ব-দ্বীপ:

এই দ্বীপমালা পৃথিবীর বৃহত্তম বদ্বীপ বন। গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র এই দুই নদীর সংমিশ্রণে সুন্দরবনের দ্বীপমালা গঠিত। যা বঙ্গীয় বদ্বীপ বা গ্রিন ডেল্টা নামে সুপরিচিত। এটি ভারতের ১,৩৩০ বর্গকিলোমিটার যায়গা জুড়ে বিস্তৃত। সুন্দরবনকে “ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট” হিসেবে পুরষ্কার প্রদান করা হয়।

৩. রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বসবাসের ঠিকানা:

সমগ্র বিশ্বের সবচেয়ে বড়, মহিমান্বিত এবং অগ্নিসদৃশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের বসবাস এই ঘন চিরহরিৎ ডেল্টা বনে। সারা বিশ্বের মধ্যে এখানে সবচেয়ে বেশি রয়েল বেঙ্গল টাইগার রয়েছে।

৪. প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্টি:

বিশাল এই ম্যানগ্রোভ বন প্রকৃতির একক সৃষ্টি। গ্রীষ্মের সময় লাল ও হলুদ ফুলে বন ভরে উঠে। এ সময় অন্যান্য প্রভাবশালী পুষ্পশোভিত প্রজাতি পান্না দ্বীপের আশেপাশে দেখা যায়।

৫. সর্বদিকে সুন্দর দ্বীপ:

টেকটনিক বঙ্গীয় অববাহিকায় পার্থিব জেনেটিক লিঙ্কসহ সুন্দরবন গভীরতম, বিস্তৃত এবং সবচেয়ে সক্রিয় বদ্বীপ। সুন্দরবন কমপ্লেক্স ডেল্টার এবং তার আশেপাশের physiographical এবং geomorpholic গতিশীল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থা, প্লাবনভূমির আমানত এবং সমুদ্রতলের ব্যাপক নিঃসরণ বদ্বীপকে পর্যায়ক্রমে আরও উন্নত করছে।

৬. ভ্রমণ উপযোগী সময়:

এশিয়ার বৃহত্তম একক ম্যানগ্রোভ জলাভূমি হল সুন্দরবন। এই বিস্ময়কর দ্বীপে ভ্রমণ করার উপযোগী সময় হল সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ মাস।

৭. ফটোগ্রাফারের নন্দন:

সুন্দরবনের নির্মেঘ জঙ্গলে পান্না দ্বীপের উপকূলের আলোকচিত্রি অসাধারণ। বনের ভেতর অসাধারণ কিছু পাখি যেমন- সাইবেরিয়ার ক্রেন, হলুদ দোয়েল, কাঠঠোকরা এবং বিভিন্ন পরিযায়ী পাখি রয়েছে। আলোকচিত্রিরা এখানে এসে অসাধারণ ছবি ক্যাপচার করেন।

সুন্দরবনে সৌন্দর্যের পাশাপাশি বিভিন্ন হিংস্র প্রাণীও রয়েছে। এদের থেকে অবশ্যই সাবধান থাকতে হবে। যারা ভ্রমণ করতে অনেক পছন্দ করেন, তারা অবশ্যই সুন্দরবন ভ্রমণ করতে পারেন। এখানে ভ্রমণের মাধ্যমে আপনি অনেক আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।

এই সুন্দরবন ধ্বংস করে বিদ্যুৎ আমাদের কি দিবে বলতে পারবেন কি? বিদ্যুৎ প্রয়োজন, তাই বলে সুন্দরবন ধ্বংস করে কেন? এতটুকু কথা সবাই কেন বুঝে না?

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ

রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন

বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • জাতিসংঘ: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোটি কোটি মানুষ খাদ্যসংকটে পড়বে
  • ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
  • ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি গণ অধিকার পরিষদের
  • নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া
  • যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলায় দুই শিশু নিহত, আহত ১৭
  • গাজায় অনাহারে ২ শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু
  • যুক্তরাষ্ট্রে কমছে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীদের ভিসার মেয়াদ
  • সিগারেটের আগুন থেকে দাবানল, সাইপ্রাসের ১০০ বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চল পুড়ে ছাই
  • চবিতে ফের স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ-ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সহ-উপাচার্যসহ আহত ১০
  • রাকসু কার্যালয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের তালা-ভাঙচুর
  • স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা: অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১,৬০৪ বার সড়ক অবরোধ হয়েছে
  • কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ