বুধবার, জুলাই ১, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

দূর্নীতির আরেক নাম চক্ষু হাসপাতাল প্রকল্প

দূর্নীতির আরেক নাম চক্ষু হাসপাতাল প্রকল্প। ১৩ বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি ২৫০ শয্যা বিশিষ্ঠ। জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্প। বিভিন্ন সময় এ প্রকল্পর দূর্নীতির কারণে প্রকল্পটিতে ব্যয় বেড়েছে তিন গুণ আর মেয়াদ বেড়েছে কয়েক গুণ। পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে এ তথ্য জানাযায়।

সূত্র জানায় প্রথমে, চক্ষু হাসাপাতাল নির্মাণের প্রধান কাজ পেয়েছিল বিএনপির সাবেক এমপি শাহমোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান শাহ ইসলাম। কিন্তু শাহ ইসলাম এখনও ভবন নির্মাণের কাজ বুঝিয়ে দেয়নি। যে কারণে ১০ তলা ফাউন্ডেশনে ছয় তলা বিশিষ্ঠ ভবন নির্মাণ এখনও শেষ হয়নি। বর্তমান সরকারের আমলেও এ প্রকল্প নিয়ে চলছে নানা তাল বাহানা।

এ বিষয়ে প্রকল্পের পরিচালক ডা. রেজানুর রহমান বলেন, ২০০৩ সালে শুরু হওয়া প্রকল্পের কাজ এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। সাবেক এমপি শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের প্রতিষ্ঠান শাহ ইসলামও ভবন নির্মাণের কাজ বুঝিয়ে দেয়নি। এখন এটি নিয়ে চলছে অনিশ্চয়তা। জানিনা সেশ পর্যন্ত কি হয়। তবে এটা দ্রুত শেষ করতে পারলে সাধারণ জনগণের অনেক সুবিধা হত।

স্বাস্থ্য অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, নানা উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে জুলাই ২০০৩ সালে ৮৭ কোটি ৭৫ লাখ টাকায় নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এখন হাসপাতাল নির্মাণ প্রকল্পের সময় বেড়ে হয়েছে ডিসেম্বর ২০১৭ সাল। একই সঙ্গে প্রায় তিন গুণ ব্যয় বেড়ে হয়েছে ১৩৫ কোটি টাকা। হাসপাতালে আধুনিক মেডিকেল যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হয়নি। সবে মাত্র ১৭ দশমিক ৩৩ কোটি টাকার মেডিকেল যন্ত্রপাতি কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

পরবর্তী প্রকল্পের অনুকূলে অর্থায়নের জন্য সৌদি ফান্ড ফর ডেভলপমেন্ট(এসএফডি)’র সঙ্গে ৭ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি হয়েছিল। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ ৫১ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এই টাকা এখনও পাওয়া যায়নি। যে কারণে প্রকল্পের কতিপয় অঙ্গের কাজ থেমে আছে।
বার বার সময় ও ব্যয় বাড়ার কারণে ব্যহৃত হচ্ছে প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্যও। সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য দুই কোটি টাকা সৌদি ফান্ড পাওয়া যায়নি। এই অর্থ না পাওয়া গেলে বেড়ে যাবে আবারও প্রকল্পের সময়।

স্থাপত্য অধিদফতরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মাহফুজুল আলম, নির্মাণ কাজে দুই কোটি টাকা সৌদি ফান্ড না পাওয়ার কারণে প্রকল্পের কাজে সময় লেগেছে। সৌদি ফান্ড পেলেই প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। তবে দ্রুত সময়ে না পাওয়া যায় তবে ২০১৭ সালেও প্রকল্পের কাজ শেষ হবে না।’

ডাক্তার নার্স ও প্যারামেডিক্সদের প্রশিক্ষণের জন্য এবং অন্যান্য জনবলসমূহ চক্ষু বিজ্ঞানের উপর আধুনিক সুবিধাদি ও প্রযুক্তি সম্বলিত একটি ইনস্টিটিউট স্থাপন করা। চক্ষু প্রতিষ্ঠানকে একটি ‘সেন্টার অব এক্সলেন্স’ হিসেবে আধুনিক গবেষণাগারে রুপ দেয়া। দেশে জটিল চক্ষুরোগীর চিকিৎসা সেবা দেয়া যাতে করে বিদেশে চিকিৎসা নেয়ার প্রবণতা কমে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

হাদি হত্যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে বিপাকে মমতা

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড ইস্যুতে মন্তব্য করায়বিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

  • বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা
  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত
  • সংঘাতের মাঝেও তেহরানের বায়ুমান ঢাকার চেয়ে ভালো
  • অবিলম্বে তেহরান খালি করার আহ্বান ট্রাম্পের
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • দাওয়াত খেতে গিয়ে হামলার শিকার আওয়ামী লীগের এক নেতা
  • এবার হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি রিয়াজ-চঞ্চল-মামুনুর রশীদসহ ১৪ শিল্পী
  • ফেমডম সেশনের নামে নির্যাতনের অভিযোগে দুই নারী গ্রেপ্তার