নাইট ক্লাবে অবাধে চলছে দেহব্যবসা, নীরব দর্শক পুলিশ
ব্যাংককে একটি প্রচলিত কথা আছে, যদি কেউ আকাশে পাথর ছোঁড়ে তবে তা হয় কোনও পথচারীর মাথায় পড়বে অথব্য কোনও পতিতালয়ের দালালের মাথায় পড়বে৷
এই একই কথা গুরগাঁওয়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, তবে সামান্য একটু তফাঠ এই যা সেই পাথর হয় কোনও স্পা মালিকের মাথায় পড়বে অথবা কোনও নাইট ক্লাব মালিকের মাথায়৷ বিগত কিছু দিন ধরেই নয়াদিল্লি সংলগ্ন গুরগাঁও শহরে স্পা সেন্টার ও নাইট ক্লাবের অন্দরে রমরমিয়ে চলছে অবৈধ দেহব্যবসা৷
মেহরৌলি-গুরগাঁও রোডে বেশ কিছু মল ও লাক্সারি হোটেল রয়েছে যেখানে স্পা ও নাইট ক্লাব রয়েছে৷ এই সেন্টারে গ্রাহকদের ইরোটিক মসাজের মত সুবিধা প্রদান করা হয়৷ এখানে গ্রাহকের প্রয়োজন ও ক্ষমতা অনুযায়ী সুবিধা দেওয়া হয়ে থাকে৷
এই নাইট ক্লাব বা স্পা সেন্টারে রাত ন’টার পর দেহব্যবসা আসল রূপ ধারণ করে৷ স্পা ও ক্লাব মালিকরা দালালের মাধ্যমে গ্রাহক জোগাড় করে৷ এমনকি সবদিক খতিয়ে দেখার পরই যুবতীর রেট ঠিক করা হয়৷
এই এলাকার কোনও ব্যক্তি ক্লাবে গেলে সেখানকার বারগার্লরা নিজেরাই নিজেদের রেট জানিয়ে দেয়৷ ৩০ মিনিট সঙ্গ দেওয়া জন্য ৩০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হয়৷ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বারগার্ল জানায়, ‘এখানে টাকা কামানো খুবই সোজা৷
আমরা দিনে ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা রোজগার করি৷ যদিও ৫০ শতাংশ ক্লাবেই দিয়ে দিতে হয়’৷ সে আরও জানায়, বেশিরভাগ বারগার্লই সেক্সুয়াল সার্ভিস দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে৷
এক্সাইজ ও আয়কর বিভাগের আধিকারিকদের মতে, গুরগাঁও শহরেই ৬০য়েরও বেশি সংখ্যক নাইট ক্লাব রয়েছে, সেখানে অবাধে দেহব্যবসা চলে৷ যদিও সমস্ত তথ্য হাতের নাগালে থাকা সত্ত্বেও পুলিশ এই ধরণের নাইট ক্লাব ও স্পা সেন্টারের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি৷
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


ভিসা প্রার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা
যুক্তরাষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদনকারী সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের সব সামাজিকবিস্তারিত পড়ুন


স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন
চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদহার বাড়ার আশঙ্কায়বিস্তারিত পড়ুন


দেশ থেকে যে ৩ চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ
দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপেরবিস্তারিত পড়ুন













