সোমবার, মে ২০, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

মক্কা শরীফের ইতিহাসে প্রথমবারের মত যে ছবি তোলা হয়

ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের মাঝে মক্কা একটি পবিত্র স্থান। বিশ্বের নানান প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলিম জনগোষ্ঠি মক্কা নগরীতে সমবেত হন। বহুকাল আগে থেকেই মক্কা নগরী মুসলিম জনগোষ্ঠির জন্য উন্মুক্ত হলেও কোনো চিত্রশিল্পী বা আলোকচিত্রীর সেখানে প্রবেশ নিষিদ্ধ ছিল দীর্ঘসময়। ১৮৮৫ সাল নাগাদ সেই নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথীল হয়। ধারণা করা হয় ১৮৮৫ থেকে ১৮৮৮ সালের মধ্যকার কোনো এক সময় মক্কায় বসবাসরত এক চিকিৎসক প্রথম মক্কার একটি ছবি তুলেছিলেন। পরবর্তী সময়ে আরও অনেক আলোকচিত্রী এই পবিত্র স্থানের ছবি তুললেও আজও স্মরণীয় হয়ে আছে সেই চিকিৎসকের তোলা ছবিটি।

আব্দু আল ঘাফর নামে এক চিকিৎসক বাস করতেন মক্কা নগরীতে। ১৮৮৫ সাল নাগাদ তিনি প্রথম ইউরোপীয় খ্রিস্টান আলোকচিত্রী সনুক হার্গার্জোনের সঙ্গে কাজ করতে শুরু করেন। ওই খ্রিস্টান আলোকচিত্রী পরবর্তী সময়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহন করেছিলেন বলেও জানা যায়। কিন্তু কূটনৈতিক কারণে একটা সময় তাকে মক্কায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় এবং নিজ দেশ হল্যান্ডে ফিরে যান তিনি। সেসময় তিনি তার বন্ধুসম অংশীদার আব্দু আল ঘাফরের কাছে সকল যন্ত্রপাতি রেখে যান। এই যন্ত্রপাতি দিয়েই পরবর্তী সময়ে ঘাফর মক্কা নগরীর বেশ কয়েকটি ছবি তোলেন, যা বর্তমান বিশ্বে দুর্লভ ছবিগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।

সেই খ্রিস্টান আলোকচিত্রী ১৮৮৯ সালে কোনো আরবি বর্ননা ছাড়াই এবং ঘাফরের নাম উল্লেখ না করেই মক্কার ছবি নিয়ে একটি প্রদর্শনী করেছিলেন। সুতরাং দীর্ঘসময় পর্যন্ত বিশ্ববাসীর কাছে অজানাই ছিল ওই ছবিগুলো আসলে কে তুলেছিলেন। কিন্তু ১৯৮১ সালের দিকে এফ.এস. অ্যালেন এবং সি. গ্যাভিন নামের দুই ভদ্রলোক মক্কার ওই ছবিগুলো গবেষণা করে এর আসল আলোকচিত্রীর নাম উদ্ধার করেন। সেই সময় মোহাম্মদ সাদিক বে নামের এক মিশরীয় ব্যক্তির সহায়তায় এই তিন ব্যক্তি মিলে একটি বই প্রকাশ করেন। সেই বইয়ের নাম দেয়া হয়েছিল, ‘টু দ্য হলি ল্যান্ডস: পিলগ্রিমেজ সেন্টারস ফ্রম মক্কা অ্যান্ড মদিনা টু জেরুজালেম’। বর্তমানে বিশ্বের হাতেগোনা কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংরক্ষনাগারে ওই বইটির কপি সংরক্ষিত আছে। যদিও মূল কপিটি ঠিক কোথায় আছে তা এখনও কেই জানেন না।

অবশ্য মিসরের সেনাবাহিনীর প্রকৌশলী মোহাম্মদ সদিক বে দীর্ঘদিন দাবি করেছিলেন যে, তিনিই সর্বপ্রথম মক্কার ছবি তুলেছিলেন। বেশ কয়েকবার তিনি মক্কায় হজ করতে যান এবং তার দাবি অনুযায়ী ওই যাত্রাকালীন সময়েই তিনি ছবিগুলো তুলেছিলেন। কিন্তু গ্লাস প্লেটে তোলা সাদিকের ছবিগুলো পরবর্তী সময়ে প্রমাণে ব্যর্থ হয় যে, এই ছবিগুলোই মক্কার প্রথম ছবি। এরপর অবশ্য আরও অনেক আলোকচিত্রী বিভিন্ন সময় মক্কার কাবা শরীফের ছবি তুলেছিলেন।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

রাষ্ট্রধর্ম সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়

দীর্ঘদিন পর সুপ্রিমকোর্ট রায় দিয়েছেন, রাষ্ট্রধর্ম সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়।বিস্তারিত পড়ুন

হজযাত্রীদের নিয়ে ঢাকা ছাড়ল ফ্লাইট

চলতি বছরের হজ ফ্লাইট শুরু হয়েছে বৃহস্পতিবার (৯ মে) থেকে।বিস্তারিত পড়ুন

পবিত্র ওমরাহ পালনে সৌদি আরব গেছেন মির্জা ফখরুল

পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরব গেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জাবিস্তারিত পড়ুন

  • সৌদি আরব যেকোনো ভিসায় করা যাবে ওমরাহ!
  • রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংবিধানবিরোধী নয়: হাইকোর্ট
  • ঈদ সালামি কি জায়েজ?
  • শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি, ঈদ বৃহস্পতিবার
  • জাতীয় ঈদগাহে পাঁচ স্তরের নিরাপত্তার কথা জানালো ডিএমপি কমিশনার
  • ধ্বংসস্তূপে দাঁড়িয়ে বিশ্ববাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা ফিলিস্তিনিদের
  • যেভাবে টানা ৬ দিনের ছুটি মিলতে পারে ঈদুল ফিতরে
  • রাস্তায় ইফতার করলেন ডিএমপি কমিশনার
  • যেসব অঞ্চলে আজ থেকে রোজা শুরু
  • রমজান মাসে কম দামে পাওয়া যাবে মাছ ও মাংস
  • পবিত্র রমজান মাস কবে শুরু, জানা যাবে সোমবার
  • একই নিয়মে সব মসজিদে তারাবি পড়ার আহ্বান