মঙ্গলবার, জুন ২৫, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

শিয়াদের ব্যাপারে কতটুকু জানেন? জেনে নিন শিয়াদের আদ্যোপান্ত

ঐতিহাসিকভাবে শিয়া-সুন্নি সম্পর্ক কীভাবে বেড়ে উঠেছে, এই লেখায় আমরা তার খোঁজ নিতে চাই। আজকের সময়ে যে ভেদ ও বিভেদ গড়ে উঠেছে, তার ঐতিহাসিক সূত্রের সন্ধান ও আজকে আমাদের করনীয় কি, এই বিষয়ে আলোকপাত করাই এই লেখার উদ্দেশ্য।
*আমরা সুন্নিদের সম্পর্কে মোটামোটি জানি, তবে শিয়াদের সম্পর্কে জানি খুব কম। তাই শিয়াদের বিষয়ে পাইকারি বক্তব্য দিলে, অন্য অনেকের মত, হয়তো আমি-আপনিও ধরতে পারিনা। তাই শুরুতেই শিয়াদের প্রাথমিক পরিচয় পেশ করতে চাই।
*শিয়াজমের মূলনীতি
পাঁচটা নীতিতে মোটাদাগে শিয়ারা একমত। তবে, শিয়াদের প্রচুর উপদলও আছে। ইসলামি উপদল চিন্তা পাঠের প্রাচীন বইগুলোতে শিয়াদের এমন অনেক উপদলের কথা উল্লেখ পাওয়া যায়, যাদের অস্তিত্ব এখন আর নেই। এখন যে দলগুলো আছে, তাদের মধ্যেও বিপুল মতভেদ আছে। তাই একাট্টা শিয়া ধারণা পাঠ করা বেশ জটিল। সুন্নিদের মধ্যে আমরা দেখি, আকিদা অনেকটা টেক্সটকেন্দ্রিক আর শিয়াদের আকিদা ইতিহাস-কেন্দ্রিক।শিয়াদের যে দল যেভাবে ইতিহাস ব্যাখ্যা করে, সেটাই তার আকিদা।

১)আলি রাঃকে খেলাফতের প্রথম ও একমাত্র উত্তরাধিকারী মনে করা_ এই বিষয়ে সকল শিয়া একমত। তবে, এছাড়া সকল বিষয়েই তাদের মধ্যে দ্বিমত আছে। এই নীতির সূত্রেই, সাহাবার বিষয়ে তাদের অবস্থান, রাজনীতিকে ঠিক কীভাবে দেখা হবে_ এসব বিষয় নির্ণীত হয়।
২) আহলে বাইতকে ধর্মীয় অথরিটি মনে করা। তারা যা বলেছেন, তাকে সাধারণ উলামা বা মুজতাহিদের মত মনে না করে, ধর্মীয় অথরিটি হবার কারণে পালন করা জরুরি মনে করেন শিয়ারা। সুন্নিরা হাদিস বলতে যা বুঝে, শিয়াদের কাছে তার সংজ্ঞা আরও প্রসারিত। রাসুলের সংক্রান্ত কথা বা কাজেই তাদের কাছে হাদিস সীমাবদ্ধ নয়। শিয়া ইমামদের কথাও শিয়াদের কাছে হাদিসের অন্তর্ভুক্ত।
৩) আহলে বাইতের সাথে গভীর আবেগের সম্পর্ক, তাদের নিদর্শনকে বারাকাত হিসেবে গ্রহণ। সুন্নিরা একে বাড়াবাড়ি মনে করে_ যদিও, সুন্নিদের মধ্যেও তাআসসুলের প্রশ্ন নিয়ে নানা মতদ্বৈধতা আছে। শিয়ারা আহলে বাইতের পবিত্র স্থানে স্থাপত্যনির্মাণ_ যাকে তারা মারাকেদ বলে।
একটা মজার ঘটনা বলছি_ আফগানিস্থানের বলখের এক ব্যক্তি স্বপ্ন দেখেন, আলি রাঃ এক ব্যক্তিকে সাদা ঘোড়ায় করে তার এলাকায় পাঠিয়েছেন এবং সে মৃত্যুবরণ করেছে। সে সূত্রে তিনি একটি মাজার গড়ে তোলেন,পরবর্তীতে ঐ এলাকার নাম মাজারে শরীফ হিসেবে পরিচিত হয়।
৪) আহলে বাইতের বিরুদ্ধে যে রাজনৈতিক জুলুম হয়েছে, তার স্মৃতিচারণ। এই যে স্মৃতিচারণ, একে সুন্নিদের পক্ষে বুঝা অসম্ভব। কেননা রাজনৈতিক জুলুমকে সুন্নিরাও স্মরণ করে, তবে, অতিক্রম করতে চায়। শিয়ারা চায় দুঃখ-স্মৃতির চিরন্তনকরণ। এর জন্য শিয়াদের নানা প্রতিষ্ঠানও আছে, যার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দায়িত্ব হচ্ছে, দুঃস্মৃতির প্রচার। বিশেষ দুঃখ-স্মৃতিচারণ কীভাবে গড়ে উঠল, এ নিয়ে নানা অভিমত আছে_ পারস্য সংস্কৃতির প্রভাব বা প্রাক ইসলামি চিন্তার প্রভাব বা রাজনৈতিক জুলুমের দুঃস্মৃতি দিয়ে বর্তমান ব্যাখ্যা করার প্রচেষ্টা!
৫) সাহাবাদের বিরুদ্ধে নবী কারিম সঃ অসিয়তের বিরুদ্ধাচারণের অপবাদ। তবে এই বিষয়ে শিয়াদের মধ্যে নানা ব্যাখ্যা আছে। “ভালো” শিয়ারা সঙ্কটটা বুঝেন_ সাহাবাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ মানে ইসলামের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, তাই কোন সূত্র পেলেই এর থেকে তারা বের হয়ে যান। যেমন, জাইদিয়ারা মনে করে, যোগ্যতম ব্যক্তি থাকা সত্ত্বেও অপেক্ষাকৃত কমযোগ্য ব্যক্তি খলিফা হতে পারে।

*শিয়াদের বর্তমান উপদল
বর্তমান শিয়াদের আমরা তিনভাগে ভাগ করতে পারি, জাইদিয়াহ, ইসমাইলিয়া ও জা’ফরিয়াহ অথবা ভিন্নভাবে বললে, খামসিয়াহ, সাবইয়াহ ও ইছনা আশারিয়াহ।
(১)জাইদিয়াহ।এদের সর্বশেষ ইমাম, ইমাম জায়েদ। ইমাম মোট পাঁচজন। তাই তাদেরকে জাইদিয়াহ ও খামসিয়াহ বা পাচজনীয়ও বলে।এরা সবচেয়ে সুন্নিদের নিকটবর্তী দল। রাজনীতি এদের কাছে মূল আকিদার অংশ নয়, সুন্নিদের মতই। এরা সিহাহ সিত্তাকে গ্রহণ করে।তারা শুধু একটা গ্রন্থ বাড়ায়_মুসনাদে ইমাম জায়েদ। সুন্নি উলামাদেরকেও গ্রহণ করে। শাওকানি, সানআনিকে যেমন সুন্নি ও শিয়া, উভয়েই হাদিসের উলামা মনে করেন। জাইদিরা_সব শিয়াই, মুতাজেলাদের মাধ্যমে প্রভাবিত। বিশেসত আল্লাহর ছিফাতের প্রশ্নে।
২)ইসমাইলিয়াহ। এদের সর্বশেষ ইমাম, ইমাম ইসমাইল। ইমাম মোট সাতজন। তাই তাদেরকে ইসমাইলিয়া ও সাবইয়াহ বা সাতজনীয়ও বলে। তাদের কাছে ইমানের ভিত্তি হল, ওহদানিয়াহ, নবুওয়াহ ও ঈমান বিল কোরআন। তবে তাদের কাছে কোরআন ভাষার মধ্য দিয়ে বুঝলে চলবেনা, বাতেনি ভাবে বা ব্যাপক-ব্যাখ্যার মাধ্যমে বুঝা জরুরি। তারা মনে করে, প্রত্যেকটি ভাষার একটা বাতেন বা চিহ্ন আছে, সেই চিহ্নের মধ্য দিয়ে কোরআন বুঝা জরুরি। এ কারণে তাদেরকে বাতেনিয়াহও বলা হয়।
সমাজবিজ্ঞানী ও মুসলিম ঐতিহাসিকরা লিখেন,ইসমাইলিয়ারা রাজনীতিতে ব্যর্থ হয়ে সিদ্ধান্ত নেন, শুধু রাজনীতির মধ্য দিয়ে পরিবর্তন সম্ভব নয় বরং গুপ্তহত্যা ও চিহ্ন-ব্যাখ্যার মধ্যে কাজ চালিয়ে নিতে হবে। এখান থেকেই ইসমাইলিয়াদের উত্থান ঘটে।

শিয়াদের মধ্যে ইসমাইলিয়ারাই সবচেয়ে বেশী রাজনীতিতে প্রভাব সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়।বেশ কিছু রাষ্ট্র করতে সক্ষম হয় তারা। এমনকি ফ্রান্সের প্রাচ্যবিদ লুইউমাসিউ দশম খৃস্টাব্দকে ইসমাইলিয় শতক বলে অভিহিত করেন। মুসলিম বিশ্বের অধিকাংশ জায়গায় তারা প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন। অনেক জায়গায় ক্ষমতায় দখল করেন। তবে, বর্তমানে ইসমাইলিয়া শিয়াদের সংখ্যা খুবই কম।
৩)ইমামিয়াহ ইছনা আশারিয়াহ। তাদের কাছে ইমাম বারজন, সর্বশেষ ইমাম_প্রতিক্ষিত ইমাম, ইমাম মাহদি। যিনি শেষ যুগে আসবেন বলে তারা বিশ্বাস করে।ইমামিয়াদের মধ্যেও তিনটা ভাগ আছে_ মূলবাদী, বর্ণনাবাদী ও শায়খবাদী।
মূলবাদীরা অনেকটা বুদ্ধিবৃত্তিক ব্যাখ্যা গ্রহণ করে, শিয়াদের যে ঐতিহাসিক কুসংস্কার-বর্ণনা আছে, সেগুলকে নাকচ করে। কোরআন ও বুদ্ধির উপর বেশী নির্ভর করে। কিছুটা প্রাচীন মুতাজিলাদের মত এদের চিন্তা-ধারা।এখন এদের প্রাধান্যই বেশী।
বর্ণনাবাদীরা কোরআন বা সুন্নাহ ব্যবহার করেনা। তারা মনে করে, একমাত্র ইমামরাই টেক্সট বুঝতে সক্ষম। ধর্মীয় ক্ষেত্রে বুদ্ধির ব্যবহারের অনুমতি খুব কম দেয়। এমন অনেক কুসংস্কারে বিশ্বাস করে, যাকে অন্য শিয়ারাও নাকচ করে। তবে তাদের প্রভাব ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে।
শায়খবাদীরা নতুন ধারা ও তাদের সংখ্যাও খুব কম। তাই তাদের নিয়ে বিস্তারিত আলাপে যাচ্ছিনা।
ইমামিয়াদের কাছে আকিদার মূলনীতি হচ্ছে, তাওহিদ, নবুওয়াহ, আদল, মাআদ_ স্পষ্ট যে এগুলো মুতাজেলাদের থেকেই গৃহীত। এ ছাড়া তারা ইমামাহ, তাকিয়াহ ও গাইবিয়াতে বিশ্বাস করে। তাকিয়াহ ঠিক আকিদা বলা যায়না, তবে আকিদার বাহিরেও নয়। গাইবিয়াহ মানে ইমামের গোপন থাকা_যিনি আখেরি জামানায় ফিরে আসবেন। এই যে প্রতিক্ষা তত্ত্ব, এ কারণেই তারা রাজনৈতিকভাবে নেতিবাচক ছিল। কেননা তারা গাইবিয়া-চিন্তার ভিত্তিতে মনে করতো, মাহদি আসার আগে কোন রাষ্ট্র সম্ভব না। মাহদির জন্য আপেক্ষা করা হবে এবং রাষ্ট্রীয় কোন কার্যক্রমে শরিক হওয়া যাবেনা। যেমন এখন অনেক সুন্নিদের খেলাফতবাদীরা মনে করে, খলিফা ছাড়া রাজনীতি সম্ভব না এবং তারা একটা ঐতিহাসিক খেলাফতের চিত্রকে একমাত্র মডেল মনে করে, সেটা যেহেতু অসম্ভব, তাই রাজনীতি অসম্ভব_ এভাবে রাজনীতি থেকে বিরত থাকে। যদিও, খেলাফতের বিষয়ে প্রাথমিক পাঠও তাদের নেই_ জুলুম থাকা সত্ত্বেও সুন্নিরা সব শাসনকে কেন খেলাফত বলেছে, এটা বুঝারও ক্ষমতা নাই। যাক, এই চিন্তায় ব্যাপক পরিবর্তন আনেন ইমাম খোমেনি_ তার ওলায়াতুল ফাকিহ ধারণার মধ্য দিয়ে_ “ আমরা তো এক হাজার বছর অপেক্ষায় ছিলাম, এখন কি আরও এক হাজার বছর অপেক্ষায় থাকবো? বরং মুজতাহিদ আলেম ইমামের স্থলাভিষিক্ত হবে_ এই হল ওলায়াতুল ফাকিহ!

এই পরিবর্তনটা লক্ষণীয়_ শিয়ারা নেতিবাচকতা থেকে বের হয়ে আসছে_ সুন্নিদের একটা অংশ গ্রহণ করছে মাহদিয়া-গাইবিয়া তত্ত্ব_ খলিফা চিন্তার মাধ্যমে।
(দেখুন, আজ্জাম তামিমির হিজবুত তাহরির ব্যাখ্যা ও হাসান কোনাকাতার ইবনে তাইমিয়ার খেলাফত কনসেপ্ট)
ইমামিয়ারা ইসলামের পাঁচ রুকন ছাড়াও তাওয়াল্লি ও তাবাররি বা সালাফি ভাষায় ওলা ও বারাকে ধর্মের রুকন মনেকরে। বিষয় ও ফিকহের দিক থেকে সুন্নিদের মত হলেও সূত্র ও প্রামাণ্যতার ক্ষেত্রে ফারাক অনেক_ ইমামিয়ারা সিহাহ সিত্তা মানেনা_ বিশেষত ইমাম বুখারিকে আক্রমণ করে। তারা মানে ইবনে বাবাওইহ,তুসি ও কুলাইনির চার কিতাব_ যা চতুর্থ শতকে রচিত হয়েছে এবং এর মধ্য দিয়েই মূলত শিয়াইজম দানা বেঁধেছে। তবে শিয়াদের কাছেও এগুলো সহি বা সম্পূর্ণ শুদ্ধ কিতাব কিতাব না। প্রায় পঁচিশ হাজার বর্ণনার মধ্যে মাত্র পাঁচ-সাত হাজার সহি। ফলে অনেক সুন্নি যে মনে করে, শিয়াদের কিতাবে আছে মানেই সেটা শিয়াদের আকিদা, এটা ভুল। যেমন বুখারি ও মুসলিমের প্রায় প্রত্যেক হাদিস সুন্নিদের বিশ্বাস হিসেবে গৃহীত, শিয়াদের মূল চার কিতাব এমন নয়।
শিয়াদের ভিন্ন চার কিতাব থাকলেও এর অর্থ এই নয় যে,এতে পার্থক্য হয়ে যাচ্ছে। কেননা শিয়াদের সহি হাদিসগুলোর অধিকাংশই সিহাহ সিত্তায় পাওয়া যাবে_ হয়তো ভিন্ন সূত্রে। এ কারণেই শিয়া-সুন্নিদের ইবাদত ও ফিকাহের ক্ষেত্রে অনেক মিল পাওয়া যায়।বর্তমান সময়ের ফিকহের অন্যতম প্রধান আলেম অহবা জুহাইলি লিখেছেন, আমি ইমামি-শিয়া ফিকহের এক এক করে সব মাসআলা পড়েছি_ বিশটির মত মত বাদে সমস্ত মতই সুন্নিদের কোন না কোন স্কুলের সাথে মিলে যায়। অপর প্রখ্যাত ফকিহ আব্দুল কারিম জাইদান লিখেছেন, জাইদি ও জাফরি ফিকাহ প্রায় এক, তেমনি হানাফি ও ইমামিয়া ফিকাহও প্রায় এক। এবং বিশ্ববিখ্যাত আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয় শিয়া-ফিকহকে তাদের পাঠ্য অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে।
মজার বিষয় হল, সিরিয়ান আলাভি শিয়ারা ( তারা একসময় প্রচুর উগ্র ছিল_পাহাড়ে বাস করতো। ইসমাইলিয়াদের দ্বারা প্রভাবিত ছিল।)যখন তাদের আইন প্রণয়ন করতে যায় তখন একটা দল পাঠায়, আজহারে আর আরেকটা দল, নাজাফের শিয়াদের কাছে। তখন আজহারের আগে নাজাফ দল ও চিন্তা পাঠিয়ে দেয় এবং আলাভিরা ইমামি শিয়ায় রুপান্তরিত হয়। তবে, সিরিয়ায় ব্যাপক কোরআন-হাদিস চর্চা ও সালাফি প্রভাবহীনতার কারণে আলাভিরা সুন্নিদের প্রতি ঝোঁকও বাড়ছিল_রাজনৈতিক প্রসঙ্গ বাদ দিলে মোটাদাগে সহাবস্থান ছিল। একটা ঐক্যও সৃষ্টি হচ্ছিল। যুদ্ধ সব সমীকরণ মোছে দিল_ সম্ভাবনার দ্বার!
অনেকে এই লেখায় মনে করতে পারেন, আমি শিয়া-সুন্নি এক আকারে দেখাতে চাচ্ছি, বিষয়টা এমন নয়_ এটা তো বাস্তবতাকে অস্বীকার। বাস্তবতা ও ইসলাম মেনেই। বরং অনেক শিয়াকে যে তাকফির করা জরুরি_তাদের সংখ্যা খুব বেশী নয়, তাও আমরা সামনের পর্বে দেখাবো। তবে অন্ধভাবে তাকফির না করে যাতে সচেতনভাবে করা যায় এবং যারা কাফের নয়, তবে উগ্র-বিদাতি বা নিরীহ_ তাদের সাথে কীভাবে সহাবস্থান করা যায়, এটা দেখানোই আমাদের উদ্দেশ্য। এ জন্যই, এই পর্বে শিয়া পরিচয় ও চিন্তা পেশ করলাম_ অল্লহু আলামু বিছ ছওয়াব!
(তিন সংখ্যায় সমাপ্ত) সূত্রঃ ইসলামি চিন্তার ইতিহাস ইমাম আবু জুহরা তাওহিদি চিন্তা ইমাম রামাদান বুতি শিয়া-সুন্নি সম্পর্ক ডঃ মুখতার শানকিতি

ইফতেখার জামিল, ব্লগার

সূত্রঃ ইউরো বিডি নিউজ

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

খেলার জগতের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পেশাদারি কাঠামো

লাল-সবুজের তরুণ প্রজন্মের এ সময়ের প্রিয় শ্লোগান, ‘বাংলাদেশের জান, সাকিববিস্তারিত পড়ুন

আগস্টের শোককে শক্তি হিসেবে নিতে পারি আমরা তরুণেরা

“যতদিন রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান, ততদিন রবে কীর্তিবিস্তারিত পড়ুন

বাবা যখন ধর্ষক

যেখানে আপন বাবাই ধর্ষণ করে, সেখানে সৎ বাবার ধর্ষণ আমাদেরবিস্তারিত পড়ুন

  • দুই বড় দেশ যখন প্রতিবেশী ও প্রতিযোগী
  • মৌসুমি নৌকা শোরুম
  • ভারতবিদ্বেষ কেন বেড়ে চলেছে?
  • জনগণের কাছে শেখ হাসিনাই জয়ী
  • ‘গুলিস্তান’ নেই, তবু আছে ৬৪ বছর ধরে
  • পদ্মা ব্রিজ দিয়ে কী হবে?
  • যুদ্ধাহতের ভাষ্য: ৭০– “এখন অমুক্তিযোদ্ধারাই শনাক্ত করছে মুক্তিযোদ্ধাদের”
  • আসুন, বড় হই
  • আসুন, পিঠের চামড়া না তুলে পিঠ চাপড়ে দিতে শিখি
  • বাড়িওয়ালা মওদুদ ও বাড়িছাড়া মওদুদ
  • ব্রিটেনের নতুন সরকার নিয়ে যে শঙ্কা!
  • আওয়ামী লীগ ছাড়া কি আসলে কোনো বিকল্প আছে?