সৈকতে মিললো মৎসকন্যার মৃতদেহ!


এক ব্রিটিশের দাবি, ইংল্যান্ডের নরফোক সৈকতে একটি মৎসকন্যাকে দেখেছেন তিনি। মৃত অবস্থায় তার দেহটি ভেসে আসে সৈকতে।
যদি তাই হয়, তবে ওই মৎসকন্যা তেল উৎপাদনকারী রিগ, মাছ ধরার জাহাজ এবং ক্রুড ওয়েল ট্যাঙ্কার, ফেরি এবং ক্রুজ লাইনারপূর্ণ অঞ্চলে সাঁতার কাটতে গিয়ে উষ্ণতায় মৃত্যু ঘটে তার।
শুধু দাবি নয়, এর ছবিও প্রকাশ করেছেন পল জোনস নামের ওই লোক। ছবিগুলো তিনি তুলেছেন গ্রেট ইয়ারমাউথে। ছবিগুলো ইতিমধ্যে ১৫ হাজার শেয়ার হয়ে গেছে মাত্র দুই দিনে।
পোস্টে পল লিখেছেন, আজ গ্রেট ইয়ানমাউথে এমন একটি দেহ দেখলাম যা দেখে মৃত কোনো মৎসকন্যার বলেই মনে হয়।
ছবিগুলো এক বীভৎস মৃতদেহের। মানুষের দেহের মতো। মৃতদেহ পচে-ক্ষয়ে আসার পর এমনটা দেখায়। দেহের নিচের অংশটা মাছের মতোই। দেহের মাঝের অংশ পচে গেছে। কিন্তু লেজের অংশটা এখনো বেশ বোঝা যায়।
অনলাইনে অনেকেই বলেন, এটা সেই মিথলজির প্রাণী, মৎসকন্যা। আবার অনেকে বলছেন, এটা একটা মৃত সিল। যেখানে পাওয়া গেছে সেখানে সিলদের কলোনি রয়েছে।
এ ছাড়াও অনেক পোস্টে অতি সাধারণ ব্যাখ্যা মিলেছে। জোনসের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে জানা যায়, তিনি ’হরোর অ্যান্ড হ্যালোয়েন ডাই’ গ্রুপের সদস্য।
মৎসকন্যা রূপকথার গল্প হয়েই রয়েছে। বলা হয়, এর দেহের ওপরের অংশ এক সুন্দরী যুবতীর মতো। আর কোমর থেকে নিচের অংশ মাছের মতো। এমন মৎসকন্যার গল্প হাজার বছর ধরে শোনা যাচ্ছে। আরব এবং গ্রিকরা ৫৮৬ খ্রিষ্টাব্দে মৎসকন্যার খবর প্রথম প্রচার করে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


পৃথিবীর সব প্রাণী ধ্বংস হবে কবে, জানালেন বিজ্ঞানীরা
পৃথিবীতে কোনো প্রাণী বা প্রজাতিই স্থায়ী নয়। একদিন না একদিনবিস্তারিত পড়ুন


৩৩ বছরে ছুটি নিয়েছেন মাত্র একদিন
১৯৪০-এ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নার্সিংয়ে হাতেখড়ি। দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ২৪ বার প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন


লজ্জায় লাল হয়ে যায় পাখিও
লজ্জা পেলে শুধু মানুষের মুখই লাল হয়ে যায় তা কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন













