শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

এল নিনোর কারণে বিশ্বে খাদ্য সংকট হচ্ছে : জাতিসংঘ

তীব্র খরা ও বন্যার কারণে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চল, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার প্রায় ১০ কোটি মানুষ খাদ্য ও পানি সংকটে পড়েছে। আবহাওয়ার ঘটনা এল নিনোর কারণে এমন হচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা, আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থা ও বিভিন্ন দেশের সরকার। একই সঙ্গে জিকা ভাইরাসসহ বিভিন্ন সংক্রামক ব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিষুবরেখা বরাবর প্রধানত প্রশান্ত সাগরের পূর্বে যে গরম পড়ে, সেটাই এল নিনো। তবে আরো বিস্তৃত করে বললে, এই উষ্ণ পানিই অর্ধেক পৃথিবীতে গভীর প্রভাব ফেলে—ক্যালিফোর্নিয়ায় ভারি বৃষ্টিপাত, অস্ট্রেলিয়ায় আগুন ও প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ইত্যাদি।

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির বরাত দিয়ে ব্রিটিশ পত্রিকা দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, জিম্বাবুয়ে, মোজাম্বিক, দক্ষিণ আফ্রিকা, জাম্বিয়া, মালাওয়ি ও সোয়াজিল্যান্ডের গ্রামে বসবাসরত প্রায় চার কোটি ও শহরাঞ্চলের প্রায় ৯০ লাখ মানুষের আগামী বছর খাদ্য সহায়তা দরকার হবে।

এ ছাড়া জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সমন্বয় কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, ইথিওপিয়ায় এক কোটি মানুষ ও গুয়াতেমালা, হন্ডুরাসের ২৮ লাখ মানুষকে খাদ্য সহায়তা দিতে হবে।

২০১৫ সালের এল নিনো শুরুর পর থেকে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় এরই মধ্যে তাপপ্রবাহ, পানি ঘাটতি ও দাবানলে শিকার হয়েছে। একই সঙ্গে চলতি বছর ফসল উৎপাদনের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে।

জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের পরিচালক লিলা ঘারাগোজলু-পাক্কালা বলেন, ‘আফ্রিকার পূর্ব ও দক্ষিণ অঞ্চলে প্রায় ১০ লাখ শিশুর পুষ্টিহীন, তাদের চিকিৎসার প্রয়োজন। ৫০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী এল নিনোর কারণে অনিয়মিত বৃষ্টিপাত ও খরায় বিপন্ন শিশুদের জীবন হুমকির মুখে ফেলেছে।’

জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষ্টি সংস্থা (এফএও) ও ফেমিন আরলি ওয়ার্নিং সিস্টেমস নেটওয়ার্ক যৌথ বিবৃতিতে বলছে, ‘২০১৬ সালে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলে ফসল উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এল নিনো বিপর্যকর প্রভাব ফেলবে।’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবে, এল নিনোর কারণে পেরু, ইকুয়েডর, প্যারাগুয়ে ও ব্রাজিলের দক্ষিণে ভারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে জিকা ভাইরাসের বিস্তারও বাড়তে পারে। সংস্থাটি বলছে, ‘স্থির পানিতে এডিস এজিপ্টি মশা বংশবিস্তার করে। আমরা হয়তো আরো মশার দেখা পাব, অনুকূল পরিবেশ পেয়ে জিকা ভাইরাসের বিস্তার হতে পারে।’

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

ভিসা প্রার্থীদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নির্দেশনা

যুক্তরা‌ষ্ট্রের ভিসার জন্য আবেদনকারী সব অনভিবাসী ভিসা প্রার্থীদের সব সামাজিকবিস্তারিত পড়ুন

স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন

চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদহার বাড়ার আশঙ্কায়বিস্তারিত পড়ুন

দেশ থেকে যে ৩ চ্যানেলে সরাসরি দেখা যাবে বিশ্বকাপ

দীর্ঘ প্রতীক্ষা ও অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপেরবিস্তারিত পড়ুন

  • তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত
  • সংঘাতের মাঝেও তেহরানের বায়ুমান ঢাকার চেয়ে ভালো
  • শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ
  • নেতানিয়াহু: তেহরানের আকাশ দখলে, জয়ের পথে ইসরায়েল
  • অবিলম্বে তেহরান খালি করার আহ্বান ট্রাম্পের
  • ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কিকে স্বৈরাচারী শাসক বললেন ট্রাম্প
  • ধর্ষণের অভিযোগের তদন্ত চলায় এমবাপ্পেকে বিজ্ঞাপন থেকে সরাল রিয়াল
  • মিয়ানমারে বন্যায় মৃতের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে ২২৬
  • ইসরাইলি হামলায় আরও ৩৮ ফিলিস্তিনি নিহত
  • বিক্ষোভকারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে সরকারের প্রতি আহ্বান যুক্তরাষ্ট্রের
  • একদিনে গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহত ৫৭ ফিলিস্তিনি 
  • কানে ব্যান্ডেজ নিয়ে সম্মেলনে ট্রাম্প