বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

কঙ্কাল ব্যবসায় মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা!

সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে কবর থেকে লাশ চুরির ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু চুরি হওয়া এসব লাশ কোথায় যাচ্ছে? খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চুরি করা লাশের কঙ্কালের জমজমাট ব্যবসা করছে একটি চক্র। আর দেশের মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাই চুরি হওয়া কঙ্কালের ক্রেতা। শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকেও একটি গ্রুপ কঙ্কাল ক্রয় বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত।

সাভারের গকুলনগর গ্রামের একটি কবরস্থান থেকে গত কয়েকদিনে সাতটি লাশ চুরি হয়েছে। এ ঘটনায় আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। গত বছরের জুনে একই কবরস্থান থেকে ১৩টি কঙ্কাল চুরি হয়েছিল।

গত সপ্তাহে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে পারিবারিক গোরস্থান থেকে আসমা বেগম নামে একজনের লাশ চুরি হয়েছে। এর আগে গাজীপুর পৌরসভার ধীরাশ্রম এলাকার গজারিয়াচালা কবরস্থান থেকে ২৩টি কবরের লাশ চুরি হয়ে যায়।

২০১৩ সালে ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার শহীদনগর ইউনিয়নের ছাগলদী গ্রামের কবরস্থান থেকে পাঁচটি লাশ চুরি হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, চুরি করা লাশের কঙ্কালের জমজমাট ব্যবসা করছে একটি চক্র। দেশের মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরাই চুরি হওয়া কঙ্কালের ক্রেতা। শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকেও একটি গ্রুপ কঙ্কাল ক্রয় বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িত। কলেজের কোনো শিক্ষার্থী কঙ্কাল ক্রয় করতে চাইলে এই চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে। তারাই লাশ চোর চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ করে এসব কঙ্কাল কলেজে নিয়ে আসে।

কঙ্কাল ক্রয় করা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে জানা গেছে, মেডিকেলে পড়া প্রতিজন শিক্ষার্থীরই মানুষের কঙ্কাল প্রয়োজন। মেডিকেল থেকে এসব কঙ্কাল সরবরাহ না করায় বিকল্প পথ হিসেবে অবৈধভাবে এসব কঙ্কাল সংগ্রহ করে তারা।

বর্তমানে দেশে সরকারি ২২ মেডিকেল কলেজ, ১টি ডেন্টাল কলেজ ও ৯টি ডেন্টাল ইউনিট মিলিয়ে মোট আসনসংখ্যা ৩হাজার ৩৮৯। এরমধ্যে মেডিকেল কলেজে দুই হাজার ৮১১টি ও ডেন্টালে ৫৭৮টি আসন রয়েছে। অপরদিকে ৫২ বেসরকারি মেডিকেল কলেজে চার হাজার ২৭৫টি ও ১২ ডেন্টাল কলেজে সাড়ে ৮০০ আসন রযেছে। মেডিকেল কলেজের ১ম বর্ষের ছাত্রছাত্রীরাই হচ্ছে কঙ্কালের আসল ক্রেতা। চুরি যাওয়া লাশগুলোর এক সেট কঙ্কাল বিক্রি করা হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায়। গবেষণার কাজে কঙ্কাল লাগলেও এর ব্যবহার ও সংরক্ষণ নিয়ে কোনো নীতিমালা নেই।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের এনাটমি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক শামীম আরা বলেন, ‘আমাদের মেডিকেল শিক্ষার্থীরা যে কঙ্কাল ব্যবহার করে সেগুলো দান করা। ওই কঙ্কালের গায়ে নামও লেখা আছে। অন্যান্য শিক্ষার্থীরা তাদের সিনিয়র শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কিনেছে বলে আমরা জানি। তবে সিনিয়ররা এগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করে তা আমার জানা নেই।’

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী বিথী আক্তার বলেন, ‘মেডিকেলের শিক্ষার্থীরা কঙ্কাল ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। মেডিকেল কলেজের ভিতরে ও বাইরে এর ব্যবসা রয়েছে। বর্তমানে ফুল সেট কঙ্কালের দাম ৩০ হাজার থেকে ৪০ হাজার টাকা, হাফ সেটের দাম ১৫ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা।’

তিনি জানান, ‘মেডিকেলে প্রথম এবং দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় কঙ্কাল প্রয়োজন হয়। দ্বিতীয় বর্ষের পড়া শেষ হলে অনেকে কঙ্কালগুলো বিক্রি করে দেয়। কঙ্কালগুলো সহজে নষ্ট হয় না বলেও জানান এ শিক্ষার্থী।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

পৃথিবীর সব প্রাণী ধ্বংস হবে কবে, জানালেন বিজ্ঞানীরা

পৃথিবীতে কোনো প্রাণী বা প্রজাতিই স্থায়ী নয়। একদিন না একদিনবিস্তারিত পড়ুন

৩৩ বছরে ছুটি নিয়েছেন মাত্র একদিন

১৯৪০-এ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নার্সিংয়ে হাতেখড়ি। দু’টি বিশ্বযুদ্ধ, ২৪ বার প্রধানমন্ত্রীবিস্তারিত পড়ুন

লজ্জায় লাল হয়ে যায় পাখিও

লজ্জা পেলে শুধু মানুষের মুখই লাল হয়ে যায় তা কিন্তুবিস্তারিত পড়ুন

  • দুই হাতের হৃদয়রেখা মিলে গেলে কি হয় জানেন?
  • ৩২১ থেকে ওজন কমিয়ে ৮৫!
  • রং নম্বরে প্রেম, বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি ঝলসে যাওয়া মুখ
  • পানিতে ভেসে উঠলো অলৌকিক হাত!
  • ১৫ বছরে একবার ফোটে ‘মৃত্যুর ফুল’
  • চা বিক্রেতা এখন ৩৯৯ কোটি টাকার মালিক
  • একটি মাছের বিষে মারা যেতে পারে ৩০ জন
  • মোবাইল কিনতে ছয় সপ্তাহের শিশুকে বিক্রি
  • পরকীয়ায় জড়াচ্ছে নারীরা প্রধান যে তিনটি কারণ নেপথ্যে
  • ২৪০০ কেজি খিচুড়ি রান্না হয় যেখানে দৈনিক !
  • পরীক্ষায় ফেল করলেই বিবাহ বিচ্ছেদ
  • কান্না থামছিল না তাঁরঃ ‘বাবা আমি আসছি’ বলে লাশ হলেন তরুণী