বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

পরিচয় দিলেও আসল হালিম তিনি নয় !

রাজধানীর বনানীতে দুই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ধর্ষণ মামলার আসামি নাঈম আশরাফ (হাসান মোহাম্মদ হালিম) তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়েও জালিয়াতি করেছেন।

নিজেকে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি হালিম হিসেবে পরিচয় দিলেও আসল হালিম তিনি নন। স্বেচ্ছাসেবক লীগের বর্তমান সহসভাপতি আবদুল হালিমের নাম ব্যবহার করতেন।

এ ছাড়া তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আশরাফুল আলমের ছেলে নাঈম আশরাফের নাম ব্যবহার করছেন। আওয়ামী লীগ নেতার ছেলে নাঈম আশরাফ ঢাকায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করেন।

আওয়ামী লীগ নেতার নাম ব্যবহার ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতির পদ ব্যবহার করেই বেপরোয়া হয়ে ওঠেন হাসান মোহাম্মদ হালিম।

কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি সেলিম রেজা জানান, কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন গান্ধাইল ইউনিয়নের চৌরাস্তা গ্রামের বাসিন্দা স্থানীয় কারিগরি কলেজের শিক্ষক আবদুল হালিম, যিনি কালো হালিম নামে পরিচিত। অথচ ওই ব্যক্তির নাম ও পদবি ব্যবহার করেই প্রতারক হাসান মোহাম্মদ হালিম ওরফে নাঈম আশরাফ নিজেকে কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি পরিচয় দিয়ে এলাকায় ব্যানার-ফেস্টুনে ছেয়ে দেন।
1494582728-Halim1

সেলিম রেজা আরো বলেন, ‘দলের সহসভাপতির পদ তো দূরের কথা, তাঁকে আমি চিনিই না। তাঁর সঙ্গে কোনো দিন দেখা বা সাক্ষাৎ হয়নি আমার।’

এ সময় হালিমকে প্রতারক আখ্যা দিয়ে তাঁর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন স্বেচ্ছাসেবক লীগের এই নেতা।

সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক জিহাদ আল ইসলাম বলেন, এইচ এম হালিম ওরফে নাঈম আশরাফ নামের স্বেচ্ছাসেবক লীগের কোনো নেতা নেই। হালিম মূলত তাঁর অপকর্ম ও প্রতারণার কাজটি সহজ করতেই স্বেচ্ছাসেবক লীগের পদ ব্যবহার করেছেন।

এদিকে, আবদুল হালিমের চাচি সুফিয়া খাতুন বলেন, ‘টেলিভিশন ও পত্রিকায় তাঁর ছবি দেখে আমি নিশ্চিত হয়েছি যে সে হালিম। তবে তাঁর আরেক নাম নাঈম আশরাফ কি-না, তা আমি জানি না।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলা গান্ধাইল গ্রামের আমজাদ হোসেন ফেরিওয়ালার ছেলে এইচ এম হালিম। ২০০৪ সালে এসএসসি পাস করে বগুড়া পলিটেকনিকে ভর্তি হন। সেখানেও নিজের বাবার নামসহ পুরো পরিচয় গোপন করে প্রতারণা করে প্রেম ও বিয়ে করেন। ধরা পড়ে গণপিটুনি খেয়ে সেখান থেকে পালিয়ে ঢাকায় গিয়ে নাম বদলে হয়ে যান নাঈম আশরাফ। চাকরি নেন এক মিডিয়া হাউসে। এর পর থেকেই দীর্ঘদিন তাঁর কোনো খবর ছিল না। হঠাৎ করেই নিজেকে কাজীপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি পরিচয় দিয়ে এলাকায় ব্যানার-ফেস্টুন লাগান। আর এতেই আবার নজরে আসেন হালিম ওরফে নাঈম আশরাফ। তবে তাঁর রাজনৈতিক কোনো পরিচয় নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

হাদি হত্যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে বিপাকে মমতা

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ড ইস্যুতে মন্তব্য করায়বিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

  • বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা
  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: মাকে মারধর ও ভাঙচুর।
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত
  • সংঘাতের মাঝেও তেহরানের বায়ুমান ঢাকার চেয়ে ভালো
  • অবিলম্বে তেহরান খালি করার আহ্বান ট্রাম্পের
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • দাওয়াত খেতে গিয়ে হামলার শিকার আওয়ামী লীগের এক নেতা
  • এবার হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি রিয়াজ-চঞ্চল-মামুনুর রশীদসহ ১৪ শিল্পী