বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

পাঁচ দিন পর বন্ধ কারখানা খুলেছে, কাজে যোগ দিয়েছেন পোশাক শ্রমিকরা

টানা পাঁচ দিন বন্ধ থাকার পর শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার ৫৫টি তৈরি পোশাক কারখানা খুলে দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই জামগড়া, বেরন, নরসিংহপুর, ঘোষবাগ এলাকার কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের প্রবেশ করতে দেখা গেছে।

শ্রমিক অসন্তোষের জের ধরে গত ২০ ডিসেম্বর অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানাগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল।

এদিকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষিত কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার জন্য রবিবার (২৫ ডিসেম্বর) কারখানা মালিকদের সঙ্গে বিজিএমইএর সঙ্গে বৈঠক হয়। বৈঠকে কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) থেকে বন্ধ কারখানাগুলো খুলে দেওয়া হয়েছে।

বন্ধ কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার পর সাধারণ শ্রমিকরা কাজে দেওয়ার মাধ্যমে শিল্পাঞ্চলে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

অবশ্য শ্রমিকদের আন্দোলনের উস্কে দেওয়ার অভিযোগে কয়েকটি কারখানা কর্তৃপক্ষ ভিডিও ফুটেজ দেখে আন্দোলনকারী শ্রমিকদের ছাঁটাই করেছে। সোমবার সকালে ছাঁটাইকৃত সেসব শ্রমিকরা কাজে যোগ দেওয়ার উদ্দেশে কারখানার সামনে আসলেও তাদেরকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ঢাকা জেলা পুলিশ মাইকিং করে ছাঁটাইকৃত শ্রমিকরা যেন কারখানায় প্রবেশ করে কিংবা আশপাশে অবস্থান নিয়ে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ও কারখানা কর্তৃপক্ষকে সজাগ থাকার নির্দেশনা দিচ্ছে।

শিল্প পুলিশ-১ এর পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কারখানাগুলো খুলে দেওয়ার পর শ্রমিকরা কারখানায় প্রবেশ করে উৎপাদন শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত কোনো কারখানায় অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে র‌্যাব-বিজিবির টহলের পাশাপাশি শিল্প এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, মজুরি বৃদ্ধি, শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ, বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধি না করাসহ বেশ কিছু দাবিতে গত ১১ ডিসেম্বর থেকে সৃষ্ট শ্রমিক অসস্তোষকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠে আশুলিয়া পোশাকশিল্প এলাকা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় গত ২০ ডিসেম্বর থেকে আশুলিয়া এলাকার ৫৫টি কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয় মালিকপক্ষ।

চলমান শ্রমিক আন্দোলনে উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে উইন্ডি গ্রুপের ১২১ জন এবং ফাউন্টেইন কারখানার ১৩৫ জন ও হা-মীম গ্রুপের ৯৬ জন শ্রমিককে সাময়িক বরখাস্তের পাশাপাশি শ্রমিক নেতা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী, জনপ্রতিনিধি, অভিনেতা, সংবাদকর্মী ও পোশাক শ্রমিকসহ দুই সহস্রাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ১০টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলার জন্যবিস্তারিত পড়ুন

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি গণ অধিকার পরিষদের

জাতীয় পার্টিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করাসহ তিন দাবি জানিয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া

গণ অধিকার পরিষদের আহত সভাপতি নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

  • যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলায় দুই শিশু নিহত, আহত ১৭
  • গাজায় অনাহারে ২ শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু
  • যুক্তরাষ্ট্রে কমছে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীদের ভিসার মেয়াদ
  • সিগারেটের আগুন থেকে দাবানল, সাইপ্রাসের ১০০ বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চল পুড়ে ছাই
  • চবিতে ফের স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ-ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সহ-উপাচার্যসহ আহত ১০
  • রাকসু কার্যালয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের তালা-ভাঙচুর
  • স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা: অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১,৬০৪ বার সড়ক অবরোধ হয়েছে
  • কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ
  • স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
  • গণঅভ্যুত্থানে শহীদের কথা মাথায় রেখেই দেশটাকে নতুন করে গড়তে হবে
  • বিএনপি সুশাসনে ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাস করে
  • ভাতার ১ম কিস্তি শুরু; গর্ভবতী ভাতার আবেদন শর্ত