বৃহস্পতিবার, জুন ৪, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

বিশ্বে বন্ধের প্রক্রিয়া, বাংলাদেশে স্থাপনের

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীনসহ বিশ্বের অনেক দেশই কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের উদ্যোগ নিয়েছে। মূলত পরিবেশদূষণের কারণেই দেশগুলো এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে।

যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ও গার্ডিয়ান জানিয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যেই দেশটিতে চালু থাকা কয়লাভিত্তিক সব বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের জ্বালানিমন্ত্রী অ্যাম্বার রাড বলেছেন, পরিবেশদূষণের জন্য দায়ী কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জায়গায় আসবে গ্যাসভিত্তিক ও পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।

গত বছরের শেষ দিকে ঘোষিত পরিকল্পনার ব্যাপারে অ্যাম্বার রাড বলেন, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে কয়েক ডজন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু আছে, যেগুলো ২০২৫ সালের মধ্যে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। আর ২০২৩ সাল নাগাদ এসব কেন্দ্রের ব্যবহার সীমিত করা হবে।

রাড আরো বলেন, পরিবেশদূষণের জন্য দায়ী কোনো ব্যবস্থার ওপর যুক্তরাজ্য নির্ভর থাকতে পারে না।

অন্যদিকে, আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমানোর জোর উদ্যোগ নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পরিবেশ সুরক্ষাবিষয়ক সংস্থা ইপিএ। তাই কার্বন নির্গমনের অন্যতম কারণ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধে সংস্থাটি কাজ করে চলছে।

কয়েক বছর আগের এক উদ্যোগের মাধ্যমে সংস্থাটি ২০১৮ সালের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি রাজ্যের ১৮টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা দেয়, যা ছিল যুক্তরাজ্যের তৎকালীন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ শতাংশ।

এ ছাড়া গত বছর নেওয়া এক উদ্যোগে, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে মিশিগান রাজ্যের ২৫টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

পরিবেশদূষণের জন্য বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে বিতর্কিত চীন। আর পুরো দেশের মধ্যে বেইজিংয়ে দূষণের মাত্রা সবচেয়ে বেশি। চলতি বছর বেইজিংয়ের চারটি গুরুত্বপূর্ণ কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করে সেখানে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কথা বলা হয়েছে।

লন্ডনভিত্তিক পরিবেশবাদী সংস্থার নর্থ স্কয়ার ব্লু ওক লিমিটেডের চীনা কর্মী তিয়ান মিয়াও বলেন, কয়লা পোড়ানোর কারণেই মূলত পরিবেশদূষণ হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার পরিবর্তে গ্যাস ব্যবহারে দাম বাড়লেও পরিবেশদূষণ অনেকাংশেই কমে যাবে।

নিজ দেশে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করলেও বাংলাদেশে এমন বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে চীন। সম্প্রতি বিবিসির এক খবরে বলা হয়, দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা পটুয়াখালীর পায়রায় বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হচ্ছে ১৩০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এ ছাড়া সুন্দরবনের রামপালেও কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিষয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি হয়েছে বাংলাদেশের।

এ ছাড়া বর্তমানে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরুদ্ধে আন্দোলন চলছে। সেখানে পুলিশ ও বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষের লোকদের সঙ্গে সংঘর্ষে চারজন নিহত হওযার ঘটনাও ঘটেছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলার জন্যবিস্তারিত পড়ুন

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি গণ অধিকার পরিষদের

জাতীয় পার্টিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করাসহ তিন দাবি জানিয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া

গণ অধিকার পরিষদের আহত সভাপতি নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

  • যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলায় দুই শিশু নিহত, আহত ১৭
  • গাজায় অনাহারে ২ শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু
  • যুক্তরাষ্ট্রে কমছে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীদের ভিসার মেয়াদ
  • সিগারেটের আগুন থেকে দাবানল, সাইপ্রাসের ১০০ বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চল পুড়ে ছাই
  • চবিতে ফের স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ-ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সহ-উপাচার্যসহ আহত ১০
  • রাকসু কার্যালয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের তালা-ভাঙচুর
  • স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা: অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১,৬০৪ বার সড়ক অবরোধ হয়েছে
  • কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ
  • স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
  • গণঅভ্যুত্থানে শহীদের কথা মাথায় রেখেই দেশটাকে নতুন করে গড়তে হবে
  • বিএনপি সুশাসনে ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাস করে
  • ভাতার ১ম কিস্তি শুরু; গর্ভবতী ভাতার আবেদন শর্ত