মুক্তিযুদ্ধে অবদান: ছেলের হাতে বাবার সম্মাননা
মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ কানাডার সে সময়ের প্রধানমন্ত্রী জোসেফ ফিলিপ পিয়েরে ইভস ইলিয়ট ট্রুডোকে সম্মান জানিয়েছে বাংলাদেশ। তার মরণোত্তর সম্মাননা তার ছেলের হাতে তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পিয়েরে ট্রুডোর ছেলে জাস্টিন ট্রুডো বর্তমানে দেশটির প্রধানমন্ত্রী। ট্রুডোর আমন্ত্রণেই এখন কানাডায় আছেন শেখ হাসিনা।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী।
শেখ হাসিনা মুক্তিযুদ্ধে সমর্থন জানানোয় কানাডাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ এই সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে। বাবার হয়ে সম্মাননা নিয়ে এই স্বীকৃতির জন্য শেখ হাসিনাকে কৃতজ্ঞতা জানান পিয়েরে ট্রুডোর ছেলে জাস্টিন ট্রুডো।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বিদেশি বন্ধুদেরকে সম্মান জানাচ্ছে সরকার। এই সম্মাননার নাম ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার।
বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানিয়ে কয়েক দফা অনুষ্ঠান করে হাতের নিজেদের বা উত্তরাধিকারের হাতে সম্মাননা তুলে দিয়েছে সরকার। ২০১২ সালে ইলিয়ট ট্রুডোকেও মরণোত্তর সম্মানায় ভূষিত করা হয়। তবে তখন এই সম্মাননা তখন হস্তান্তর করা যায়নি।
বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সম্মান স্বাধীনতা সম্মাননা দেয়া হয় ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে। ২০১২ সালের ২৫ জুলাই তার পুত্রবধূ সোনিয়া গান্ধীর হাতে এই সম্মাননাপত্র তুলে দেয়া হয়। দ্বিতীয় পর্বে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা ৮৩ জন বিদেশিকে ২০১৩ সালের ২৭ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা’ ও ‘মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা’ দেয়া হয়। তৃতীয় পর্বে ওই বছরের ২০ অক্টোবর আরও ৬১ জন বিদেশি বন্ধুকে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মাননা জানানো হয়। চতুর্থ পর্বে ১৫ ডিসেম্বর ৬০ বিদেশি বন্ধুকে সম্মাননা জানায় বাংলাদেশ।
মুক্তিযুদ্ধে পিয়েরে ট্রুডোর অবদান
বাংলাদেশের জন্মলগ্নে ক্ষমতায় থাকা কানাডার স্বাধীনচেতা রাজনীতিক পিয়েরে ট্রুডো ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পক্ষে। পিয়েরে ট্রুডো কানাডার পার্লামেন্টের তিনজন এমপিকে ভারতের শরণার্থী শিবিরে পাঠান। তখন তিনি তাদের জন্য খাদ্য, বস্ত্র, নগদ অর্থসহ বিপুল পরিমাণ সহায়তা দেন।
১৯৬৮ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পিয়েরে। এরপর কিছুদিন বিরোধীদলীয় নেতা থাকার পর আবার ১৯৮০ থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হন। ২০০০ সালে মারা যান তিনি।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলার জন্যবিস্তারিত পড়ুন


৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি গণ অধিকার পরিষদের
জাতীয় পার্টিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করাসহ তিন দাবি জানিয়েছেবিস্তারিত পড়ুন


নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া
গণ অধিকার পরিষদের আহত সভাপতি নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন













