রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

এক কারখানায় তৈরি হয় স্কয়ার-ইউনিলিভারের মত নামি দামি ব্র্যান্ড

এক ছাদের নিচেই বানানো হয় স্কয়ার, ইউনিলিভার, কোহিনূর ও মৌসুমী কোম্পানির প্রসাধন সামগ্রী! তবে সেগুলো আসল নয়, নকল। আর এসব প্রসাধনী বানানোর কাজ করেছে রাজধানীর চকবাজার এলাকার দেবীদাস লেনের শাহিন কসমেটিকস কোম্পানি।

নকল প্রসাধন সামগ্রী তৈরি, লাইসেন্স ও অনুমোদন ছাড়াই এসব উৎপাদন ও বাজারজাত করার  অভিযোগে শাহিন কসমেটিকসকে তিন লাখ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তিন মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা জেলা প্রশাসন ও ৫ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ানের (এপিবিএন) যৌথ উদ্যোগে অভিযান চালায়।

এপিবিএনের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শাহিন কমসেটিকস কোম্পানিটি দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন নামিদামি প্রতিষ্ঠান : যেমন স্কয়ার, কোহিনূর, মৌসুমী ও ইউনিলিভারের বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রী নকল করে ল্যাব টেস্ট এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই উৎপাদন ও বাজারজাত করে আসছিল। প্রতিষ্ঠানটি স্ট্যান্ডার্ড ও টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) থেকে গুটি কয়েকটি পণ্যের উৎপাদন ও বাজারজাত করার জন্য অনুমোদন নিলেও এর বাইরেও তাঁরা ১৫টি আইটেমের বিভিন্ন ধরনের প্রসাধন সামগ্রী তৈরি করে আসছিল।

এপিবিএনের সহকারী পুলিশ সুপার এ এস এম হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময় ভেজাল ও বিষাক্ত উপাদান দিয়ে তৈরি বিপুল স্কিন ক্রিম, বেবি ওয়েল, ভেসলিন, মেহেদি, হেয়ার ওয়েল, ফেস ওয়াশ,  টোনার, চুলের তেল ও বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামে তৈরি করা বিপুল প্রসাধন সামগ্রী জব্দ করা হয় এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ এলাহীর উপস্থিতিতে এসব পণ্য ধ্বংস করা হয়।

এপিবিএন ৫-এর সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ২০ দিন যাবৎ পর্যবেক্ষণ করার পরে আমরা এ ভেজাল প্রসাধন সামগ্রী কারখানায় অভিযান পরিচালনা করেছি। তারা দীর্ঘ দিন থেকে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী নকল করে ফেয়ার অ্যান্ড বিউটি, এলিট রাঙ্গাপরি মেহেদিকে নকল করে রাঙ্গারানি মেহেদি, মেরিল ভেসলিন ও লিপজেলকে নকল করে মেরিট ভেসলিন এবং কিউট ক্রিম নকল করে উৎপাদন করছিল। অভিযান পরিচালনাকালে বিপুল বিভিন্ন কোম্পানির খালি মোড়কও জব্দ করা হয়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদ এলাহী বলেন, ‘বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম ব্যবহার করে ভেজাল প্রসাধন সামগ্রী বিক্রি করে এবং বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই এসব পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করায় শাহিন কসমেটিকস কোম্পানির মালিক শাহিন আহম্মেদকে উপযুক্ত জরিমানা ও জেল প্রদান করা হয়।’

অভিযান পরিচালনার সময় বিএসটিআইয়ের ফিল্ড কর্মকর্তা মো. শরীফ হোসেন জানান, এসব বিষাক্ত উপাদান দিয়ে তৈরি প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করলে স্ক্রিন ক্যান্সার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে।’

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত

যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন

অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন

বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন

  • হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে ইরানের হামলা, একাধিক সেনা আহত
  • স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের তথ্য ও নথি চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
  • সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
  • হাদি হত্যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে বিপাকে মমতা
  • ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
  • বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা
  • কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে জাফর আহাম্মেদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা
  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত