বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ৫, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

জোবায়দাকে চায় তৃণমূল

তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জোবায়াদা রহমান রাজনীতিতে যুক্ত হোক এই প্রত্যাশা বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর। সময়ের প্রয়োজনে তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হবেন। আসন্ন কাউন্সিল ঘিরে কর্মী সমর্থকদের দাবি উঠেছে জোবায়দা রহমানকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য বা সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব করার। তবে এ বিষয়ে দলটির দায়িত্বশীল নেতারা সতর্ক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

জোবায়দা রহমানের ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে তাকে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বা প্রাথমিক সদস্য পদে দেখতে চাই- লিখেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রয়েল।

তার কাছে জানতে চাই, এই মুহূর্তে জোবায়দা রহমানের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার যৌক্তিকতা কী? রয়েল বলেন, ‘দলের এই গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার মেধার খুবই দরকার। তৃণমূলসহ সারা বাংলাদেশের সবার কাছে তার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ইমেজ আছে। যা দলের জন্য দরকার। সর্বোপরি বাংলাদেশের জন্য একজন মাহাথির খুবই প্রয়োজন।’

উপমহাদেশে রাজনীতির ধরন এবং উপকরন একই ধরনের। অনেক ক্ষেত্রে পরিবারের উত্তরসূরীর ওপর নির্ভর করে রাজনৈতিক দলগুলোর ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। সেই বিবেচনায় কাউন্সিলকে ঘিরে জোবায়দা যুক্ত হওয়ার রব জোরালো হচ্ছে।

অপরদিকে বিএনপিতে চেয়ারপারসনের দায়িত্ব সঙ্কোচনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে । শোনা যাচ্ছে কাউন্সিলের মাধ্যমে তারেক রহমানকে কো-চেয়ারম্যান করা হবে। সেক্ষেত্রে সাংগঠনিক কিছু দায়িত্ব কো-চেয়ারম্যানকে দেয়া হবে।

খালেদা জিয়ার পর তারেক রহমান, জোবায়দা রহমান, জাইমা রহমান (তারেকের কন্যা) বিএনপির হাল ধরবেন- অধিকাংশের এমন বিশ্বাস।

জোবায়দা রহমানের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়া নিয়ে স্থায়ী কমিটির পদে আলোচনায় থাকা দলের তবে সহ-সভাপতি বেগম সেলিমা রহমানসহ কয়েকজন নেতা জোবায়দার বিষয়ে মন্তব্য করছেন না।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সেলিমা বলেন, ‘জোবায়দা রহমান লন্ডন আছেন। এমন ধরনের কথা শুনিনি। এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার। এখনও কিছু জানি না।’

আর সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাহাবুবুর রহমান বলেন, ‘এটা আমি শুনিনি, এটা আমি জানি না।’

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই মুহূর্তে রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই জিয়াউর রহমানের পুত্রবধূ জোবায়দা রহমানের। সুতরাং আসন্ন কাউন্সিলে তাকে দলে দলে দেখা যাচ্ছে না।

এরপরও বিএনপির বর্তমান শীর্ষ নেতৃত্ব নানাভাবেই বিতর্কিত হয়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে দলের ভাবমূর্তির কিছুটা সঙ্কট তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় নতুন নেতৃত্বের দাবি উঠছে তৃণমূল থেকে। অন্তত নীতিনির্ধারক হিসেবে শীর্ষদের আড়ালে রেখে নতুনদের সামনে প্রদর্শনের কৌশল বেশ কার্যকর হবে বলেই তাদের ধারণা।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ

রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন

অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন

সাবেক এমপি মিয়াজী যশোরের পার্ক থেকে আটক

ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিববিস্তারিত পড়ুন

  • ফের ২ দিন রিমান্ডে আনিসুল হক
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • জামিন পেলেন সাবেক বিচারপতি মানিক
  • হাসিনার পতনে জাতির মনোজগত পরিবর্তন হয়েছে, নতুন রাজনীতি হতে হবে স্বচ্ছ: আমীর খসরু
  • বগুড়ায় হাসিনা-কাদেরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা
  • ১৭ বছর পর সচল হলো আবদুল আউয়াল মিন্টুর ব্যাংক হিসাব
  • ১০ দিনের রিমান্ডে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক
  • ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি নুরের দলের
  • কোটা আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ইমেজ ড্যামেজ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের
  • বিএনপি ও সমমনা দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • বিকেলে বাসায় ফিরবেন খালেদা জিয়া
  • খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে দেশের গণতন্ত্র মুক্তি পাবে : এ্যানী