শুক্রবার, জুন ৫, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

একজন ভাষাসৈনিকের দিন কাটে অনাহারে-অর্ধাহারে

১৯৫২ সালে মায়ের ভাষায় কথা বলার জন্য আর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে বাঙালিরা আন্দোলন করেছে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর চাপিয়ে দেয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। রাজ পথে ঢেলে দিয়েছিল বুকের তাজা রক্ত। সে লড়াইয়ে বাঙালিরা সফলও হয়েছে।

মাতৃভাষায় কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আর বর্তমান বাংলাদেশের মানুষ আজ বাংলা ভাষায় কথা বলাসহ দাপ্তরিক সকল কাজ করছে। এছাড়া মাতৃভাষা দিবসটি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্ব দরবারে মহান দিবস হিসেবে সমাদৃত হয়েছে। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির এই দিনটি ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে। সে সময় থেকে বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রে দিবসটি পালিত হয়ে আসছে।

এদিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসটি দেশে বিদেশে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলেও সেই সময়ের ভাষাসৈনিকেরা রয়ে গেছে অবহেলিত। রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনো স্বীকৃতিও মেলেনি তাদের। অনেকে অসহায় হয়ে বা কেউ রোগে ভুগে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। অনেকের কপালে জোটেনা চিকিৎসার টাকা। ফলে কষ্টে জীবন কাটে তাদের। মাঝে মাঝে কোনো সভা সেমিনারে আমন্ত্রণ পেলেও অনেকের জীবন কাটে নিভৃতে আর নিঃসঙ্গতায়।

লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার সাপ্টিবাড়ী ইউনিয়নের বালাপুকুর গ্রাম। এই গ্রামেরই একজন কমরেড সিরাজুল ইসলাম। তিনি বাংলা ভাষা রাষ্ট্র চাই আন্দোলনের একজন নির্ভীক সৈনিক। বয়স একশ পেরিয়ে গেছে। পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তার বয়স এখন ১১৬ বছর। ব্যক্তি জীবনে স্ত্রী , ৬ ছেলে আর ১০ মেয়ে নিয়ে তার পারিবারিক জীবন। ছেলে মেয়েরা সবাই নিজ নিজ কর্মজীবনে ব্যস্ত।

সহায় সম্বল বলতে শুধু মাত্র ৫ শতাংশ জমি। আর বসত বাড়ি। বয়সের ভারে শরীরে নানা রোগ বাসা বেঁধেছে। কোনো কাজ কর্ম করতে পারেন না। ফলে উপার্জন কমে গেছে। অর্থাভাবে থেমে আছে চিকিৎসা। ভাষা আন্দোলনের এই সৈনিকের বর্তমান দিন কাটছে অনাহারে, অর্ধাহারে। খোঁজ নেয়ার মতো তেমন কেউই নেই। সন্তানরাও তাকে এখন বোঝা মনে করছেন।

এদিকে সিরাজুল ইসলাম নিজেই বাংলা ভাষার জন্য লড়াই করে দমে যাননি। বড় ছেলে নুরজ্জামানকে উদ্বুদ্ধ করেছেন মুক্তিযুদ্ধে যেতে। দেশের জন্য লড়াই করতে। দেশ পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়েছে। কিন্তু ভাষাসৈনিক সিরাজুলের মুক্তি মেলেনি। জীবন যুদ্ধে টিকে থাকার লড়াই তার এখনো শেষ হয়নি।

বাড়িতে অবস্থানরত তার ছেলে রজব আলী জানান, বাবা ভাষার জন্য লড়াই করেছেন। কিন্তু ভাষাসৈনিক হিসেবে কোনো স্বীকৃতি পায়নি আজো। সকল ভাষাসৈনিককে স্বীকৃতি দেয়া উচিত বলে মনে করেন তিনি।

স্পষ্ট করে কথা বলতে অক্ষম সিরাজুল ইসলাম জানান, তার জীবনে শেষ চাওয়া সরকার যেন তাকে স্বীকৃতি দেয়। সমাজে তিনি যেন ভাষাসৈনিক হিসেবে মর্যাদা পান। তার দাবি সকল ভাষা শহীদদের নামে স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা সড়কের নামকরণ করা হোক। তাহলেই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানবে অনেক ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে যেমন দেশ স্বাধীন হয়েছে ঠিক তেমনি বাংলা ভাষায় কথা বলার অধিকার নিয়েও বাঙালি জাতিকে আন্দোলন ও জীবন দিতে হয়েছে। বাংলামেইল

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলার জন্যবিস্তারিত পড়ুন

৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি গণ অধিকার পরিষদের

জাতীয় পার্টিকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষিদ্ধ করাসহ তিন দাবি জানিয়েছেবিস্তারিত পড়ুন

নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া

গণ অধিকার পরিষদের আহত সভাপতি নুরুল হকের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেনবিস্তারিত পড়ুন

  • যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলায় দুই শিশু নিহত, আহত ১৭
  • গাজায় অনাহারে ২ শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু
  • যুক্তরাষ্ট্রে কমছে বিদেশি শিক্ষার্থী ও সংবাদকর্মীদের ভিসার মেয়াদ
  • সিগারেটের আগুন থেকে দাবানল, সাইপ্রাসের ১০০ বর্গকিলোমিটার বনাঞ্চল পুড়ে ছাই
  • চবিতে ফের স্থানীয়দের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ-ইটপাটকেল নিক্ষেপ, সহ-উপাচার্যসহ আহত ১০
  • রাকসু কার্যালয়ে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের তালা-ভাঙচুর
  • স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা: অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ১,৬০৪ বার সড়ক অবরোধ হয়েছে
  • কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের রেলপথ অবরোধ
  • স্ত্রী হত্যা মামলায় স্বামী গ্রেপ্তার
  • গণঅভ্যুত্থানে শহীদের কথা মাথায় রেখেই দেশটাকে নতুন করে গড়তে হবে
  • বিএনপি সুশাসনে ও জবাবদিহিতায় বিশ্বাস করে
  • ভাতার ১ম কিস্তি শুরু; গর্ভবতী ভাতার আবেদন শর্ত