সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদের শ্বশুরবাড়ি থেকে অবৈধভাবে কাটা সরকারি গাছ জব্দ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহীবিস্তারিত পড়ুন
প্রয়োজনীয় রাষ্ট্র সংস্কার শেষে অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের রূপরেখা ঘোষণা করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। অন্তর্বর্তী সরকারেরবিস্তারিত পড়ুন
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সকল পক্ষের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নিতে হবে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের যে ঐতিহাসিক বিজয় এবং গণঐক্য তৈরি হয়েছেবিস্তারিত পড়ুন
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আজ (২৯ আগস্ট ২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এ সময় সেনাবাহিনীর আর্মি এভিয়েশন গ্রুপ ছয়টি হেলিকপ্টার সর্টির মাধ্যমে নোয়াখালী পুলিশ লাইন, নোয়াখালী, বেগমগঞ্জ ও বকশীগঞ্জ এলাকায় উদ্ধার ও ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করে। হেলিকপ্টারের মাধ্যমে চারজন মুমূর্ষু রোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে স্থানান্তর ও ১৩ জন ব্যক্তিকে দুর্যোগপূর্ণ এলাকা হতে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তর করা হয়। প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও ১৮৪০ কেজি ত্রাণ, বিশুদ্ধ পানি ও পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট বন্যা কবলিত এলাকায় সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টারের মাধ্যমে বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে সেনাবাহিনীর তিনটি ফিল্ড হাসপাতাল ও ১৮টি মেডিকেল টিম বন্যা দুর্গতদের চিকিৎসা সেবা দিতে নিরলসভাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। এর মধ্যে ফেনী জেলায় বন্যা কবলিত জনসাধারণকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য সেনাবাহিনীর আটটি মেডিকেল টিম কাজ করছে। শুধু ফেনী জেলায় দ্রুত চিকিৎসা সেবা পেতে ০১৫৫৭৭০৩৫৬৬, ০১৩২৯৭৬৮০৬৬, ০১৪০৭০৯৫০৩৬ ফোন নম্বরগুলোতে যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনীর এ কার্যক্রম চলমান থাকবে। – আইএসপিআর
‘অসদাচরণের’ অভিযোগে হওয়া বিভাগীয় মামলার তদন্তে নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) বিশেষ পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) শামীমা ইয়াসমিন। বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে তাকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সিআইডি ও ইতঃপূর্বে ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলের বিশেষ পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) শামীমা ইয়াসমিন কর্মরত থাকাকালে নিয়মিত অফিসে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাকে মৌখিকভাবে বারবার বলতেন। এ সত্ত্বেও তার আচরণের কোনো পরিবর্তন পরিলক্ষিত না হওয়া, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতীত অফিসে অনুপস্থিত থেকে ট্রেনিং বিষয়ক এবং অন্যান্য অফিসিয়াল কার্যাদিসহ রুটিন মাফিক অফিসের কর্মসম্পাদন না করা এবং অনুপস্থিতির বিষয়ে তার কাছে কৈফিয়ত চাওয়া হয়। দীর্ঘদিন জবাব না দেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার পর কারণ দর্শানো হয়। তিনি কারণ দর্শানোর জবাব দেন। তার ব্যক্তিগত শুনানির অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ব্যক্তিগত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিকালে অভিযুক্ত কর্মকর্তার লিখিত জবাব, উভয়পক্ষের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক গুরুত্বপূর্ণ দালিলিক তথ্য-প্রমাণাদির আলোকে তার বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে গুরুদণ্ড আরোপের প্রয়োজনীয়তা থাকায় গত ২৯ এপ্রিল সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর ৭(২)(ঘ) বিধি মোতাবেক তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা সরেজমিনে তদন্ত শেষে গত ২০ আগস্ট প্রতিবেদনে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর ৩(খ) বিধি মোতাবেক ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি মর্মে মন্তব্য করেন। এমতাবস্থায়, বর্তমানে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার ও ডিটেকটিভ ট্রেনিং স্কুলের সাবেক বিশেষ পুলিশ সুপার (ট্রেনিং) শামীমা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদন বিবেচনায় তাকে বিভাগীয় মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।
চাকরি জাতীয়করণের দাবিতে সচিবালয় অবরুদ্ধ করে ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ থানার মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ছয় আনসার সদস্যের দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- শরিফুল ইসলাম, আহসান হাবিব, মনিরুজ্জামান, হাসিবুর রহমান, নাসির মিয়া ও শফিকুল ইসলাম। বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিল আহাম্মদের আদালত শুনানি শেষে এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এ দিন কারাগারে আটক ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করে তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক সাইমুল ইসলাম। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাকিল আহাম্মদের আদালত এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত সোমবার শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামীম মীর মামলার বাদী হয়ে ২০৮ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাত আরও তিন হাজার আনসার সদস্যকে আসামি করে মামলা করেন। মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৫ আগস্ট রাত ৯টার সময় বাংলাদেশ সচিবালয়ের সামনে সাধারণ আনসার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া শুরু হয়। এ সময় কিছু আনসার সদস্য পল্টন মডেল থানাধীন জিরো পয়েন্ট এলাকায় চাকরি জাতীয়করণসহ বিভিন্ন দাবিতে রাজপথ অবরোধ করে রাখে। এ সময় পুলিশ তাদেরকে ঘটনাস্থল থেকে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করে। তারা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুরোধ অমান্য করে রাস্তা অবরোধের মাধ্যমে যান চলাচলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ অন্যান্য উপদেষ্টারা তাদের দাবি-দাওয়ার প্রতি পূর্ণ সমর্থন দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সাধারণ আনসারদের পক্ষে কয়েকজন প্রতিনিধির সঙ্গে তাৎক্ষণিক বৈঠক করেন এবং আংশিক দাবি পূরণ করেন। এছাড়াও অন্যান্য যৌক্তিক দাবিগুলো একটি কমিটি গঠন করে দ্রুত সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের আশ্বাস দেন। কিন্তু সাধারণ আনসার সদস্যরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সিদ্ধান্তকে উপেক্ষা করে দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান তথা বাংলাদেশ সচিবালয়ের চারপাশে অবস্থান করে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাসহ অন্যান্য কর্মকর্তাদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। তারা জিরো পয়েন্টসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কে অবরোধ করে দাবি দাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অবস্থান করবেন জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আলোচনায় বসা প্রয়োজন বলে তাগিদ দিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।বিস্তারিত পড়ুন