বুধবার, মে ৮, ২০২৪

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

তারুণ্যের সংবাদ মাধ্যম

ফেসবুকে কোরবানির ছবির বিপক্ষে কলকাতার দুই ইমাম

ঈদের দিন পশু জবাই করার ছবি ফেসবুকে বা সামাজিক মাধ্যমে না দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দুই নেতৃস্থানীয় ইমাম।

কলকাতার বিখ্যাত দুই মসজিদ – ‘নাখোদা’ আর ‘টিপু সুলতান’-এর প্রধান ইমামদের এই আবেদনে সমর্থন জানিয়েছেন অন্য গুরুত্বপূর্ণ ইমামরাও।

গত কয়েক বছর ধরেই কোরবানির ঈদের দিন পশু জবাইয়ের ছবি ফেসবুক-টুইটারের মতো সামাজিক মাধ্যমে দিয়ে দেওয়া একটা নতুন চল হয়েছে। এ নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে বিতর্কও কম হয়নি। অনেকেই এ রকম ছবি ফেসবুক-টুইটারে আদৌ শেয়ার করা উচিৎ কীনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এবার কলকাতার দুই গুরুত্বপূর্ণ ইমাম পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান সমাজের কাছে সেই আবেদনই জানিয়েছেন।

নাখোদা মসজিদের ইমাম মুহম্মদ শফিক কাজমি জানান, “অনেকেই আজকাল কোরবানির ছবি ফেসবুক বা হোয়াটস অ্যাপে দিয়ে দিচ্ছেন। যদি কোনও হিন্দু ভাই সেটা দেখেন, তাঁর বিশ্বাসে আঘাত লাগতে পারে। সে জন্যই আমি বারণ করেছি যাতে কেউ পশু জবাইয়ের ছবি ফেসবুকে না দেয়। পর্দা ঘেরায় জায়গায় নিজেদের মতো করে কোরবানি দেওয়াই উচিত, সকলের সামনে যেন না করা হয় – আমি এই আবেদনই জানিয়েছি।”

কলকাতার রেড রোডে রাজ্যের সব থেকে বড় ঈদের জামাত হয় প্রতি বছর। সেই নামাজ পরিচালনা করেন ফজলুর রহমান। তিনি বলছিলেন, কেন ঈদের পশু জবাইয়ের ছবি সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া অনুচিত।

ফজলুর রহমান বলেন, কোরবানি তো মানুষ নিজের জায়গায় করবে, সেই ছবি হোয়াটস্অ্যাপে কেন দেবে কেউ? যারা পছন্দ করে, তারাও দেখবে আর যাদের জবাই অপছন্দ, তারাও তো দেখবে ওই ছবি! হিন্দু বা যারা নিরামিশাষী – এঁদের মনে তো আঘাত লাগবে জবাইয়ের ছবি দেখে! এমন কিছু করাই ইসলামে নিষেধ, যাতে কারও মনে আঘাত লাগে। তাই জবাইয়ের ছবি এভাবে দেওয়াটা ঠিক না।

কোরবানির পশু জবাইয়ের ছবি বিবাদেরও জন্ম দিতে পারে বলে মন্তব্য ফজলুরের।

কলকাতার নাখোদা মসজিদ। পশু জবাইয়ের ছবি প্রকাশ না করার আহ্বান জানিয়েছেন এই মসজিদের ইমামও।

অন্য ধর্মের বিশ্বাসীদের কাছে অথবা নিরামিশাষী মানুষদের কাছে যেমন পশু জবাইয়ের ছবি দেখলে খারাপ লাগতে পারে, তেমনই শিশুদের মনেও ওই ছবি প্রভাব ফেলতে পারে, তারা ভয় পেতে পারে বলে মনে করেন পশ্চিমবঙ্গের এই দুই গুরুত্বপূর্ণ ইমাম।

রাজ্যের সব ইমামদের কাছে ইতিমধ্যেই আবেদন জানানো হয়েছে, যাতে তাঁরা এই বিষয়টি বিশেষভাবে প্রচার করেন।
এ ছাড়াও ঘেরা জায়গায় পশু জবাই করা এবং বর্জ্য একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলার কথাও মুসলমানদের বারে বারে মনে করিয়ে দিচ্ছেন এই গুরুত্বপূর্ণ ইমামরা।সূত্র: বিবিসি বাংলা

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

আজ আইওএম মহাপরিচালক ঢাকায় আসছেন 

জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) মহাপরিচালক অ্যামি পোপ আজ রোববারবিস্তারিত পড়ুন

আল জাজিরার জেরুজালেম অফিসে অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলী পুলিশ

ইসরায়েলে আল জাজিরার কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দেওয়ার পর জেরুজালেম অফিসেবিস্তারিত পড়ুন

  • আজ আইওএম মহাপরিচালক ঢাকায় আসছেন 
  • ফিলিপাইনে ৬ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত
  • পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ভারত
  • সাংবাদিকদের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বান
  • ফিলিস্তিনকে তাদের জনগণের কাছে ফিরিয়ে দিতে হবে
  • থাইল্যান্ড সফরে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে মাইলফলক হয়ে থাকবে : প্রধানমন্ত্রী
  • তিউনিসিয়ায় নৌকাডুবিতে নিহত ৮ বাংলাদেশির লাশ দুপুরে দেশে আসছে
  • ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করল কলম্বিয়া
  • ৬০ শতাংশ মানুষ মনে করে বাইডেনের গাজানীতি ভ্রান্ত
  • কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ থামাতে পুলিশের অভিযান
  • এমভি আবদুল্লাহ চট্টগ্রামের পথে 
  • যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীদের হামলায় পুলিশসহ ৫ জন নিহত