মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

গর্ভবতী মায়ের গুলিবিদ্ধের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ২

মাগুরার দোয়ারপাড় এলাকায় ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধে গৃহবধূ নাজমা বেগম ও তার গর্ভের শিশু গুলিবিদ্ধের ঘটনায় প্রধান আসামিসহ দুজন গ্রেফতার হয়েছে।

এর মধ্যে রোববার র‌্যাব-৪ ঢাকার কল্যাণপুরে এক বন্ধুর বাসা থেকে ছাত্রলীগ নেতা সেন সুমনকে (৩৫) গ্রেফতার করে। এদিকে একইদিন সন্ধ্যায় মাগুরার শ্রীপুর থেকে উপজেলার ওয়াপদা এলাকায় ঢাকাগামী একটি বাস থেকে নজরুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সুমন মামলার প্রধান আসামি এবং মাগুরার কলকলিয়াপাড়ার শিবু সেনের ছেলে।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক মেজর মাকসুদুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তবে মাগুরার পুলিশ সুপার একেএম এহসান উল্লাহ সুমনের গ্রেফতারের ঘটনাটি শুনেছেন, কিন্তু বিস্তারিত কিছু জানেন না বলে জানান। এদিকে সদর উপজেলা চেয়ারম্যান রোস্তম আলী জানান, সুমনকে ঢাকা থেকে পুলিশের একটি বিশেষ দল তার বন্ধুর বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে বলে শুনেছেন।

জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি শেখ রেজাউল ইসলাম জনান, সুমনকে ঢাকার কল্যাণপুর থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসন থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারছেন না। এটা দুঃখজনক। সুমন এই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত না। তাকে উদ্দেশ্যমূলকভাবে এই মামালায় আসামি করা হয়েছে।

মাগুরা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ইমাঊল হক জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়াপদা এলাকায় ঈগল পরিবহণের যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ডিবি পুলিশ নজরুলকে গ্রেফতার করে।

মামলার ১৩ নম্বর অাসামি নজরুল ঢাকা থেকে পালিয়ে খুলনা যাচ্ছিল। গ্রেফতারের পর তাকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। নজরুল শহরের দোয়াপাড় এলাকার হোসেন কারিগরের ছেলে। সে পেশায় মাইক্রোবাসের ড্রাইভার।

এর আগে পুলিশ ২৬ জুলাই রাতে মামলার ৫ নম্বর আসামি চা দোকানী সুমন ও ১৪ নম্বর আসামি পাড়ার ক্ষুদ্র মুদি দোকানী সোবহানকে ফরিদপুর থেকে গ্রেফতার করেছিল ডিবি পুলিশ।

প্রসঙ্গত, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত ২৩ জুলাই বিকেলে মাগুরা শহরের দোয়ারপাড়ায় সাবেক ছাত্রলীগকর্মী কামরুল ভূইয়ার সঙ্গে সাবেক যুবলীগ কর্মী মহম্মদ আলী ও আজিবরের সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। এ সময় কামরুলের বড় ভাই বাচ্চু ভূঁইয়ার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী নাজমা বেগম (৩০), তার চাচা শ্বশুর আবদুল মমিন (৬০) এবং মিরাজ (৩০) নামে অপর এক যুবক আহত হয়। এদের মধ্যে আবদুল মমিন ঘটনার পর শনিবার (২৫ জুলাই) ভোর রাতে মারা যান।

এদিকে গর্ভস্থ সন্তান গুলিবিদ্ধ হওয়ার এ ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। ওই রাতেই মাগুরায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে নাজমার গুলিবিদ্ধ শিশুটি ভূমিষ্ঠ হয়। দুই দিন পর তাকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়। যেখানে বিশেষ ব্যবস্থায় শিশুটিকে এক সপ্তাহ ধরে চিকিৎসার পর গত ৩০ জুলাই মা নাজমা বেগমকে ঢাকায় শিশুটির কাছে পাঠানো হয়।

বন্দুকযুদ্ধে নিহত আবদুল মমিনের ছেলে রুবেল হোসেন গত ২৬ জুলাই মাগুরা সদর থানায় ছাত্রলীগের সাকেব কর্মী আজিবর, মোহম্মদ আলি, জেলা ছাত্রলীগ সহ-সভাপতি সেন সুমন হোসেনসহ ১৬ জনকে আসামি করে মামলা করেন। এতে ছাত্রলীগ নেতা সুমনকে করা হয় হুকুমের আসামি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত

যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন

অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন

বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন

  • হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে ইরানের হামলা, একাধিক সেনা আহত
  • স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের তথ্য ও নথি চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
  • সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
  • হাদি হত্যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে বিপাকে মমতা
  • ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
  • বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা
  • কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে জাফর আহাম্মেদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা
  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত