বৃহস্পতিবার, জুন ২৫, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

৩ পার্বত্য জেলায় বৃহস্পতিবারও সকাল-সন্ধ্যা হরতাল

পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন-২০১৬ বাতিলের দাবিতে বুধবার তিন পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শেষে পরদিন বৃহস্পতিবারও ফের সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

এ ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় পাঁচ বাঙালিভিত্তিক সংগঠন পার্বত্য নাগরিক পরিষদ, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ, পার্বত্য গণপরিষদ, চট্টগ্রাম সম-অধিকার আন্দোলন ও পার্বত্য বাঙালি ছাত্র ঐক্যপরিষদ। এছাড়া হরতালের সমর্থনে সংহতি জানিয়েছে পার্বত্য গণশ্রমিক পরিষদ নামে আরেকটি সংগঠন।

সকাল থেকে শহরের বনরুপা, কাঠালতলী, পৌরসভা, রিজার্ভবাজার, তবলছড়ি, ডিসি অফিস এলাকা, কলেজগেট, ভেদভেদী ও মানিকছড়িসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে দিনব্যাপী পিকেটিংয়ে অংশ নেন হরতালকারীরা। এছাড়া হরতালের সমর্থনে শহরে বিক্ষিপ্ত মিছিল বের করেন তারা।

এদিকে হরতালের কারণে শহরসহ জেলাব্যাপী কোথাও কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারেনি। সব দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। উপজেলাগুলোতেও সড়ক ও নৌপথে কোনো প্রকার যান চলাচল করেনি। ফলে হরতালে অচল হয়ে পড়ে পার্বত্য জেলা রাঙামাটি। সরকারি অফিস-আদালতসহ বিভিন্ন কর্মপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও লোকজনের উপস্থিতি ছিল কম।

হরতালে কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বত্র নিরাপত্তাবাহিনীর টহল জোরদার ছিল।

সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি সদর সার্কেল) চিত্তরঞ্জন পাল জানান, ভোর থেকে দিনব্যাপী বাঙালি সংগঠনগুলোর ডাকা সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শান্তিপূর্ণভাবে অতিবাহিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সর্বত্র পর্যাপ্ত পুলিশি টহল জোরদার রয়েছে।

এদিকে বুধবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল শেষে বৃহস্পতিবারও রাঙামাটিসহ তিন পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল দিয়েছে ওই পাঁচ বাঙালি সংগঠন।

এ ব্যাপারে সংগঠনগুলোর পক্ষে পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদের নেতা মো. ইব্রাহীম, জাহাঙ্গীর আলম, নজরুল ইসলাম, আসাদুজ্জামানসহ অন্য নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রাম ভূমিবিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন (সংশোধন) আইন-২০১৬’র ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামের বাঙালিদেরকে ভূমি থেকে উচ্ছেদ হতে হবে এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি বাড়বে। এমন আশঙ্কায় অবিলম্বে সংশোধিত আইনটি বাতিলের দাবিতে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি।

কিন্তু সরকার আমাদের দাবি মানার বদলে ওই কালো আইনটিকে অধ্যাদেশ আকারে জারি করতে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষরও করেছেন অধ্যাদেশে। তাই এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবারও তিন পার্বত্য জেলায় সকাল-সন্ধ্যা হরতাল দিতে বাধ্য হতে হয়েছে। প্রয়োজনে পরবর্তীতে আরও লাগাতার কঠোর কর্মসূচি দিয়ে তিন পার্বত্য জেলা অচল করে দেয়া হবে বলেও হুমকি দেন বাঙালি নেতারা।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • রাবিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ
  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হিন্দু নারী ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ
  • প্রবাসী লেখককে হত্যার হুমকি, গ্রামের বাড়িতে তাণ্ডব
  • ডিএমপি: ৫ আগস্ট পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • সিলেটের জঙ্গি নেতা আব্দুল বারি ও শামসু জামিনে মুক্ত
  • শামীম ওসমান থাকার গুজবে রিসোর্টের সামনে মানুষের ভিড়, সেনাবাহিনীর তল্লাশি