রবিবার, নভেম্বর ১, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বুঝি না, যেই দলেরই হোক, আমি কোনো হত্যা চাই না

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, নতুন বছরে হত্যা-গুম বন্ধ করতে হবে। আমি আওয়ামী লীগ বা বিএনপি বুঝি না, যেই দলেরই হোক, আমি কোনো হত্যা চাই না।

গাইবান্ধা-১ আসনের সংসদ সদস্য মনজুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যা প্রসঙ্গে রোববার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ছাত্রদলের এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। সংগঠনের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

সাঁওতাল সম্প্রদায়ের বাড়িঘর এবং বিএনপির আন্দোলন চলাকালে পুলিশ অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন এবং গোয়েন্দা বাহিনীতে ভিনদেশি রয়েছে।

নিজেকে ছাত্রদলের মা উল্লেখ করে সংগঠনের নেতাকর্মীদের নানা নির্দেশনা দেন খালেদা। রাষ্ট্রপতির প্রস্তাব নিয়ে খালেদা জিয়া বলেন, ‘তোমরা কি এই প্রস্তাবনা পড়েছ, পড়নি। না পড়লে কিসের ছাত্রদল কিসের যুবদল করো তোমরা।’

রাষ্ট্রপতির আলোচনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে খালেদা জিয়া বলেন, রাষ্ট্রপতি যতবার ডাকবেন ততবার যাবো।

বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আগে ছাত্রদল নেতারা স্লোগান তৈরি করতো এখন সেই স্লোগান নেই কেন? ছাত্রদল থেকে যারা এখন বিএনপিতে আছেন তাদের সাচ্ছা আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, যারা এদিক সেদিক ঘুরে এসেছেন তাদের মধ্যে ক্ষমতার লোভ রয়েছে।

বিএনপির সঙ্গে নামসর্বস্ব দলের জোট থাকলেও আওয়ামী নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সমালোচনা করেন খালেদা। বলেন, আওয়ামী লীগে অনেক ভালো নেতা রয়েছেন। কিন্তু মহাজোটে এমন কিছু দল রয়েছে, যারা কখনও নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসতে পারেনি- তাই উল্টাপাল্টা বুদ্ধি দিয়ে ভালো নেতাদের সুযোগ দেয়া হচ্ছে না।

ব্যাংক কেলেঙ্কারি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন খালেদা। বিএনপির পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতির কাছে যে প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তা নিয়েও কথা বলেন বিএনপি চেয়ারপারসন।

ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে আওয়ামী লীগ প্রতিনিয়ত নতুন নতুন আইন পাস করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের আইন পাসের কোনো অধিকার নেই। কারণ তারা বিনা ভোটে নির্বাচিত।

কারো নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, জিয়া পরিবার নিয়ে নোংরা কথা বলা হচ্ছে। তাতে আমার কিছু আসে যায় না। মানুষ বুঝবে তারা কেমন।

খালেদা জিয়া বলেন, দেশ নিয়ে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তা ঠেকাতে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেন তিনি। আমি কথা বললে সব শেয়াল ঘেউ ঘেউ করে উঠে আর সীমান্তে হত্যা হলে শেয়ালরা নিশ্চুপ থাকে। চিন্তাভাবনা করে কথা বলতে হবে, কর্মসূচি দিতে হবে। কারণ খুনি সরকার ক্ষমতায় বসে আছে।

ছাত্রদলের সভাপতি রাজীব আহসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হাসানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

গুলশান-ধানমন্ডি-নিকেতন লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ

রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, নিকেতন ও ধানমন্ডি লেকের দূষণ রোধবিস্তারিত পড়ুন

অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন

সাবেক এমপি মিয়াজী যশোরের পার্ক থেকে আটক

ঝিনাইদহ-৩ আসনের সাবেক এমপি ও শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক সচিববিস্তারিত পড়ুন

  • ফের ২ দিন রিমান্ডে আনিসুল হক
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • জামিন পেলেন সাবেক বিচারপতি মানিক
  • হাসিনার পতনে জাতির মনোজগত পরিবর্তন হয়েছে, নতুন রাজনীতি হতে হবে স্বচ্ছ: আমীর খসরু
  • বগুড়ায় হাসিনা-কাদেরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা
  • ১৭ বছর পর সচল হলো আবদুল আউয়াল মিন্টুর ব্যাংক হিসাব
  • ১০ দিনের রিমান্ডে সালমান এফ রহমান ও আনিসুল হক
  • ছাত্রলীগ-যুবলীগসহ আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবি নুরের দলের
  • কোটা আন্দোলনে সবচেয়ে বেশি ইমেজ ড্যামেজ হয়েছে মুক্তিযুদ্ধের
  • বিএনপি ও সমমনা দলের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
  • বিকেলে বাসায় ফিরবেন খালেদা জিয়া
  • খালেদা জিয়া মুক্তি পেলে দেশের গণতন্ত্র মুক্তি পাবে : এ্যানী