কিপ্টে বাবার কান্ড!
আর পাঁচটি তরুণীর মতোই ছিলেন হেমাবতী রেণুকাপ্পা। স্কুল-কলেজের পরীক্ষায় ভাল ফল করেছিলেন এই মেধাবী। বি কম-এ ভাল ফল করার পর ভাবলেন এমবিএ করবেন। কিন্তু বাদ সাধলেন তাঁর বাবা। অত টাকা দিতে পারবেন না। বাধ্য হয়ে হেমাবতী শুরু করলেন সিএ পড়তে। সেই সঙ্গে একটি অডিটর ফার্ম এ ইন্টার্নশিপ। কিন্তু সেটাও করতে দিলেন না তাঁর বাবা। ঘটনা ভারতের।
অভিযোগ, এরপর হেমাবতীকে বাড়ির একটি ঘরে বন্ধ করে রাখেন তিনি। এখান থেকে সোমবার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করেছে। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে তিনি ওই ঘরের বাইরে পা রাখেননি।
পুলিশ জানিয়েছে শুধু অন্তর্বাস পরা অবস্থায় হেমাবতী পড়ে ছিলেন মেঝের উপর। অর্ধনগ্ন ওই তরুণীর চুল শক্ত দড়ির মতো হয়ে গেছে। দীর্ঘদিন তাতে তেল পড়েনি। হাতের নখ লম্বা হয়েছে প্রায় দু ইঞ্চি। মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত ৩৫ বছরের হেমাবতীকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, হেমাবতীর বাবা অত্যন্ত কিপ্টে। ব্যাঙ্গালোরের অভিজাত মল্লেশ্বরম এলাকায় তাঁদের বাড়িতে দীর্ঘদিন কোনও সংস্কার হয়নি। এমনকী মেয়ের জন্য কোনও নার্স রাখতেও দেননি হেমাবতীর বাবা। মেয়ের হয়ে কথা বলতে গেলেই মারধর করেছেন স্ত্রীকে। বাড়িতে টি ভি অবধি ঢুকতে দেননি তিনি।
দীর্ঘদিন এরকম চলছিল। খিদের জ্বালায় চিৎকার করতেন হেমাবতী। সোমবার সেরকম চিৎকার করছিলেন তিনি। আর থাকতে না পেরে সংবাদমাধ্যম এবং পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করেন প্রতিবেশীরা।
উদ্ধার করার পরে National Institute of Mental Health and Neuro Sciences-এ চিকিৎসা চলছে হেমাবতীর। পুলিশ জানিয়েছে তিনি একটু ধাতস্থ হলে তাঁকে জেরা করা হবে।
অন্যদিকে তাঁর বাড়ির লোকের দাবি, হেমাবতী স্নায়ুরোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাই তাঁকে বাড়িতে রাখা হত। পুলিশ জানিয়েছে এখনই তারা কোনও মামলা শুরু করছে না। হেমাবতীর সঙ্গে কথা বলার পর তারা তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাবে। দরকারে সুয়ো মোটো মামলাও শুরু করা হতে পারে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত
যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন


অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন


বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন













