দশম শ্রেনীর ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু পরিবারের দাবী হত্যা !
ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ কোটচাঁদপুরে দশম শ্রেনীর এক ছাত্রের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা এটা নিয়ে সংশয়ে আছেন এলাকাবাসী। তবে তাঁর পরিবারের দাবী তাকে হত্যা করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।জানা যায়, কোটচাঁদপুরের তালসার গ্রামের সাব্দার মন্ডলের ছেলে মাহবুবুর রহমান(১৭)। সে তালসার কাজী লুৎফর রহমান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র। রবিবার সকালে বাড়ির পাশ থেকে তাঁর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছেন তাঁর পরিবার। এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা হলে তারা বলেন,মাহবুর ও তাঁর পিতা খুব ভাল মানুষ ছিল।
এভাবে তাঁর মৃত্যুতে হতবাক আমরা। সে আত্মহত্যা করেছে না তাকে হত্যা করা হয়েছে এটা নিয়েও চলছে সংশয়। নিহতের পিতা সাব্দার মন্ডলের সঙ্গে কথা বললে তিনি কান্না ভরে কন্ঠে বলেন,আমার সোনা কে জাকির হোসেন,ও আসাদুল মেরে ফেলেছে। কি কারনে মেরে ফেলেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আসাদুলের বোনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে তারা অভিযোগ তুলেছে।
তবে এ ব্যাপারে আমরা কিছু জানতাম না। তারা মেরে ফেলল কেন আমার সোনাকে। আমাকে বলতে পারত। আমি তাকে শাসন করতাম। হত্যার বিষয়ে কথা বলা হয় নিহতের চাচাত ভাই মিলনের সঙ্গে,সে জানান মাহবুর কে ওরা মেরে ফেলেছেন। সে আরো বলেন জাকির ও আসাদুল মাহবুরের ফোন নাম্বার খুজছিলেন। এরপর সকালে জানতে পারি মাহবুর মারা গেছে। মাহবুর রহমান পিতা মাতার দ্বিতীয় ছেলে। এ ব্যাপারে কোটচাঁদপুর থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। এ দিকে পুলিশ মাহবুরের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহের মর্গে পাঠিয়েছেন।
কথা হয় কোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, বিষয়টি তদন্তধীন রয়েছে। প্রথমে আমরা লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছি। ময়না তদন্তে যে রিপোর্ট আসবে তার পর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে থানায় অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত
যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন


অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন


বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন













