প্রবাসীর স্ত্রীর পরকীয়া, চাচার সাথে ৩ সন্তানসহ উধাও !


প্রতিবেশী চাচার সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে তিন সন্তানসহ উধাও হয়ে গেছেন গাজীপুরের কাপাসিয়ার সৌদিপ্রবাসী মহসিন শিকদারের স্ত্রী আমেনা খাতুন ডলি (৩৫)। জানা গেছে, প্রায় এক মাস ধরে স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে যান মহসিন। কিন্তু ঘটনার নায়ক চাচা ফখরুল শিকদার প্রভাবশালী হওয়ায় অভিযোগ নিচ্ছে না পুলিশ।
অবশেষে স্ত্রী-সন্তানদের ফেরত পেতে সহযোগিতা চেয়ে গতকাল শুক্রবার গাজীপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী মহসিন শিকদার (৪২)। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আট বছর আগে ডলিকে বিয়ে করেন তিনি। বিদেশ থেকে এক বছর পর পর দেশে আসতেন। সংসারে তাদের এক ছেলে ও দুই মেয়ে। ৭-৮ মাস আগে জানতে পারেন তার স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী চাচা ফখরুল শিকদারের (৪৫) পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এ সংক্রান্ত একটি অশ্লীল ভিডিও এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
মহসিন শিকদার আরো বলেন, গেল ৩ জানুয়ারি দেশে ফিরে ভিডিওটি দেখে ঘটনাও সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হন তিনি। ওই রাতেই প্রতিবেশী ওই চাচা তার বাড়িতে হামলা চালান। এসময় মোবাইল ফোন, আড়াইশ রিয়েল ও একটি টর্চলাইট নিয়ে ছিনিয়ে নিয়ে যান। যাওয়ার আগে এসব বিষয়ে মুখ না খুলতে হুমকি দিয়ে যান।
মহসিনের অভিযোগ, কিছুদিন আগে স্ত্রী ডলি বাবার বাড়ি সুনামগঞ্জ যাওয়ার কথা বলে সন্তানদের নিয়ে চলে যান। পরে তিনি খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, ডলি বাবার বাড়ি না গিয়ে ফখরুলের সঙ্গে পাশের সোনারুয়া গ্রামের সজীব বেপারীর বাড়িতে গিয়ে উঠেছে। তিনি সেখানে গেলে তারা অন্যত্র পালিয়ে যায়। তারপর থেকে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।
এর মধ্যে একবার তার বড় ভাই জাহিদুল শিকদারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন ফখরুল। ওই টাকা দিলে নাকি তার স্ত্রী-সন্তানদের ফিরিয়ে দেবেন। ঘটনার পর তিনি কাপাসিয়া থানায় অভিযোগ নিয়ে গেলে পুলিশ তা গ্রহণ করেনি।
মহসিন আরো বলেন, ‘দুই দিন আগে ফখরুলের বড় ভাই সানাউল্লাহ শিকদার আমাদের বাড়িতে এসে আমার বৃদ্ধ মাকে অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। এ সময় হুমকি দিয়ে বলেন, ওই ঘটনার পর তার ভাইয়ের (ফখরুল) স্ত্রী বাবার বাড়ি চলে গেছেন। এখন আমার স্ত্রীকে এনে নাকি তার ভাইকে বিয়ে করাবেন।’
মহসিন আরো জানান, ফখরুল মাদক ব্যবসায়ী এবং নেশাখোর। তার বড় ভাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি। বোন মাসুদা শিকদার গাজীপুরের ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের সাবেক উপাধ্যক্ষ। প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে পুলিশ অভিযোগ নেয়নি। পরে তিনি র্যাব-১-এর অধিনায়কের কাছে অভিযোগ করেন। বর্তমানে স্ত্রী, মেয়ে ইশরা (৬), ইলমা (৪) ও একমাত্র ছেলে রুস্তম (২) কোথায় আছে, তিনি জানেন না।
স্ত্রী-সন্তানদের উদ্ধারে তিনি প্রশাসনের সহযেগিতা কামনা করেন। একই সঙ্গে তিনি ফখরুলের যথাযথ বিচার দাবি করেন।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন


ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













