বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

বাবার মতোই কুপিয়ে হত্যা করা হলো ছেলেকে

ছয় বছর আগের কথা। নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নের গালিমপুর গ্রামে জহিরুল ইসলাম (৩২) তাঁর বাবা শামসুল মিয়ার সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রথমে জহিরুলের সামনে তাঁর বাবাকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। পরে একই কায়দায় জহিরুলকেও কোপানো হয়। দুর্বৃত্তরা তখন জহিরুলকে মৃত ভেবে একটি পুকুরে ফেলে দিয়ে যায়। কিন্তু সেদিন ভাগ্যগুণে বেঁচে যান জহিরুল।

ছয় বছর পরের কথা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে জহিরুল ইসলাম তাঁর দুই ছেলেকে নিয়ে বৈশাখী মেলা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পথে আগে থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা দুই ছেলের সামনেই জহিরুলকে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে ফেলে যায়।

এ যেন ছয় বছর আগের একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি। শামসুলকে যে কায়দায় তাঁর ছেলের সামনে হত্যা করা হয়, জহিরুলকেও ঠিক একই কায়দায় হত্যা করল দুর্বৃত্তরা। জহিরুল পেশায় দিনমজুর। তাঁর বাবা ছিলেন কাঠমিস্ত্রি। তাঁদের সামান্য জমি রয়েছে। সেই জমি নিয়েই এলাকার প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে জহিরুলের বিরোধ।

পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, জমি-সংক্রান্ত শত্রুতার কারণে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ছয় বছর আগে জহিরুলের বাবাকে সন্ত্রাসীরা নির্মমভাবে হত্যা করে। তবে এ ঘটনায় খুনিদের চিহ্নিত করা গেছে। পুলিশ খুনিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে।

পুলিশ আরো জানায়, বাড়ির পাশে ভিরিন্দা গ্রামের বৈশাখী মেলা দেখে দুই ছেলেশিশুকে নিয়ে রিকশায় করে বাড়ি ফিরছিলেন জহিরুল। বাড়ি কাছাকাছি আগে থেকে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা রিকশার গতিরোধ করে। পরে জহিরুলকে প্রথমে কুপিয়ে ও পরে গলা কেটে মৃত্যু নিশ্চিত করে পালিয়ে যায়।

চিৎকার করলেও সন্ত্রাসীদের ভয়ে কেউ সহায়তা করতে এগিয়ে আসেনি। পরে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।

নিহতের স্বজনরা জানায়, জহিরুলের বাবাকে যখন হত্যা করা হয়, তখন জহিরুলের অবস্থা ছিল গুরুতর। অর্ধমৃত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১৫ দিন পর তাঁর জ্ঞান ফেরে।

হাসপাতালে থেকেই জহিরুল বাদী হয়ে বাবার হত্যার বিচার চেয়ে মামলা করেন। এরপর সন্ত্রাসীরা তাঁর ওপর আরো ক্ষেপে যায়। তিনি ছয় মাস চিকিৎসার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান। কিন্তু প্রভাবশালী সন্ত্রাসীদের অব্যাহত হত্যার হুমকির মুখে বাড়ি ফিরতে পারেননি।

প্রায় চার বছর বাড়ি ছেড়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে ছিলেন জহিরুল। কিছুদিন আগে উপজেলা চেয়ারম্যনের মধ্যস্থতায় বাড়ি ফিরে আসেন তিনি।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: মাকে মারধর ও ভাঙচুর।
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • রাবিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ
  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হিন্দু নারী ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ
  • প্রবাসী লেখককে হত্যার হুমকি, গ্রামের বাড়িতে তাণ্ডব
  • ডিএমপি: ৫ আগস্ট পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • সিলেটের জঙ্গি নেতা আব্দুল বারি ও শামসু জামিনে মুক্ত