বৃষ্টি থাকবে আরও দু’দিন
উত্তর বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও পশ্চিমা বাতাসের কারণে প্রায় সারাদেশেই বৃষ্টি হচ্ছে। হেমন্তের দ্বারপ্রান্তে এ বর্ষণমুখরতাকে স্বাভাবিক হিসেবেই দেখছেন আবহাওয়াবিদরা। আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, এ বৃষ্টি আরও দু’দিন থাকতে পারে।
মঙ্গলবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ঢাকায় ৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের হিসাবে অনুযায়ী দুপুর ১২টা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে হাতিয়ায় ৪৩ মিলিমিটার।
আবহাওয়াবিদ আরিফ হোসেন বলেছেন, ‘এখন ঋতু পরিবর্তন হচ্ছে। মৌসুমি বায়ু কিছুটা উঠে যাচ্ছে, ধীরে ধীরে সারাদেশ থেকে মৌসুমি বায়ু চলে যাবে। এ সময়ে এ ধরনের বৃষ্টি হয়। পশ্চিমা বাতাসের কারণে এ বৃষ্টিটা হয়। এটা স্বাভাবিক বৃষ্টি। দেশের মধ্যাঞ্চল ও পূর্বাঞ্চলে এ জন্য বৃষ্টি হচ্ছে।’
‘এ ছাড়া বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ রয়েছে, এর প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলে বৃষ্টি বেশি হচ্ছে। শীতের উত্তরের বাতাস আরও পরে বইবে। তবে এখন থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে’- বলেন এ আবহাওয়াবিদ।
আরিফ হোসেন আরও বলেন, ‘এ বৃষ্টিটা আরও দুই দিন থাকতে পারে। আশা করছি, বৃহস্পতিবার থেকেই বৃষ্টি কমে যাবে। সমুদ্রবন্দরগুলোর জন্য কোনো সতর্ক সঙ্কেত জারি করা হয়নি। যে অবস্থা আশা করি তাতে লাগবে না।’
অতি ভারি বৃষ্টির কোনো সতর্ক সঙ্কেত নেই বলেও জানান তিনি।
আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপের সৃষ্টি হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল এবং বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে উত্তর-পূর্ব দিকে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্বাংশে মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় বিরাজ করছে।
মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে।
ঢাকায় মঙ্গলবার থেমে থেমেই বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টির কারণে ঢাকার অনেক এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে, রাস্তাও পানিতে তলিয়ে গেছে। বিভিন্ন সড়কে পানি জমার কারণে সৃষ্টি হয়েছে যানজট। দুর্ভোগে পড়েছেন নগরবাসী।
মঙ্গলবার আশ্বিন মাসের ২৮ তারিখ, আর দু’দিন পরেই আসছে চতুর্থ ঋতু হেমন্ত। বাংলা কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাস নিয়ে ফসলের ঋতু হেমন্ত।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন


জাতিসংঘ: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে কোটি কোটি মানুষ খাদ্যসংকটে পড়বে
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশ্বজুড়ে আরও কয়েক কোটি মানুষ তীব্রবিস্তারিত পড়ুন


‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলায় প্রস্তুতির নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি’ মোকাবিলার জন্যবিস্তারিত পড়ুন













