বৃষ্টি-বাদলায় আমাদের মন খারাপ লাগে কেন?


প্রবল বৃষ্টি বা আকাশে মেঘ অথবা সারাদিন গুঁড়ি গুঁড়ি বারিধারা— প্রকৃতি যখন এমনতরো তখন অনেকেরই মন খারাপ হয়। কিন্তু এর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী?
বৃষ্টির সঙ্গে মন খারাপের যোগসূত্রটা ঠিক কী এই নিয়ে বহু গবেষণা হয়েছে। কিন্তু প্রথম এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছেন বিখ্যাত মনস্তত্ত্ববিদ নর্মান রোজেনথাল। তিনি ১৯৮৪ সালে এই সিম্পটমটিকে একটি নাম দেন— ‘সিজনাল অ্যাফেক্টিভ ডিজঅর্ডার’ বা ‘SAD’।
এই মনখারাপ বা বিষণ্ণতা শুধু যে বৃ্ষ্টি পড়লে হয় তা কিন্তু নয়, শীতকালে, যখন রোদের তাপ কম এবং সাধারণভাবে দিন ছোট, সেই সময়েও মানুষের মধ্যে এই বিষণ্ণতা আসে। রোজেনথাল তাঁর গবেষণায় জানিয়েছিলেন যথেষ্ট পরিমাণ সূর্যরশ্মি অর্থাৎ প্রাকৃতিক আলো না থাকলেই মানুষের মনের উপর এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়।
এমন একটি পরিবেশে দীর্ঘ সময় থাকতে থাকতে বহু সংবেদনশীল মানুষের মধ্যেই এক ধরনের ডিপ্রেসিভ ডিজঅর্ডার তৈরি হয়। এই প্রসঙ্গে চিকিৎসক সোনালি গুপ্তা জানাচ্ছেন, সূর্যের আলোর অভাব আমাদের শরীরে মেলাটোনিন, সেরোটোনিন এবং ভিটামিন ডি-এর পরিমাণকে প্রভাবিত করে।
শরীরে মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণ বেড়ে গেলে এনার্জি লেভেল কমে যায়, ঘুম ঘুম ভাব দেখা দেয়। একই সঙ্গে সেরোটোনিন হরমোনের ক্ষরণ কমে গেলে আমাদের মন মেজাজ ঠিক থাকে না এবং খাওয়ার ইচ্ছেও অনেকটা চলে যায়।
পাশাপাশি, একটানা বৃষ্টি এবং দিনের শেষে সূর্যের আলো একটুও না পেলে শরীরে ভিটামিন ডি-এর আত্তীকরণ কম হয়। এর ফলে আমাদের বডি ক্লক ঠিকঠাক থাকে না। শরীরে এতসব প্রভাবের ফলেই মূলত আমাদের মন খারাপ হয়। তাছাড়া রাস্তায় জল জমা, বৃষ্টির কারণে আটকে পড়া ইত্যাদির মতো সমস্যাগুলি তো রয়েইছে।
অবচেতনে বৃষ্টির এই সব আনুষঙ্গিকগুলি কাজ করে এবং আমাদের মন খারাপ হয়।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


স্বর্ণের দামে আবারও বড় পতন
চলমান ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সুদহার বাড়ার আশঙ্কায়বিস্তারিত পড়ুন


মানবদেহে আদার অনেক উপকার
আমাদের দিনে কয়েকবার রঙিন খাবার খাওয়া উচিত, কিন্তু আপনি কিবিস্তারিত পড়ুন


হোটেল ঘরে বিছানার চাদর সাদা হয় কেন ?
বেড়াতে গিয়ে হোটেলের ঘরে ঢুকে প্রথম যে বিষয়টি নজরে আসে,বিস্তারিত পড়ুন













