যেভাবে আলোচনায় আসেন তামিম চৌধুরী


নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়ায় কবরস্থানের কাছে একটি বাসায় জঙ্গি আস্তানায় অভিযানে গুলশান, শোলাকিয়া ও কল্যাণপুরে হামলার ঘটনার অন্যতম মূলহোতা কানাডা প্রবাসী তামিম চৌধুরী সহযোগীসহ নিহত হয়েছে।
জঙ্গি সংগঠন আইএসের দাবি, তামিম তাদের বাংলাদেশ প্রধান। যদিও সরকার বারবারই এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলে আসছে বাংলাদেশে আইএসের কোনো অস্তিত্বই নেই। তবে এদেশে জঙ্গিবাদ বিস্তারের এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশের বিদেশ সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান চেষ্টায় জড়িত অভিযোগে বরখাস্ত ও বর্তমানে পলাতক মেজর জিয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় নাগরিক তামিম চৌধুরীকে ধরিয়ে দিতে এর আগে পুলিশ ২০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে পুলিশ।
তামিম আহমেদ চৌধুরী বছর তিনেক আগেও কানাডায় বাস করতেন। ২০১৩ সালের মাঝামাঝি তিনি সেখানকার পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ এনে বাংলাদেশে ফিরে আসার কথা জানিয়ে আত্মগোপনে চলে যান।


পুলিশ জানায়, তামিম চৌধুরীর আদিবাড়ি সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের বড়গ্রামে। তবে স্বাধীনতার বছর দুয়েকের মধ্যে তার বাবা শফি আহমেদ চৌধুরী সপরিবার কানাডাপ্রবাসী হন। সেখানে ৮০’র দশকের মাঝামাঝি তামিমের জন্ম হয়।
কয়েকবার তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সিলেট সফর করলেও বিয়ানীবাজারে কেউ তাকে কখনো দেখেনি। তামিম চৌধুরী এক সময় কানাডার অন্টারিওর উইন্ডসর শহরে থাকতেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস এবং কানাডার টরন্টো স্টার ও ন্যাশনাল পোস্টসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বলেছে, আইএসের বাংলাদেশ খিলাফত দলের প্রধান শায়খ আবু ইব্রাহিম আল-হানিফ আসলে তামিম চৌধুরী।
এ বছরের শুরুর দিকে আইএস-এর মুখপত্র ‘দাবিক’-এ আবু ইব্রাহিম আল-হানিফ এর দীর্ঘ সাক্ষাৎকার প্রকাশ হয়।
তবে বাংলাদেশে আইএসের উপস্থিতির কথা প্রতিবারই প্রত্যাখ্যান করেছে পুলিশ। বাংলাদেশ পুলিশের তথ্যমতে, তামিম চৌধুরী ‘নিউ জেএমবি’র নেতা। গুলশান এবং শোলাকিয়া হামলায় তামিম এবং বরখাস্ত মেজর জিয়া নেপথ্যে থেকে ভূমিকা পালন করেছে বলেও জানায় পুলিশ।


গুলশান, শোলাকিয়ায় হামলার পরিকল্পনা, প্রশিক্ষণ, সার্বিক অর্থায়ন – সবকিছুর সঙ্গেই জড়িত বলে এর আগে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান আইজিপি শহীদুল হক। কল্যাণপুরে পুলিশি অভিযানে নিহত জঙ্গিদেরও তামিম সহায়তা দিতেন বলে আইজিপি জানান।
বাংলাদেশে জঙ্গিবাদ বিস্তারের এখন পর্যন্ত পাওয়া চিত্রে উল্লেখযোগ্য একটি অংশের বিদেশ সংশ্লিষ্টতা আছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জঙ্গিবাদের মূল ‘খেলোয়াড়রা’ এমন ব্যক্তিদের টার্গেট করছে যাদের জন্ম বা বেড়ে উঠা বাংলাদেশের মতো দেশে হলেও পশ্চিমা দেশের পাসপোর্ট থাকায় সহজেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে যাতায়াত করতে পারে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন


ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













