শেষ পর্যন্ত অজ্ঞান করে ধরা হলো ভারতীয় হাতিটি


ভারত থেকে ভেসে আসা বুনো হাতিটিকে আজ ট্রাঙ্কুলাইজার যন্ত্রের মাধ্যমে চেতনা-নাশক প্রয়োগের পর সেটি প্রায় এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে জামালপুর সরিষাবাড়ি উপজেলার একটি গ্রামের ডোবার পানিতে পড়ে যায়।
গভীর পানির মধ্যে পড়ে নড়াচড়া করতে পারছিল না। এসময় হাতিটি মারা যেতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে পরে দুটি গ্রামের বাসিন্দারা রশি দিয়ে হাতিটিকে টেনে তোলে। স্থানীয় একজন সাংবাদিক আজিজুর রহমান চৌধুরী জানান, কামরাবাগ ইউনিয়নের কয়রা গ্রাম ও ঢানাডা গ্রামের কয়েক শো লোক পানিতে নেমে লম্বা রশি নিয়ে হাতির পায়ে শুঁড়ে রশি বেঁধে টেনে তোলে।
এরপর অজ্ঞান হাতিটিকে একটি বড় আমগাছেল সাথে বেঁধে রাখা হয়। বনবিভাগের কর্মীরা জানিয়েছেন, হাতিটা জীবিত আছে। তবে পুরোপুরি জ্ঞান ফেরেনি। কর্মকর্তারা এখন হাতিটির জ্ঞান ফেরার অপেক্ষায়। হাতিটিকে বাঁচিয়ে রাখাই এখন প্রধান লক্ষ্য বলেও তিনি জানান। বনবিভাগের কর্মকর্তারা জানান, জ্ঞান ফেরার পর হাতিটিকে ট্রাক কিংবা অন্য কোনোভাবে বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কে নিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে হাতিটি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য ভারত থেকে একটি প্রতিনিধি দল এসে হাতি উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। এক মাসেরও বেশি সময় আগে হাতিটি ভারত থেকে নদীতে ভেসে ভেসে বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন


ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













