রবিবার, জুলাই ১৯, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

সালমান হত্যাকাণ্ড: কোথায় সেই ৩ লাখ টাকা?

বিশ্বনাথে চাঞ্চল্যকর সালমান হত্যার অন্যতম মোটিভ সেই তিন লক্ষ টাকার কোনো হদিস মিলছে না। সালমার হত্যার আগের দিন আত্মসাতের উদ্দেশ্য অন্যের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে তাকে দিয়ে ওই টাকা উঠানো হয়।

বিষয়টি প্রকাশ হওয়ার পরদিন সকালেই পাওয়া যায় সালমানের লাশ। এখন এলাকাবাসীর মনে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাহলে কি টাকা আত্মসাতের সাক্ষী মুছে ফেলতে সালমান খুন? ওই দিন কারা সালমানকে ব্যবহার করে উঠিয়ে নিয়েছিল টাকা তা এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

পুলিশ ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা সদরের মাদানিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শিব্বিরের সৎ ভাই ফখরুল ইসলাম যুক্তরাজ্য থেকে গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ব্রাক ব্যাংক বিশ্বনাথ শাখার তার নিজ অ্যাকাউন্টে ৫ লক্ষ টাকা জমা করেন। জমা হওয়ার তিন ঘন্টার মধ্যেই ৩ লক্ষ্য টাকার চেক নিয়ে ব্যাংকে হাজির হয় ওই মাদরাসার ছাত্র সালমান (১৭)। অ্যাকাউন্ট হোল্ডার নিজে এই চেক দিয়েছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে ব্যাংক থেকে ফোন করা হয় অ্যাকাউন্ট ফরমে দেয়া মোবাইল নম্বরে। তখন ওই নম্বর দেশে ব্যবহার করছিল অন্য কেউ। অপর প্রান্ত থেকে ফখরুল সেজে টাকা দিয়ে দিতে বলা হয়। ব্যাংক টাকা তুলে দেয় সালমানের হাতে।

এদিকে যুক্তরাজ্য থেকে টাকা জমার খরব নিতে গিয়ে ফখরুল জানতে পারেন কে বা কারা তার অব্যবহৃত একটি চেক ব্যবহার করে তিন লক্ষ টাকা নিয়ে গেছে। খবর পেয়ে ফখরুলের হয়ে এ বিষয়ে জানতে ব্যাংকে যান মাওলানা শিব্বির। তাকে টাকা উত্তোলনকারীর বিষয়ে ধারণা দেয় ব্যাংক। টাকা উত্তোলনকারী সনাক্ত করতে পরের দিন তাকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজও দেখানোর কথা ছিলো। ব্যাংক ফুটেজ প্রকাশ করার আগেই ওই রাতে খুন হয় সালমান। লাশ পাওয়া যায় সালমানের সহপাঠী ফখরুলের ছোট ভাই নাঈমের বাসার সামনে। ঘরে পাওয়া তার ব্যবহৃত জুতা। সিসি ক্যামেরার ফুটেজে যে পোশাক পরণে দেখা গেছে সালমানের লাশ উদ্ধারের সময় সে পোশাকই শরীরে ছিল তার।

এ বিষয়ে কথা হলে বিশ্বনাথ পুলিশ স্টেশনের অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মাসুদুর রহমান বলেন, ব্যাংক থেকে টাকা সালমানই গ্রহণ করে। তদন্ত অব্যাহত আছে, আর কে বা কারা জড়িত সময়েই তা প্রকাশ করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ২৯ ডিসেম্বর রাতে খনু হন মাদানীয়া মাদ্রাসার ফজিলত প্রথম বর্ষের ছাত্র সালমান আহমদ। এ ঘটনায় মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শিব্বির আহমদ, তার বোন জামাই মাওলানা বশির আহমদ, স্থানীয় রুবেল (২৫) ও রাহাত (২০) জেল হাজতে রয়েছেন। পুলিশ প্রথমে নাঈমকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে সে জামিনে রয়েছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: মাকে মারধর ও ভাঙচুর।
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • রাবিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ
  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হিন্দু নারী ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ
  • প্রবাসী লেখককে হত্যার হুমকি, গ্রামের বাড়িতে তাণ্ডব
  • ডিএমপি: ৫ আগস্ট পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • সিলেটের জঙ্গি নেতা আব্দুল বারি ও শামসু জামিনে মুক্ত