বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

স্ত্রী হত্যার ক্লান্তিতে ঘুমিয়ে পড়লেন স্বামী!

মধ্যরাতে স্ত্রীকে ঘুম থেকে ডেকে তোলেন স্বামী। হাওয়া খাওয়ার কথা বলে নিয়ে যান বাইরে। উঠান পেরুতেই স্বামীর হাতে থাকা ধারালো ছুরি বিদ্যুৎ গতিতে আঘাত করে স্ত্রীর মাথার পেছনে। কোনোকিছু বুঝে ওঠার আগেই মাটিতে লুটিয়ে পড়ে স্ত্রী।

এরপর মুখে মাটি গুঁজে, শ্বাসরোধ করে স্ত্রীকে হত্যা করেন। কাজ শেষ হলে লাশ একটি ধানক্ষেতে ফেলে রেখে স্বামী সোজা চলে আসেন ঘরে। স্ত্রীকে হত্যা করার ক্লান্তিতে গভীর ঘুমিয়ে তলিয়ে যান স্বামী…।

এটা কোনো হরর ছবির কাহিনী নয়। নয় পশ্চিমা দেশের কোনো নির্মম ঘটনাও। এ ঘটনা কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নে ঘটেছে গত শুক্রবার (২২ এপ্রিল) রাতে।

পুলিশের হাতে আটক হওয়া কোদালকাটি এলাকার ছানোয়ার হোসেন তার স্ত্রী জবেদা খাতুনকে হত্যা করার বর্ণনা দিচ্ছিলেন এভাবেই। হত্যাকাণ্ডের পর কোনো খুনির এমন স্বাভাবিক আচরণ পুলিশসহ সবাইকে হতবাক করে দিয়েছে।

ছানোয়ার হোসেন আরো জানান, সকালে চোখ কচলাতে কচলাতেই ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। এরপর চোখেমুখে উদ্বিগ্ন ভাব ছড়িয়ে শ্বশুরবাড়ি যান স্ত্রীর সন্ধান করতে। জবেদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে জানান। এ খবরে চিন্তিত হয়ে পড়েন তারা। খোঁজ-খবর নিতে শুরু করেন।

কিন্তু এর মধ্যেই খবর আসে ধান ক্ষেতে জবেদার লাশ পড়ে আছে। শ্বশুরবাড়ির লোকজন পড়িমরি করে ছুটে যান মেয়ের লাশ উদ্ধারের জন্য। খবর দেয়া হয় থানাতেও। পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করার সময় স্বামীকেও সঙ্গে করে নিয়ে যায় থানায়। এরপর জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসে।

স্বামী ছানোয়ার হোসেন তার স্ত্রীকে হত্যার বিষয়টি পুলিশের কাছে স্বীকার করেন। স্ত্রীকে হত্যার সময় তার সঙ্গে আরো চারজন ছিল বলেও জানান। খুনির দেয়া তথ্যমতে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুটিটি বাড়ি থেকে জব্দ করেছে পুলিশ।

রোববার দুপুরে গৃহবধূ জবেদা হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে স্বামী ছানোয়ারের বরাত দিয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান রাজীবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পৃথীষ কুমার।

নিহত গৃহবধূ জবেদা (২৬) রাজীবপুর উপজেলার কোদালকাটি ইউনিয়নের তেররশিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে জানা গেছে, জবেদা খাতুন এলাকার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা সুদের ওপর নেন। ওই টাকা স্বামী ছানোয়ার হোসেনকে দেন ব্যবসা করার জন্য। কিন্তু এতোগুলো টাকা পাওনাদারদের ফিরিয়ে না দেয়ার পরিকল্পনা করে ছানোয়ার। পরিকল্পনা মোতাবেক স্ত্রীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন। সে কারণেই ঠাণ্ডা মাথায় তিনি স্ত্রী জবেদাকে খুন করেন। তবে খুনের পরে স্বাভাবিক আচরণ করে ঘটনা ভিন্নখাতে নেয়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু ‍পুলিশি তদন্তে সব সত্য বেরিয়ে আসে।

ওসি পৃথীষ কুমার জানান, স্বামীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার দেয়া তথ্যমতে, আরো যে ৪ জন খুনের ঘটনায় জড়িত কিনা তা যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: মাকে মারধর ও ভাঙচুর।
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • রাবিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ
  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হিন্দু নারী ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ
  • প্রবাসী লেখককে হত্যার হুমকি, গ্রামের বাড়িতে তাণ্ডব
  • ডিএমপি: ৫ আগস্ট পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • সিলেটের জঙ্গি নেতা আব্দুল বারি ও শামসু জামিনে মুক্ত