ঢাকা টাঙ্গাইলের মহাসড়ক অটোরিকশার দখলে, নিরব হাইওয়ে পুলিশ


মোঃ সিফাত মাহমুদ ফাহিম, মহাসড়কে নিরাপত্তা বাড়ানোর কারনেই সিএনজি চালিত অটোরিকশা সহ তিন(৩) চাকার সকল যানবহন মহাসড়ক চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়াছে। অথচ ঢাকা- টাঙ্গাইল মহাসড়ক দিয়ে নিষিদ্ধ এসব অটোরিকশা নিয়ন্ত্রহীনভাবে অবাধে চলাচল করছে।
সাধারণ গতির চেয়ে বেশি গতিতে চলায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দূঘটনা। অনেকেই জীবন দিয়েছে আবার অনেকেই পঙ্গু হয়েছে। জীবনের ঝুকি নিয়ে এইসব যানবাহনে চলাচল করতে বাাধ্য হচ্ছে যাত্রিরা গত অক্টোবরের ১৫ তারিাখ হতে এপযর্ন্ত সাভার ইপিজেড এলাকা থেকে শ্রীপর বাস স্ট্যান্য পর্যন্ত ৫ জন ব্যক্তি নিহত হয় এবং পঙ্গু হয় আরো কয়েক জন। মহাসড়কে তিন(৩) চাকার এসব যানবহন চলাচলের জন্য আইন- শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দায়ী করেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশের গাফলতির কারনেই আইন অমান্য করে, আইনকে বৃদ্ধা আঙ্গুলী দেখিয়ে মহাসড়কে গাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে এসব অবৈধ্য ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা গুলো। কিন্তু হাইওয়ে পুলিশ এগুলো যথাযথ পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। তারা আরো আিভযোগ করেন হাইওয়ে পুলিশের কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসূত্র থাকার কারনে অনায়াসে মহাসড়ক দিকে এসব অটোরিকশা চলাচল করছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, হাইকোট থেকে ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা চলাচল নিষিদ্ধ ঘোষনা করা হয়েছে। কিন্তু নিষিদ্ধ থাকা সত্বে ও ঢাকা জেলার সাভার ইপজেলার, আশুলিয়া থানার ইপিজেড এলাকা সহ বিভিন্ন রাস্তা ঘাটে তার অবাধে চলাচল করছে। মানছে না কোন দিক-বিদিক তারা তাদের ইচ্ছেমতো রং সাইড দিয়ে চলাচল করছে। আিভযোগ রয়েছে হ্ইাওয়ে পুলিশ লোক দেখানো ব্যাটারি খুলে নিয়ে যায় আবর তা টাকার বিনিময়ে ফেরত তিয়ে দেয়।
পুলিশের এখন মিশ্রন ভুমিকার জন্যে রয়েছে। মোঃ আনিসর রহমান(৪০) নামে সাধারণ এক যাত্রী বলেন। হাইওয়ে পুলিশ যদি এসব অটোরিকশা চালানোর বিরোধিতা করে তাহলে কি করে ইপিজেড এলাকা বলিভদ্র বাজার এবং শ্রীপুর বাস স্ট্যান্ডে তারা যাত্রি উঠানোর স্ট্যন্ডে কওে মহাসড়ক দখল করে? সরজমিনে ইপিজেড এলাকা শ্রীপুর বাস স্ট্যান্ড ও বলিভদ্র বাজারে তারা স্ট্যান্ডেগিয়ে যাত্রি উঠানামা করান। আর এসব নিষিদ্ধ অটোরিকশার কারনে প্রতিনিয়ত ঘটছে মারাতœক দূর্ঘটনা ব্যাটারি চালিত অটোািরকশার দূরত্ব সর্ম্পকে সাভার হাইওয়ে থানার ওসি মোঃ জাহিদুল ইসলামের মুঠো ফোনের যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান মহাসড়কের এসব অবৈধ অটোরিকশার ব্যপানে অমরা যথাযথো ব্যবসথা নিচ্ছি কিন্তু তাতে কোন কাজ হচ্ছেনা। মাঝে মাঝে আমারা ব্যটারি খুলে নিয়ে আসি ও গাড়ি জব্দ করে নিয়ে আসি। বড় দুঃখের বিষয় অবার তা বিভিন্ন মহলের ফোনে ছেড়ে দিতে হয় । অবশেষে তিনি বলেন এসব ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা মহাসড়কে চলাচলের জন্য যাত্রিরাই দায়ী। যাত্রিরা অটোরিকশার উঠে বলে তারা রাস্তার অটোরিকশা চালায় আর প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা ঘটে। শেষ কথা তাই এ জন্য যাত্রিরা-ই দায়ি বলে উনি সংযোগ কেটে দেন।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন


ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন


‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’
রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন













