মঙ্গলবার, জুলাই ২১, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

মৃত্যুর আগ মুহুর্তে অসহায় ফাতেমা জানিয়ে গেলো অত্যাচারী পিতা-পুত্রের কাছে ভয়ানক নিষ্ঠুরতার কথা !

অভাবের তাড়নায় খুলনা থেকে কেরাণীগঞ্জের একটি বাসায় কাজ করতে এসে গৃহকর্তা ও তার ছেলের ভয়ানক অত্যাচারে প্রাণ গেল ফাতেমা বেগমের (২২)। হাসপাতালে চার দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে অবশেষে হার মেনেছে অসহায় অসহায় ঐ গৃহকর্মী ।

স্বামী পরিত্যক্তা ফাতেমা ৯ মাস আগে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জের হাসনাবাদ এলাকায় দেলোয়ার হোসেনের বাসায় কাজ নেয়। বেতন ছাড়াই পেটেভাতে কাজ করতে থাকে। কিছুদিন আগে কাপড় ধোয়ার সময় অসাবধানতাবশত দুটি কাপড়ে রং লেগে যায়।

এতে ক্ষুব্ধ হয়ে গৃহকর্তা দেলোয়ার ও তার ছেলে আশিক ফাতেমাকে পেটাতে থাকে। এ সময় গৃহকর্ত্রী সালমা ফাতেমার শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয়। এতে ফাতেমার সারা শরীর ঝলসে যায়। অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে বাথরুমে আটকে রাখা হয়।

মৃত্যুর আগে হাসপাতালে স্বজনদের কাছে নির্যাতনের বর্ণনা দিয়েছেন ফাতেমা। ফাতেমার দেয়া ভিডিও জবানবন্দী থেকে জানা গেছে, গৃহকর্তা ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রথমে ফুটন্ত পানিতে তার শরীর ঝলসে দেয়। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় সে ছটফট করতে থাকলে তাকে বাথরুমে আটকে রাখা হয়। আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার জন্য এক পর্যায়ে তাকে বলা হলো নিজের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়ার জন্য। এতে সে রাজি না হওয়ায় তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। দগ্ধ শরীরে কোনো চিকিতসা মেলেনি। উল্টো পাঠিয়ে দেয়া হয় তার বাড়ি খুলনায়।

ফাতেমার বাড়ি খুলনার মংলায় সিগন্যাল টাওয়ার এলাকায়। বাবার নাম মোজাম সরদার।

নিহতের স্বজনেরা জানিয়েছেন, হত্যার উদ্দেশ্যে ফাতেমার শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় বাড়ির লোকজন। এতেও প্রাণে বেঁচে যান ফাতেমা।

এ অবস্থায় ঢাকায় কোনো চিকিতসা না দিয়ে একটি প্রাইভেটকার ভাড়া করে ফাতেমাকে খুলনা নিয়ে যায় গৃহকর্তা দেলোয়ার। পরিচয় গোপন রেখে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ফাতেমাকে ভর্তি করে সেখান থেকে পালিয়ে যায় দেলোয়ার ও তার লোকজন। পরে ফাতেমার অগ্নিদগ্ধ হওয়ার খবর তার পরিবারকে মোবাইল ফোনে জানায় দেলোয়ার। চার দিন পর চিকিত্সাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার ফাতেমার মৃত্যু হয়।

মংলা থানার ওসি লুৎফুর রহমান জানান, ফাতেমার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, মংলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিষয়টি আমাদের অবগত করা হয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান চলছে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: মাকে মারধর ও ভাঙচুর।
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • রাবিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ
  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হিন্দু নারী ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ
  • প্রবাসী লেখককে হত্যার হুমকি, গ্রামের বাড়িতে তাণ্ডব
  • ডিএমপি: ৫ আগস্ট পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • সিলেটের জঙ্গি নেতা আব্দুল বারি ও শামসু জামিনে মুক্ত