শনিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

উদ্ধার বিস্ফোরক যেত কুমিল্লায় !

ঢাকা হয়ে কুমিল্লায় যেত রাজশাহী মহানগরীতে উদ্ধার সাড়ে ৪ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্য। এরপর সেগুলো দিয়ে শক্তিশালী বোমা তৈরি করা হতো। সেসব বোমা ব্যবহার করা হতো দেশকে অস্থিতিশীল করতে। বুধবার পুলিশ এমন তথ্যই জানিয়েছে।

গত সোমবার রাত ১১টার দিকে নগরীর শিরোইলে পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে বিস্ফোরক দ্রব্যসহ দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের কথার ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিস্ফোরকের সরবরাহকারীকেও গ্রেপ্তার করা হয়। তবে গত দুই দিন তাদের কারোরই নাম-ঠিকানা প্রকাশ করা হয়নি।

তবে মামলা দায়েরের পর বুধবার তিন জনেরই নাম প্রকাশ করেছে পুলিশ। প্রথমে আটক দু’জন হলেন, কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার আকুইশা গ্রামের শফিকুর রহমানের ছেলে আবদুল লতিফ (৩৫) ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার বারিকবাজার গাজিপুর গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে সাকিরুল ইসলাম (৩৪)। ঢাকাগামী একটি বাস থেকে বিস্ফোরকসহ এদের হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়।

আর বিস্ফোরকের সরবরাহকারী হিসেবে পরে গ্রেপ্তার ব্যক্তি হলেন- চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চাঁদলাই গ্রামের তরিকুল ইসলামের ছেলে ফরহাদ হোসেন (২৮)। এই তিন জনের বিরুদ্ধে বুধবার পুলিশ বাদী হয়ে নগরীর বোয়ালিয়া থানায় দুটি মামলা দায়ের করেছে। একটি মামলা সন্ত্রাসবিরোধী আইনে, অন্যটি বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা বোয়ালিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মতিউর রহমান ঢাকাটাইমসকে জানান, গ্রেপ্তার তিন আসামিকে বুধবার রাজশাহী মহানগর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলাটি তদন্ত করছেন নগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক নাসির আহমেদ। তিনি আসামিদের ১০ দিন করে রিমান্ডের আবেদন করেছেন। তবে আবেদনের শুনানি হয়নি।

এসআই মতিউর জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা জানিয়েছেন, বিস্ফোরক দ্রব্যগুলো ঢাকা হয়ে কুমিল্লা যেত। সেসব বিস্ফোরক দিয়ে বোমা বানিয়ে তা নাশকতার কাজেই ব্যবহার করা হতো। তবে আসামিরা কোনো জঙ্গি সংগঠনের সদস্য কী না তা তারা পুলিশকে জানায়নি। এ বিষয়টি নিশ্চিত হতে পরবর্তীতে তিনিও আসামিদের আলাদাভাবে রিমান্ডের আবেদন করবেন।
এদিকে মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, যাত্রীবাহী বাসে আসামি আবদুল লতিফ ও সাকিরুল ইসলামের কাছে মোট ৪ কেজি ৫৪০ গ্রাম বিস্ফোরক দ্রব্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পটাশিয়াম ক্লোরাইড দুই কেজি ৩৪০ গ্রাম, সালফার দেড় কেজি ও লেড অ্যাজাইড ৭০০ গ্রাম। এসব বিস্ফোরক দ্রব্য দিয়ে খুবই শক্তিশালী বোমা বানানো যায় বলে জানায় পুলিশ।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত

যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন

অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন

বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন

  • হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে ইরানের হামলা, একাধিক সেনা আহত
  • স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের তথ্য ও নথি চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
  • সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
  • হাদি হত্যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে বিপাকে মমতা
  • ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
  • বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা
  • কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে জাফর আহাম্মেদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা
  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত