তীব্র যানজটঃ ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত


গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি, খানা খন্দক আর ভাঙ্গাচোরা ব্রিজের কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে টাঙ্গাইল থেকে ঢাকায় যেতে দেড় ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে সময় লাগছে ৫-৭ ঘণ্টা। এর ফলে যাত্রীদের চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।
আজ রবিবার মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে দেখা গেছে, ভাঙ্গাচোরা এই রাস্তায় যানবাহন আটকে পড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। মহাসড়কের কালিয়াকৈরের চন্দ্রা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত প্রায় ৭০ কিলোমিটার সড়ক খানা খন্দকে ভরা।
কয়েকজন যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিক অভিযোগ করেন, এই মহাসড়কের যানজটের অন্যতম কারণ হচ্ছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে চার লেনের কাজের জন্য।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, চার লেনের কাজ করার জন্য মীর আক্তার হোসেন জেবি ও আব্দুল মোনায়েম কম্পানি ২০১৫ সালে কাজ শুরু করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ কাজে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং প্রশাসনের নজরদারী না থাকায় এবং মহাসড়কের দুই পাশে ড্রাম ট্রাক দিয়ে মাটি ফেলার কারণেই এ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যানজট এখন নিত্য দিনের জন্য পরিণত হয়েছে। যানজট নিরসনের জন্য তাদের অধিকাংশ সময় রাস্তার মধ্যে থাকতে হচ্ছে।
মির্জাপুর থানার ওসি মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন বলেন, যানজটের মূল কারণ এ মহাসড়কের চন্দ্রা থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু পর্যন্ত ভাঙ্গাচোরা রাস্তা ও অসংখ্য খানা খন্দক ও ভাঙ্গাচোরা ব্রিজ।
এছাড়া চার লেনের কাজ হলেও সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং চারলেনের কাজে নিয়োজিত দুইটি কম্পানির মধ্যে সমন্বয়হীনতার অভাবে এ রোডে প্রতিনিয়তই যানজট হচ্ছে।
ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু যানজট মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে এবং বিভিন্ন সমস্যার কথা উল্লেখ করে তিনি একটি প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন অধিদপ্তরে জমা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।
এ প্রসঙ্গে চারলেন কাজে নিয়োজিত মীর আকতার হোসেন জেবি লি. এবং আব্দুল মোনেম কোং লি. এর দায়িত্বশীল দুই কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলাদেশ সরকার এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের মধ্যে চুক্তি হয়েছে এ মহাসড়ক চারলেন কাজ করে দেওয়ার জন্য। সে অনুযায়ী কাজ হচ্ছে। কিন্তু চারলেনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত ভাঙ্গাচোরা রাস্তা মেরামত করবে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।
এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী নাজমুল আলম বলেন, টানা বৃষ্টি থাকার কারণে ভাঙ্গাচোরা রাস্তা মেরামত করতে একটু বিলম্ব হয়েছিল। এখন আবহাওয়া ভাল হওয়ায় মেরামতের কাজ পুরোদমে শুরু হয়েছে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন


জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্য জোনাস গোমেজ অভিযোগবিস্তারিত পড়ুন


উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
স্টাফ রিপোর্টার ঃ ৬ জুলাই ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭বিস্তারিত পড়ুন













