বেডরুমে পুত্রবধূর পরকীয়ায় লিপ্ত দৃশ্য দেখে শ্বশুরের হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যু
ছেলে বিদেশ। পুত্রবধূ বেডরুমে পরকীয়ায় লিপ্ত। হাতেনাতে ধরা পড়ল পুত্রবধূ। আপত্তিকর এ পরিস্থিতি দেখে হার্ট অ্যাটাকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে শ্বশুর। শুক্রবার রাত ১২টার দিকে পুত্রবধূ ও তার কথিত প্রেমিককে আটক করা হয়।
কিশোরগঞ্জ জেলার পাকুন্দিয়া উপজেলার দক্ষিণ চরটেকী গ্রামের আজিম উদ্দিনের ছেলে মানিক মিয়া (২৫) সৌদি আরব প্রবাসী। স্ত্রীর নাম শরুফা আক্তার (২১)।
স্বামীর অবর্তমানে পার্শ্ববর্তী বাড়ির আজিত মিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছেলে মামুনের সঙ্গে শরুফার পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার রাত আনুমানিক ১২টার দিকে কৌশলে মামুন শরুফার ঘরে ঢোকেন। কেউ একজন ঘরের ভেতরে ঢুকেছে আঁচ করতে পেরে প্রবাসী মানিকের ফুফাতো ভাই আমিনুল ও বাড়ির অন্য লোকজন শরুফাকে ঘরের দরজা খুলতে বলে।
তারা দরজা খুলে প্রথম অবস্থায় কাউকে না পেয়ে শরুফাকে স্টিলের বাক্স খুলতে বলে।
তখনই বিপাকে পড়ে শরুফা। তালার চাবি নেই বলে জানিয়ে দেয়। পরে আমিনুল ও অন্যরা স্টিলের বাক্সে আরো একটি তালা লাগিয়ে দেন।
এদিকে, এ খবর শুনে শ্বশুর আজিম উদ্দিন পুত্রবধূ শরুফাকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
পুত্রবধূর এমন আচরণে শ্বশুর আজিম উদ্দিন অসুস্থ হয়ে বাড়ির উঠানে পড়ে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই মারা যান আজিম উদ্দিন।
শ্বশুর মুমূর্ষু অবস্থায় থাকলেও পুত্রবধূ শরুফা তার কাছে না গিয়ে স্টিলের বাক্স খুলে ঘরের টিনের ফাঁকা করে প্রেমিক মামুনকে বের করে দিতে সাহায্য করেন।
বাক্সের তালা ভাঙার শব্দ ও টিনের বেড়া খোলার শব্দ শুনে বাড়ির লোকজন দেখতে পায় মামুন দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। ধাওয়া করে মামুনকে আটক করে তারা।
খবর পেয়ে সকালে পুলিশ গিয়ে কথিত প্রেমিক মামুন ও প্রবাসীর স্ত্রী শরুফাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
আটক মামুন ও শরুফা থানা হেফাজতে রয়েছে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত
যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন


অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন


বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন













