ছলনাময়ী গৃহবধু বিউটি আক্তারের এক আজব প্রেমের গল্প!


ফরিদপুর শহরতলীর চরমাধবদিয়া ইউনিয়নের মমিন খাঁর হাট এলাকার এক মধ্যবিত্ত পরিবারের গৃহবধু বিউটি আক্তার সাথী (২০) এক ছলনাময়ী নারী। তার রয়েছে একাধিক প্রেমিক। রয়েছে একাধিক স্বামী। সৌদী আরবের মদিনা প্রবাসী ইউনুস শেখ (২৫) এর বিবাহিতা স্ত্রী ও ইমরান নামের এক পুত্র সন্তানের জননী সাথী। আজ থেকে প্রায় ৫ বছর আগে ভালোবেসে ইউনুস বিয়ে করে সাথীকে। জীবন সাথী হিসেবে ইউনুসকে কোর্ট ম্যারেজ এর মাধ্যমে মেনে নিলেও সাথীর প্রেমিকের সংখ্যা বাড়তেই থাকে।
সাথী তার এই অপকর্ম অব্যাহত রাখতে সহজ সরল মনের স্বামী ইউনুস এর কাছে দাবী করে যে, সে জীবনে উচ্চ শিক্ষা লাভ করে মানুষের মত মানুষ হতে চায়। তার দ্বারা শ্বশুর বাড়িতে থাকা সম্ভব নয়। সাথী তার বাবার বাড়ি রাজবাড়ি জেলার খলিলপুর এলাকায় বসবাস করবে এবং সেখানে থেকে পড়ালেখা চালিয়ে যাবে। সাথীর কথায় খুব সহজেই রাজী হয়ে যায় স্বামী ইউনুস। স্কুলে পড়া স্ত্রী সাথীকে সে ইন্টারমিডিয়েট পাশ করিয়ে গত বছর সরকারী রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে ভর্তি করেছে।
বিয়ের পর সাথীর পেছনে ইউনুস দুহাতে টাকা খরচ করেছে। বিয়ের পর দুবার দেশে এসেছে ইউনুস। বিদেশে স্বামী অবস্থান করার সুযোগে বিভিন্ন এলাকার বখাটে ছেলেদের সাথে প্রেম ও পরবর্তিতে দৈহিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে সাথী। এরই রেশ ধরে সম্প্রতি মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার আজাদ (২৫) নামের এক যুবককে পালিয়ে বিয়ে করে সে।
রাজবাড়ির গোয়ালন্দ মোড়ের এক ব্যবসায়ী মোস্তাক (২৫) এর সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তার কাছ থেকেও মোটা অংকের অর্থ এবং নানা ধরনের গিফট বাগিয়ে নেয় সাথী। একজনের বিবাহিত স্ত্রী হয়ে সাথী পর পুরুষের সাথে আপত্তি কর ছবি তুলে তা ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। এই সংবাদটির উপরের ছবিটি তাই প্রমান করে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে সাথীর গালে ঠোট মিশিয়ে চুমু খাচ্ছে আজাদ নামের এক যুবক। এর চেয়ে ভয়ংকর ও অশ্লিল ছবি সাথী তুলেছে বলে সাথীর প্রতারনার শিকার একাধিক যুবক অভিযোগ করেছে।
সাথী সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার মা মনোয়ারা বেগমেরও ৪ টি বিয়ে হয়েছে। মায়ের প্রভাব গিয়ে পড়েছে মেয়ের উপরে। বর্তমানে মনোয়ারা বেগম ৪র্থ স্বামীর সংসার করছে। সাথী বাবা মায়ের একমাত্র সন্তান। সাথীর সাথে ইউনুসের বিয়ের আগে ঢাকার আরো একটি ছেলের সাথে বিয়ে হয়েছিল বলে ইউনুস জানিয়েছে। সাথী ছোট বেলা থেকেই উচ্ছৃংখল। তার বাবা একজন কাঠ ব্যবসায়ী।
ইউনুস সাথীর প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেছে, সাথী জীবনে কোন পুরুষের সাথে সংসার করতে পারবে না। চরিত্রহীন মিষ্ট ভাষী সুকন্ঠি ছলনাময়ী নারী সাথীর জীবনে খুব শিঘ্রই নেমে আসবে গভীর অন্ধকার। আর ঐ অন্ধকারে তলিয়ে যাবে সাথীর জীবন। যার হাত ধরে সাথী পালিয়েছে এবং রাজবাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছে সেই ছেলে মূল সাথীকে চেনার পর দৌড়ে পালাবে।
এদিকে সাথী ও তার হবু স্বামী আজাদ এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়েরের প্রস্ততি নিচ্ছে ইউনুস এর পরিবার।
সাথীর বক্তব্যঃ
পরপুরুষের সাথে অন্তরঙ্গ ছবি তোলা প্রসঙ্গে সাথী বলেছে, মানুষ মাত্রই ভুল হয়। তাই তারও হয়তোবা একবারের জন্য ভুল হয়েছে। ইউনুস এখনও তার বিবাহিত স্বামী। ইউনুস তাকে ডিভোর্স দেয়নি এবং সাথীও তাকে ডিভোর্স দেবে না। ইউনুসকে নিয়ে সে ঘর সংসার করতে চায়। তবে সাথী ইউনুস সম্পর্কে বলেছে, ৫ ভরি তো দুরে থাক এক রতি সোনাও ইউনুস তাকে বিয়ের পর দেয়নি। ১৫ লাখ কেন ১৫ হাজার টাকাও সে ইউনুসের কাছ থেকে নেয়নি। ইউনুস তাকে ছাড়াও অন্তত আরো ৫টি বিয়ে করেছে বলে সাথী অভিযোগ করেছে।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন


জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
ঢাকা, ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সদস্য জোনাস গোমেজ অভিযোগবিস্তারিত পড়ুন


উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
স্টাফ রিপোর্টার ঃ ৬ জুলাই ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭বিস্তারিত পড়ুন













