বুধবার, জুলাই ২২, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

যেন সাংবাদিকরাই মাঠের হুমকি!

খুলনা শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের তৃতীয় টি- টোয়েন্টি ম্যাচে হয়রানির শিকার হতে হলো সাংবাদিকদের। সাংবাদিকদের জন্য বরাদ্দ করা নির্দিষ্ট গেট দিয়ে ঢুকতে গিয়ে বাজে আচরণের মুখে পড়তে হয়েছে অনেককে। অথচ তার কিছুক্ষণ পরই মূল গেট দিয়ে টিকেট ছাড়াই শোডাউন দিতে দিতে কয়েকশো মোটর সাইকেল স্টেডিয়ামে ঢুকে পড়ে।

ম্যাচ শুরু হতে তখনো ঘন্টাখানেক বাকি। স্টেডিয়াম গিয়েই দেখা গেল ব্যাপক নিরাপত্তা। উপলক্ষ- বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন আসবেন বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ের মধ্যকার তৃতীয়। মূল গেট দিয়ে ঢুকতে দেয়া হলো না সাংবাদিকদের।

বাঁশের বানানো খোয়ারের মতো লাইন দিয়ে ঢুকতে গেলেও সেখানে বাঁধা। বলা হলো অন্যটা দিয়ে যান। অথচ আগের দুই ম্যাচে ওটাই ছিল মিডিয়ার জন্য। এরপর একটু আগাতেই এক নিরাপত্তাকর্মীর হুমকি, একটু ধাক্কা দেয়ার মতো করেই বললেন ‘ব্যাগ চেক করতে হবে।’ গায়ে হাত দেয়ার কথা তুলতেই তিনি বলে দিলেন ‘এটাই আমাদের কাজ।’

তবে ব্যাগ চেক করার দায়িত্ব যে তার নয় সেটা কিছুক্ষণ পরই বোঝা গেল। কারণ একটু আগাতেই ইউনিফর্ম পরা এক সিকিউরিটি ব্যাগের প্রতিটা চেইন খুলে খুলে দেখলেন। ব্যাগ চেক করা তবু শেষ হলো না। পাঁচ ছয় জন সংবাদিক যখন প্রেসবক্সের উদ্দেশে হাঁটা শুরু করেছেন, তখন দূর থেকে আওয়াজ এলো, ‘এই আপনাদের ব্যাগ।’

আর এই আওয়াজেই কয়েকজন ক্রীড়া সাংবাদিক প্রতিবাদ করে ওঠেন। ওয়াকিটকি নিয়ে রাজত্ব করে বেড়ানো সেই নিরাপত্তাকর্মীকে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন, ‘কত জায়গায় চেক করা হবে। আগের দুই ম্যাচে কেন চেক করা হলো না?’ তবে কোনো সদুত্তর আসেনি। একপ্রকার গায়ের জোর নিয়েই কথা বলতে থাকেন তিনি।
আছে আরো বিপত্তি। এক সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডই টেনে ছিড়ে ফেলেছেন সাইফুল ইসলাম পিয়াস নামের এক নিরাপত্তাকর্মী। কার্ড ছিড়ে বাংলা সিনেমার মতো ডায়ালগও দিতে দেখা যায় তাকে। বলেন, ‘আমি সন্ত্রাসের মতোই আচারণ করি’। এক পুলিশ কর্মী ও আরেক কার্ড ধারী বলেন, ‘ভাই উনি শেখ সোহেলের বন্ধু। মাঠের সবকিছু। অনেক ক্ষমতা।’ যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক শেখ সোহেলের দাবি, ‘আমি তেমন কাউকে কোনো শক্তির দেয়ার কথা জানায়নি যে স্বেচ্ছাচারিতা করবেন।’

এরপরই একঝাকে কয়েকশ মোটর সাইকেল ঢুকে গেল স্টেডিয়ামে। দেয়াল টপকেও মাঠে ঢুকলো অনেকে। কিন্তু কোথাও কেউ নেই, নিরাপত্তাকর্মীদের মাথাব্যথাও নেই। এক পুলিশকর্মী বলেন, ‘ভাই সংখ্যাটা পাঁচশোর মতো হতে পারে।’ অর্থাৎ পাঁচশো মোটরসাইকেল। যাদের ছিল না কোনো টিকেট আর মোটর সাইকেলে ছিল না বিসিবির কোনো স্টিকার। তবে কি সাংবাদিকরাই মাঠের জন্য হুমকি!

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: গোপালগঞ্জে এক সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যের ওপর হামলা, মারধরবিস্তারিত পড়ুন

ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫

ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলায় বিএনপির দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষেবিস্তারিত পড়ুন

‘পেটের দায়ে এই জানমারা গরমেও রিকশা নিয়ে বাহির হতে হয়’

রাজশাহী মহানগরীর এক রিকশাচালক জীবিকার প্রয়োজনে প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও রিকশাবিস্তারিত পড়ুন

  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলার অভিযোগ: মাকে মারধর ও ভাঙচুর।
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • সিলেটে মোহসিন আহমেদ চৌধুরীর বাসভবনে হামলা ও ডাকাতি
  • রাবিতে অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন নির্বাচনের দাবিতে বিক্ষোভ
  • ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে ফেরার পথে হিন্দু নারী ও তার মায়ের ওপর হামলার অভিযোগ
  • প্রবাসী লেখককে হত্যার হুমকি, গ্রামের বাড়িতে তাণ্ডব
  • ডিএমপি: ৫ আগস্ট পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে
  • আমির খসরু: নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণকে দেশের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে
  • সিলেটের জঙ্গি নেতা আব্দুল বারি ও শামসু জামিনে মুক্ত