শুক্রবার, অক্টোবর ২৩, ২০২৬

আমাদের কণ্ঠস্বর

প্রধান ম্যেনু

ন্যাশনাল ক্রাইম নিউজ পোর্টাল

সুইপার থেকে সিরিয়াল ধর্ষক…পর্নো দেখে

পুলিশের হাতে ধরা পরেছে সিরিয়াল ধর্ষক রবীন্দ্রকুমার। পুলিশের জেরায় রবীন্দ্র যা যা স্বীকার করছে তা আপনার গাঁয়ে হিম ধরাবে। বন্ধুদের সঙ্গে মদ্যপান করার পর সে একেবারে অন্য মানুষ হয়ে যায়। এখনও পর্যন্ত রাজধানীর বুকে ১৫ শিশুর অপহরণ, ধর্ষণ ও খুনের সঙ্গে জড়িত বলে নিজ মুখেই স্বীকার করেছে রবীন্দ্র।

১৭ বছর বয়সে জীবনের প্রথম বড় অপরাধ করেছিল সে। মেট্রো নির্মাণ এলাকা থেকে এক শ্রমিকের মেয়েকে অপহরণ করে তাকে নির্মমভাবে ধর্ষণ করেছিল। তারপর দেহটি পুঁতে দিয়েছিল। কিন্তু ওই ঘটনার কোনো অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় সেই অপরাধের কোনো রেকর্ড পায়নি পুলিশ।

রবীন্দ্রকুমার জানিয়েছে, ‘প্রথমবারই ধরা পরিনি, আর তার ফলে অপরাধ করার আত্মবিশ্বাস আরো বেড়ে গিয়েছিল।’ ২০০৯ সালে বিজয় বিহার থেকে এক শ্রমিকের ছেলেকে অপহরণ করে এবং শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সে। এ ঘটনায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু সাক্ষীর অভাবে ছাড়া পেয়ে যায় রবীন্দ্র।

বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকা অবস্থায় তাকে শনাক্ত করে ফেলায় বা তাকে প্রতিহত করার চেষ্টা করায় ১১ জনকে খুন করেছে সে।

এদিকে পুলিশ জানিয়েছে, সাধারণতো দুপুরে বা ভোরের সময় অপরাধমূলক কাজ করতো রবীন্দ্র। বিভিন্ন কলোনিতে ঘুরে বেড়াতো সে। সেখানে যে বাচ্চারা বাড়ির বাইরে খেলা করতো বা দূরের শৌচালয় যেতো তাদের টাকা ও চকলেটের লোভ দেখিয়ে বাগে আনতো। কিন্তু কেউ রবীন্দ্রকুমারের লোভে পা না দিলে তার মুখ টিপে তুলে নিয়ে যেতো।

২০১১ সালে কাঞ্ঝাওয়ালা এবং মুণ্ডকা এলাকায় দুটি অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছে এ অপরাধী। ২০১২ সালে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য যখন সে আলিগড়ে আত্মীয়ের বাড়ি যায় সেখানে ১৪ বছরের দুই বান্ধবীকে টার্গেট করে। জোর করে তাদের ধর্ষণও করে। অবশ্য এই বিষয়ে কাউকে কিছু বলবে না এই শর্তে তাদের যেতে দেয় রবীন্দ্র।

সে এও স্বীকার করেছে যে, ওই এলাকাতেই আরো ৩ শিশুর উপর সে অত্যাচার চালিয়েছিল। ২০১৩ সালে নয়ডায় একই ধরনের আরো ২টি অপরাধ করে রবীন্দ্র।

পুলিশ জানিয়েছে, রবীন্দর স্বীকার করে নিয়েছে- সেখানকার একটি পরিবহন সংস্থায় পরিচ্ছন্নকর্মী হিসেবে কাজ করতো সে। সেখানেও একই ধরনের আরো ২টি ঘটনা ঘটিয়েছিল। পুলিশ তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই করে দেখছে।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মনোরোগ চিকিৎসকদের দিয়ে রবীন্দ্রর মানসিক অবস্থার পরীক্ষা করানো হবে। ব্রেন ম্যাপিং পদ্ধতিও ব্যবহার করা হতে পারে।

তদন্তকারী এক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, জেরায় রবীন্দ্র জানিয়েছে- সে মূলত তার দুই বন্ধু ধর্মেন্দ্র ও কিষনের সঙ্গে পর্নো ছবি দেখতে দেখতে মদ্যপান করতো। এরপরই শিশুদের খোঁজে এখানে ওখানে ঘুরে বেড়াতো। নিজের জন্য নয়, বন্ধুদের জন্যও শিশুদের খুঁজে বেরাতো সে।

এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ

পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত

যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন

অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে

রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন

বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন

  • হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের জাহাজে ইরানের হামলা, একাধিক সেনা আহত
  • স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের তথ্য ও নথি চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি
  • সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার অভিযোগ: গোপালগঞ্জে যুবককে বিবস্ত্র করে মারধর
  • হাদি হত্যা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়ে বিপাকে মমতা
  • ঝিনাইদহে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ৬৫
  • বেনাপোলে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা
  • কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রামে জাফর আহাম্মেদের বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনা
  • রাউজানে রাজনৈতিক বিরোধকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ সমর্থকের ওপর হামলার অভিযোগ
  • জমি সংক্রান্ত বিরোধ, ধর্মীয়অনুষ্ঠান প্রস্তুতিতে বাধা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা
  • কুমিল্লায় মাহমুদা আক্তার মজুমদার অপহৃত: পরিবারের উদ্বেগ
  • উভকামী আলম এর পরিবারকে গুরুতর হুমকি
  • তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের সবাইকে দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত