স্ত্রীসহ চারজনের ফাঁসির আদেশ স্বামী হত্যার ঘটনায়


পরকীয়ার জেরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী শিউলী বেগমসহ (৩০) চারজনের ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে পিরোজপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. গোলাম কিবরিয়া এ রায় দেন।
দণ্ড পাওয়া অন্য আসামিরা হলেন- আসাদ মাঝি (৩০), গাজী ফরিদ আহমেদ ফনি, বেলাল গাজী। তারা সবাই পলাতক। রায় ঘোষণার সময় আসামি শিউলী বেগম কাঠগড়ায় ছিলেন।
বিচারক তার ৪২ পৃষ্ঠার রায়ে উল্লেখযোগ্য অংশ পাঠ করে বলেন, “শিউলী বেগম ও আসাদ মাঝির সঙ্গে পরকীয়া প্রেমের কারণে এ হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হয়। মানিক মাঝির দুই সন্তান মাহিন হোসেন ও মহিয়ুর হোসেন কোর্টে সাক্ষী দিয়ে বাবা হত্যার বিচার দাবি করে। সে ক্ষেত্রে আসামিদের অনুকম্পা পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সর্বোচ্চ শাস্তিই তাদের প্রাপ্য।”
মামলার তদন্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, আসাদ মাঝি ও মানিক মাঝি সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই। উভয়ে দীর্ঘদিন ধরে একত্রে সুপারির ব্যবসা করতেন। সেই সুবাদে শিউলী বেগমের সঙ্গে আসাদ মাঝির পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১০ সালের ২৫ মে গভীর রাতে জিয়ানগর উপজেলার কলারন গ্রামে নিজ বাড়িতে ঘুমন্ত মানিক মাঝিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা। শিউলী বেগমের পরামর্শ ও পরিকল্পনা অনুযায়ী আসামিরা মানিক মাঝির দালানের পেছনের আমগাছ দিয়ে ছাদে ওঠে এবং সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে বাড়ির ভেতরে ঢোকে। পরে মানিক মাঝিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।
পরদিন ২৬ মে নিহত মানিক মাঝির ছোট ভাই মিজানুর রহমান মাঝি বাদী হয়ে জিয়ানগর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদেরে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
১৯ জন স্বাক্ষী এ মামলায় সাক্ষ্য দেন। বাদীপক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেন সরকারি কৌঁসুলি খান মো. আলাউদ্দিন। আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন সিনিয়র আইনজীবী সিরাজুল হক কাঞ্চন।
এই সংক্রান্ত আরো সংবাদ


পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ ধ্বংসের দাবি করল ভারত
যুদ্ধের প্রায় ১৬ মাস পর পাকিস্তানের একাধিক এফ-১৬ যুদ্ধবিমান ধ্বংসবিস্তারিত পড়ুন


অডিও ভাইরাল: ক্যান্টনমেন্ট থানার সেই ওসি ডিবি হেফাজতে
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসানকেবিস্তারিত পড়ুন


বাকস্বাধীনতা-সম্মানহানি বিবেচনায় সাইবার আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি ব্যক্তির সম্মানহানি যেনবিস্তারিত পড়ুন













